প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দ্বৈত মনোনয়নের ১৭ আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করলো আ. লীগ

বাংলা ট্রিবিউন: দ্বৈত মনোনয়ন দেওয়া ১৭টি আসনে প্রার্থিতা চূড়ান্ত করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) রাত থেকে এসব আসনে চূড়ান্ত প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া শুরু করে দলটি। এদিন রংপুর-৬ আসনে স্পিকার শিরীন শারমিনকে চূড়ান্ত করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় চাঁদপুর-২ আসনে বাদ পড়েছেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী এবং ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া।

শুক্রবার (৭ ডিসেম্বর) দুপুরে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বাসায় গিয়ে রংপুর-৬ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি তার হাতে তুলে দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শিরীন শারমিন এর আগে প্রার্থী হতে চেয়ে রংপুর-৬ আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন।

এদিকে শুক্রবার সকাল থেকে দ্বৈত মনোনয়ন দেওয়া বাকি আসনগুলোয় চূড়ান্ত প্রার্থীদের চিঠি দেওয়া শুরু করে আওয়ামী লীগ। এদিন কিশোরগঞ্জ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে চূড়ান্ত প্রার্থিতার চিঠি দেওয়া হয়। এ আসনে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী মসিউর রহমান হুমায়ুনকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল।

চাঁদপুর-১ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থিতার চিঠি দেওয়া হয়েছে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীরকে। এ আসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনকেও প্রাথমিকভাবে মনোনয়নপত্র দেওয়া হয়েছিল। চাঁদপুর-২ আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া দুজনের মধ্যে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বাদ পড়েছেন। এ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুরুল আমিন খান রুহুল। এছাড়া, চাঁদপুর-৪ আসনে জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহাম্মদ শফিকুর রহমানকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এ আসনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য ড. শামসুল ইসলাম ভূঁইয়াকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে বিমান পরিবহন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামালকে চূড়ান্ত প্রার্থী করা হয়েছে। বাদ দেওয়া হয়েছে গোলাম ফারুককে। পটুয়াখালী-৩ আসনে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজকে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়েছে। এখানে বাদ পড়েছেন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক রেজা।

নওগাঁ-৫ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত আব্দুল জলিলের ছেলে নিজামুদ্দিন জলিল জন। এখানে বাদ পড়েছেন আরেক প্রার্থী আব্দুল মালেক। নড়াইল-১ আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী বি এম কবিরুল হককেই চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ আসনে ১৪ দলীয় জোট শরিক জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বাদ পড়েছেন। টাঙ্গাইল-২ আসনে তানভীর হাসান (ছোট মনির) চূড়ান্তভাবে মনোনীত হয়েছেন। বাদ পড়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য আসাদুজ্জামানের ছেলে খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল। জামালপুর-১ আসনে বর্তমান এমপি আবুল কালাম আজাদকে চূড়ান্তভাবে বেছে নিয়েছে দল। বাদ পড়েছেন নূর মোহাম্মদ। জামালপুর-৫ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মোজাফফর হোসেন। এখানে বাদ পড়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী রেজাউল করিম হীরা। ঢাকা-৫ আসনে হাবিবুর রহমান মোল্লাকে এবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়েছে। এ আসনে বাদ পড়েছেন মনিরুল ইসলাম মনু। ঢাকা-৭ আসনে হাজী সেলিম চূড়ান্ত প্রার্থিতার চিঠি পেয়েছেন। বাদ গেছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসনাত। ঢাকা-১৭ আসনে প্রার্থী হিসেবে থাকছেন চিত্রনায়ক আকবর হোসেন পাঠান ফারুক। এ আসনে বাদ পড়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের খান। ফরিদপুর-২ আসনে সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন। এ আসনে বাদ পড়েছেন জাকের পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা আমীর ফয়সাল। বরগুনা-১ আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন পেলেন বর্তমান সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ শম্ভু। এ আসনে বাদ পড়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ