প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রার্থী চূড়ান্ত দুই জোটের

ডেস্ক রিপোর্ট : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনশ’ আসনে দল ও মহাজোটের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগ। নিজেদের জন্য ২৪০ আসন রেখে বাকি ৬০ আসন শরিকদের মধ্যে ভাগ করে দিয়েছে। এবার প্রার্থী তালিকায় পুরনোদের পাশাপাশি নতুনদের প্রাধান্য রয়েছে। নবীন-প্রবীণের সম্মিলন ঘটনো হয়েছে প্রার্থিতায়। তরুণদের ছাড় দিতে গিয়ে তালিকার বাইরে রাখতে হয়েছে অনেক প্রভাবশালী, এমপি-মন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতাকে। শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মহাজোটের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির এ ঘোষণা দেন।

জানা গেছে, ১৪ দলীয় জোটের শরিক ওয়ার্কার্স পার্টিকে পাঁচটি আসন দেয়া হয়েছে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ (ইনু)-কে দেয়া হয়েছে তিনটি ও জাসদ (আম্বিয়া)-কে একটি আসন দিয়েছে আওয়ামী লীগ। ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাসদের একটি করে আসন কমেছে। এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জেপি মঞ্জু) দুটি, তরিকত ফেডারেশন দুটি এবং মহাজোটের শরিক যুক্তফ্রন্টকে দেয়া হয়েছে তিনটি আসন। মহাজোটের অন্যতম শরিক জাতীয় পার্টিকে ৪২টি আসন ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এই দলটির আরও দুটি আসন বাড়তে পারে। আজ শনিবার নির্বাচন কমিশনে মহাজোটের চূড়ান্ত তালিকা জমা দেয়া হবে।

এদিকে প্রথমদিকে আওয়ামী লীগ ১৭টি আসনে ২ জন করে প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার ওই আসনগুলোতে একজন করে প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে দলটি। এর মধ্যে বাদ পড়ার তালিকায় দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া রয়েছেন। ১৪ দলের শরিক ও যুক্তফ্রন্টসহ নিজ দলের প্রার্থীদের নামে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ।

এর বাইরে কুড়িগ্রাম-১ ও ৩ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পাশাপাশি নৌকার প্রার্থী আছে। কুড়িগ্রাম-৪ আসনে নতুন করে (শুক্রবার) জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থীকে নৌকার চিঠি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ রকম আরও বেশকিছু আসনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে মহাজোটের শরিকদের আসন ভাগাভাগি নিয়ে জটিলতার নিরসন হয়নি। তবে আজ এই ঝামেলা নিরসন হতে পারে বলে বিভিন্ন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

জাতীয় পার্টির আসনগুলো বাদে শুক্রবার পর্যন্ত ২৫৩ আসনে মহাজোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা পাওয়া গেছে। আওয়ামী লীগের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এবারের নির্বাচনে নতুন মুখ যোগ হয়েছে প্রায় অর্ধশত। পাশাপাশি বাদ পড়েছেন বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ হেভিওয়েট বেশ কয়েক নেতা। এর মধ্যে যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীর নানক ও আবদুর রহমান এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক প্রমুখ। যারা বাদ পড়েছেন তাদের বিরুদ্ধে দলীয় কোন্দল, দুর্নীতিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েকজন বাদ পড়েছেন বলে জানা গেছে।

এর আগে ২৫ মে ২৩১টি আসনে ২৪৮ জনকে নৌকার চিঠি দিয়েছিল ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এরপর আরও কয়েকজনকে নৌকার চিঠি দেয় দলটি। এরপর দফায় দফায় বৈঠক করে আসন বণ্টন ও প্রার্থীর তালিকা চূড়ান্ত করা হয়। তালিকা প্রকাশের ঘোষণাও দেয়া হয় একাধিকবার। সর্বশেষ শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের মহাজোটের চূড়ান্ত আসন ভাগাভাগির ঘোষণা দেন।

মহাজোটের মনোনয়ন পেলেন যারা : পঞ্চগড়-১ মাজহারুল ইসলাম প্রধান, অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সুজন (পঞ্চগড়-২), রমেশচন্দ্র সেন (ঠাকুরগাঁও-১), দবিরুল ইসলাম (ঠাকুরগাঁও-২), ইয়াসিন আলী-ওয়ার্কার্স পার্টি (ঠাকুরগাঁও-৩) মনোরঞ্জন শীল গোপাল (দিনাজপুর-১), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২)।

জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম (দিনাজপুর-৩), পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী (দিনাজপুর-৪), অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার (দিনাজপুর-৫), শিবলী সাদিক (দিনাজপুর-৬), মো. আফতাব উদ্দিন সরকার (নীলফামারী-১), সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর (নীলফামারী-২), মোতাহার হোসেন (লালমনিরহাট-১), সমজাকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ (লালমনিরহাট-২)।

টিপু মুনশি (রংপুর-৪), আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ এইচএন আশিকুর রহমান (রংপুর-৫)। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী (রংপুর-৬), হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি (গাইবান্ধা-২), ডা. ইউনুস আলী সরকার (গাইবান্ধা-৩), রুহুল আমিন-জেপি (কুড়িগ্রাম-৪), সামসুল আলম দুদু (জয়পুরহাট-১), আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন (জয়পুরহাট-২), আবদুল মান্নান (বগুড়া-১), রেজাউল করিম তানসেন-জাসদ (বগুড়া-৪), হাবিবুর রহমান (বগুড়া-৫)।

সাধনচন্দ্র মজুমদার (নওগাঁ-১), শহীদুজ্জামান সরকার (নওগাঁ-২), ইমাজ উদ্দিন প্রামাণিক (নওগাঁ-৪) নিজাম উদ্দিন জলিল (নওগাঁ-৫), ইসরাফিল আলম (নওগাঁ-৬), ওমর ফারুক চৌধুরী (রাজশাহী-১), ফজলে হোসেন বাদশা-ওয়ার্কার্স পার্টি (রাজশাহী-২), প্রকৌশলী এনামুল হক (রাজশাহী-৪), শাহরিয়ার আলম (রাজশাহী-৬), সহিদুল ইসলাম বকুল (নাটোর-১), অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩), মো. আবদুল কুদ্দুস (নাটোর-৪)।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম (সিরাজগঞ্জ-১), ডা. হাবিবে মিল্লাত (সিরাজগঞ্জ-২), ডা. আবদুল আজিজ (সিরাজগঞ্জ-৩), তানভির ইমাম (সিরাজগঞ্জ-৪), আবদুল মমিন মণ্ডল (সিরাজগঞ্জ-৫), হাসিবুর রহমান স্বপন (সিরাজগঞ্জ-৬), সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু (পাবনা-১), আহমেদ ফিরোজ কবির (পাবনা-২), মকবুল হোসেন (পাবনা-৩), শামসুর রহমান শরীফ ডিলু (পাবনা-৪), গোলাম ফারুক প্রিন্স (পাবনা-৫), ফরহাদ হোসেন দোদুল (মেহেরপুর-১), আ ক ম সারোয়ার জাহান (কুষ্টিয়া-১), তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু-জাসদ (কুষ্টিয়া-২), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ (কুষ্টিয়া-৩), সেলিম আফতাব জর্জ (কুষ্টিয়া-৪)।

সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ছেলুন (চুয়াডাঙ্গা-১)। আলী আজগার টগর (চুয়াডাঙ্গা-২), আবদুল হাই (ঝিনাইদহ-১), তাহজীব আলম সিদ্দিকী (ঝিনাইদহ-২), মো. শফিকুল আজম খান (ঝিনাইদহ-৩), আনোয়ারুল আজিম আনার (ঝিনাইদহ-৪), শেখ আফিল উদ্দিন (যশোর-১), মে. জেনারেল (অব.) নাসির উদ্দিন (যশোর-২), কাজী নাবিল আহমেদ (যশোর-৩), রণজিৎ কুমার রায় (যশোর-৪), স্বপন ভট্টাচার্য (যশোর-৫), জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক (যশোর-৬), সাইফুজ্জামান শিখর (মাগুরা-১), যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার (মাগুরা-২)।

বিএম কবিরুল হক মুক্তি (নড়াইল-১), ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা (নড়াইল-২), শেখ হেলাল উদ্দিন (বাগেরহাট-১), শেখ তš§য় (বাগেরহাট-২), খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেকের সহধর্মিণী হাবিবুন্নাহার (বাগেরহাট-৩), মোজাম্মেল হোসেন (বাগেরহাট-৪), পঞ্চানন বিশ্বাস (খুলনা-১), শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল (খুলনা-২), মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা-৩), সাবেক খেলোয়াড় ও ব্যবসায়ী আবদুস সালাম মুর্শেদী (খুলনা-৪), নারায়ণ চন্দ্র চন্দ (খুলনা-৫), আকতারুজ্জামান বাবু (খুলনা-৬)।

মোস্তফা লুৎফুল্লাহ-ওয়ার্কার্স পার্টি (সাতক্ষীরা-১), মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (সাতক্ষীরা-২), সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক (সাতক্ষীরা-৩), এসএম জগলুল হায়দার (সাতক্ষীরা-৪), অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ শম্ভু (বরগুনা-১), শওকত হাচানুর রহমান রিমন (বরগুনা-২), মো. শাহজাহান মিয়া (পটুয়াখালী-১), আ স ম ফিরোজ (পটুয়াখালী-২), এসএম শাহজাদা (পটুয়াখালী-৩), মহিব্বুর রহমান মহিব (পটুয়াখালী-৪)।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ (ভোলা-১), আলী আজম (ভোলা-২), নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন (ভোলা-৩), বন ও পরিবেশ উপমন্ত্রী আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব (ভোলা-৪), আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ (বরিশাল-১), শাহে আলম (বরিশাল-২), ওয়ার্কার্স পার্টির টিপু সুলতান (বরিশাল-৩), স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ (বরিশাল-৪), কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক শামীম (বরিশাল-৫)।

বজলুল হক হারুন (ঝালকাঠি-১), আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু (ঝালকাঠি-২), আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক শ ম রেজাউল করিম (পিরোজপুর-১), জাতীয় পার্টি-জেপির আনোয়ার হোসেন মঞ্জু (পিরোজপুর-২), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক (টাঙ্গাইল-১), তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির (টাঙ্গাইল-২), আতাউর রহমান খান (টাঙ্গাইল-৩), হাসান ইমাম খান (টাঙ্গাইল-৪), ছানোয়ার হোসেন (টাঙ্গাইল-৫), আহসানুল ইসলাম (টাঙ্গাইল-৬), একাব্বর হোসেন (টাঙ্গাইল-৭)।

আবুল কালাম আজাদ (জামালপুর-১), মো. ফরিদুল হক খান (জামালপুর-২), বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী মির্জা আজম (জামালপুর-৩), ডা. মোহাম্মদ মুরাদ হাসান (জামালপুর-৪), ইঞ্জিনিয়ার মোজাফফর হোসেন (জামালপুর-৫)। আতিউর রহমান আতিক (শেরপুর-১), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী (শেরপুর-২), একেএম ফজলুল হক চান (শেরপুর-৩)। জুয়েল আরেং (ময়মনসিংহ-১), শরীফ আহমেদ (ময়মনসিংহ-২), অ্যাডভোকেট মোসলেম উদ্দিন (ময়মনসিংহ-৬), মাওলানা রুহুল আমিন মাদানী (ময়মনসিংহ-৭), আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন (ময়মনসিংহ-৯), ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল (ময়মনসিংহ-১০)।

মানু মজুমদার (নেত্রকোনা-১), আশরাফ আলী খান খসরু (নেত্রকোনা-২), আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল (নেত্রকোনা-৩), রেবেকা মোমিন (নেত্রকোনা-৪), ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল (নেত্রকোনা-৫)। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম (কিশোরগঞ্জ-১), নূর মোহাম্মদ (কিশোরগঞ্জ-২), রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক (কিশোরগঞ্জ-৪), আফজাল হোসেন (কিশোরগঞ্জ-৫), নাজমুল হাসান পাপন (কিশোরগঞ্জ-৬)।

এএম নাঈমুর রহমান দুর্জয় (মানিকগঞ্জ-১), মমতাজ বেগম (মানিকগঞ্জ-২), জাহিদ মালেক স্বপন (মানিকগঞ্জ-৩), যুক্তফ্রন্টের মাহি বি চৌধুরী (মুন্সিগঞ্জ-১), সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি (মুন্সীগঞ্জ-২), অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস (মুন্সীগঞ্জ-৩), সালমান এফ রহমান (ঢাকা-১), খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম (ঢাকা-২), বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু (ঢাকা-৩), হাবিবুর রহমান মোল্লা (ঢাকা-৫), হাজী সেলিম (ঢাকা-৭), ওয়ার্কার্স পার্টির রাশেদ খান মেনন (ঢাকা-৮), সাবের হোসেন চৌধুরী (ঢাকা-৯), ফজলে নূর তাপস (ঢাকা-১০)।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম রহমতুল্লাহ (ঢাকা-১১), স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল (ঢাকা-১২), ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান (ঢাকা-১৩), আসলামুল হক আসলাম (ঢাকা-১৪), কামাল আহমেদ মজুমদার (ঢাকা-১৫), ইলিয়াস উদ্দিন মোল্লা (ঢাকা-১৬), চিত্রনায়ক ফারুক (ঢাকা-১৭), সাহারা খাতুন (ঢাকা-১৮), ডা. এনামুর রহমান (ঢাকা-১৯), বেনজীর আহমেদ (ঢাকা-২০)।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক (গাজীপুর-১), জাহিদ আহসান রাসেল (গাজীপুর-২), ইকবাল হাসান সবুজ (গাজীপুর-৩), সিমিন হোসেন রিমি (গাজীপুর-৪), মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর-৫), লে. কর্নেল (অব.) নজরুল ইসলাম হিরু বীরপ্রতীক (নরসিংদী-১), কামরুল আশরাফ খান (নরসিংদী-২) জহিরুল হক ভূঁইয়া (নরসিংদী-৩), অ্যাডভোকেট নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন (নরসিংদী-৪), রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু (নরসিংদী-৫)।

গোলাম দস্তগীর গাজী (নারায়ণগঞ্জ-১), নজরুল ইসলাম বাবু (নারায়ণগঞ্জ-২), একেএম শামীম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৪)। কাজী কেরামত আলী (রাজবাড়ী-১), মো. জিল্লুল হাকিম (রাজবাড়ী-২), সাবেক সচিব মঞ্জুর হোসেন (ফরিদপুর-১), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী (ফরিদপুর-২), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন (ফরিদপুর-৩), কাজী জাফরউল্লাহ (ফরিদপুর-৪)।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান (গোপালগঞ্জ-১) ও শেখ ফজলুল করিম সেলিম (গোপালগঞ্জ-২)। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (গোপালগঞ্জ-৩)। নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন (মাদারীপুর-১), নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান (মাদারীপুর-২)।

আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ (মাদারীপুর-৩), আওয়ামী লীগের কার্যকরী সংসদের সদস্য ইকবাল হোসেন অপু (শরীয়তপুর-১), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম (শরীয়তপুর-২), নাহিম রাজ্জাক (শরীয়তপুর-৩), ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন (সুনামগঞ্জ-১), জয়া সেনগুপ্তা (সুনামগঞ্জ-২), এমএ মান্নান (সুনামগঞ্জ-৩), মুহিবুর রহমান মানিক (সুনামগঞ্জ-৫), একে আবদুল মোমেন (সিলেট-১), মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী (সিলেট-৩), ইমরান আহমেদ (সিলেট-৪), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ (সিলেট-৬)।

মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন (মৌলভীবাজার-১), যুক্তফ্রন্টের এফএম শাহীন (মৌলভীবাজার-২), নেছার আহমেদ (মৌলভীবাজার-৩), মো. আবদুস শহীদ (মৌলভীবাজার-৪), মো. আবদুল মজিদ খান (হবিগঞ্জ-২), মো. আবু জাহির (হবিগঞ্জ-৩), মো. মাহবুব আলী (হবিগঞ্জ-৪), বদরুদ্দোজা ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১), র আ ম ওবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩), অ্যাডভোকেট আনিসুল হক (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), মো. এবাদুল করিম বুলবুল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫), সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবি তাজুল ইসলাম (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬)।

মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১), সেলিমা আহমাদ মেরি (কুমিল্লা-২), ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন (কুমিল্লা-৩), রাজী মোহাম্মদ ফখরুল (কুমিল্লা-৪), অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু (কুমিল্লা-৫), আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার (কুমিল্লা-৬), অধ্যাপক আলী আশরাফ (কুমিল্লা-৭), নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), মো. তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৯), পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (কুমিল্লা-১০), রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক (কুমিল্লা-১১)।

মহীউদ্দীন খান আলমগীর (চাঁদপুর-১), নুরুল আমিন রুহুল (চাঁদপুর-২), আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. দীপু মনি (চাঁদপুর-৩), মুহম্মদ শফিকুর রহমান (চাঁদপুর-৪), জাসদের শিরিন আখতার (ফেনী-১), নিজামউদ্দিন হাজারী (ফেনী-২), এইচএম ইব্রাহিম (নোয়াখালী-১), মোর্শেদ আলম (নোয়াখালী-২), মো. মানুর রশিদ কিরণ (নোয়াখালী-৩), একরামুল করিম চৌধুরী (নোয়াখালী-৪), আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের (নোয়াখালী-৫)।

তরিকত ফেডারেশনের আনোয়ার খান (লক্ষ্মীপুর-১), বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী একেএম শাহাজাহান কামাল (লক্ষ্মীপুর-৩), যুক্তফ্রন্টের এমএ মান্নান (লক্ষ্মীপুর-৪), আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিয়ার মোশাররফ হোসেন (চট্টগ্রাম-১), তরিকত ফেডারেশনের সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (চট্টগ্রাম-২), দিদারুল আলম (চট্টগ্রাম-৪), এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-৬), আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৭), জাসদের মঈনুদ্দিন খান বাদল (চট্টগ্রাম-৮), আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল (চট্টগ্রাম-৯), মো. আফসারুল আমিন (চট্টগ্রাম-১০), সামশুল হক চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১২), সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (চট্টগ্রাম-১৩), নজরুল ইসলাম চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৪), আবু রেজা নদভী (চট্টগ্রাম-১৫), মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী (চট্টগ্রাম-১৬), জাফর আলম (কক্সবাজার-১), আশেকুল্লাহ রফিক (কক্সবাজার-২), সাইমুম সারোয়ার কমল (কক্সবাজার-৩), শাহিনা আক্তার চৌধুরী (কক্সবাজার-৪), কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি), বীর বাহাদুর উ শৈ সিং (বান্দরবান), রাঙ্গামাটি দীপংকর তালুকদার।

বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের ভরসা পুরনোতেই

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৬ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে বিএনপি। শুক্রবার বিকালে এ তালিকা ঘোষণা করা হয়। এতে দেখা যায়, পুরনোদের ওপরই ভরসা রেখেছে দলটি। তবে রয়েছে তরুণরাও। এছাড়া সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত কয়েকজনকে দলে ফিরিয়ে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মনোনয়ন তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী-এমপির উত্তরাধিকাররাও। কনকচাঁপার মতো সেলিব্রেটিদেরও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

আবার সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলন, সাবেক এমপি নাদিম মোস্তফা, অধ্যক্ষ সোহরাবউদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক নেতা সেলিমুজ্জামান সেলিমের মতো নেতারা বাদ পড়েছেন। স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দুটি আসনে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও দুটি আসনে নির্বাচন করতে পারেন। বগুড়া-৬ এ চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়ন চূড়ান্তভাবে বাতিল হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পাশাপাশি এ আসনে নির্বাচন করবেন তিনি।

চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম তালিকা প্রকাশ করেন। এ সময় চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব আবদুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন। আজ ২০ দলীয় জোট ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর গুলশান কার্যালয়ের সামনে তাদের সমর্থকরা নানা স্লোগান দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন।

প্রার্থী ঘোষণার আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়ে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমরা দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই। মিথ্যা মামলায় বিএনপিসহ ২০ দলীয় নেতাকর্মী যারা কারাগারে রয়েছেন তাদের মুক্তি চাই। সারা দেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মী ও মানুষের ওপর যে মিথ্যা মামলা, নির্যাতন-নিপীড়ন চলছে তার অবসান চাই।

বাকি ৯৪ জন প্রার্থীর ব্যাপারে মির্জা ফখরুল বলেন, মনোনয়ন প্রার্থীদের বিভিন্ন রকম সমস্যা তৈরি করে বাধার সৃষ্টি করা হয়েছে। সেখান থেকে আপিলে অনেকে বের হয়ে এসেছেন। সেজন্য আমাদের যে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করতে বিলম্ব হয়েছে। ২০৬ জনের যে চূড়ান্ত প্রার্থী তা শুধু বিএনপির। কিছু কিছু আসনে এখনও নির্বাচন কমিশন থেকে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে আসেনি অথবা আদালতে আছে। সেই আসনগুলোর নাম বাকি রেখেছি। আর বিশ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আসন বিন্যাস চূড়ান্ত হওয়ার পর আগামীকাল (আজ) তা চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হবে। ঘোষণা দেয়া ২০৬ জনের নাম বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বসে চূড়ান্ত করেছেন বলে জানান মহাসচিব।

দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবারের নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়ে সব মতবিরোধ ভুলে প্রার্থীদের পক্ষে কাজ করতে বলেছেন। এছাড়া গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ফিরে পেতে জনগণকে বিএনপির সঙ্গে থাকার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, হারিয়ে যাওয়া অধিকারকে ফিরিয়ে আনার জন্য খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার জন্য নির্বাচনে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট, ২০ দল ও বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করে আপনারা গণতন্ত্রকে বিজয়ী করবেন।

এদিকে ঘোষিত তালিকা নিয়ে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন দলের একাংশ। তাদের দাবি, অনেক যোগ্য ও ত্যাগী নেতাদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি। দীর্ঘদিন যারা নিষ্ক্রিয় ছিলেন, দলীয় কর্মকাণ্ডে যাদের দেখা যায়নি তাদের অনেককে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। একটি মামলা বা জিডি নেই এমন অনেকেও মনোনয়ন পেয়েছেন। অতীতে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে যারা ব্যবসা-বাণিজ্য করে আয়েশে দিন কাটিয়েছেন তাদের অনেকেই বাগিয়ে নিয়েছেন মনোনয়ন।

আবার অন্যদল থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়েই মনোনয়ন বাগিয়ে নিয়েছেন কয়েকজন। অথচ এসব আসনে যারা মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন তারা দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয়ভাবে আন্দোলন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের নামে অসংখ্য মামলা রয়েছে। কয়েকবার কারাবরণও করেছেন। মনোনয়ন নিয়ে শেষ মুহূর্তে বাণিজ্যের অভিযোগও করছেন অনেকে।

দলটির একাধিক নেতা যুগান্তরকে বলেন, কয়েকদিন ধরেই চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারকরা দফায় দফায় বৈঠক করেন। প্রার্থী চূড়ান্ত করতে তারা হিমশিম খান। চূড়ান্ত মনোনয়ন দিতে নানাভাবে পার্লামেন্টারি বোর্ডের সদস্যদের ওপর চাপ আসে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনেকের সঙ্গে মনোনয়ন নিয়ে দফারফাও করেন। নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়ে মনোনয়ন বাগিয়ে নিতে লবিং তদবিরে ব্যস্ত ছিলেন তারা। সুবিধাবাদীরা একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালান।

ঋণখেলাপিসহ নানা কারণে সাবেক এমপি-মন্ত্রীদের যারা প্রার্থী হতে পারেননি তাদের স্ত্রী, ছেলেমেয়েরা মনোনয়ন পেয়েছেন। ঢাকা-২ এ আমানউল্লাহ আমানের ছেলে ইরফান ইবনে আমান, নেত্রকোনা-৪ এ সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী সাবিনা জামান, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের ছেলে ব্যরিস্টার নওশাদ জমির (পঞ্চগড়-১) মনোনয়ন পেয়েছেন। দলের প্রভাবশালী যেসব নেতা মারা গেছেন তাদের পরিবারের সদস্যদেরও মনোনয়ন দেয়া হয়েছে।

প্রয়াত নেতা আসম হান্নান শাহর ছেলে শাহ রিয়াজুল হান্নান (গাজীপুর-৩), তরিকুল ইসলামের ছেলে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (যশোর-৩), ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরীনকে ( নাটোর-১) মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ (কক্সবাজার-১), রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি (নাটোর-২) মনোনয়ন পেয়েছেন।

পুরনোদের পাশাপাশি তরুণদের ওপরও আস্থা রেখেছে বিএনপি। ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ও বর্তমান বেশ কয়েকজন নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব (ঢাকা-১২), স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (ঝিনাইদহ-৪), ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি রকিবুল ইসলাম বকুল (খুলনা-৩), সাবেক সহসভাপতি ফরহাদ হোসেন আজাদ (পঞ্চগড়-২), ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলিম (সিরাজগঞ্জ-৫), সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান তালুকদার খোকন (মাদারীপুর-৩) মনোনয়ন পেয়েছেন।

জানা গেছে, বিগত সময়ে ঢাকা মহানগরীর আসনগুলোতে হেভিওয়েট প্রার্থী দেয়া হলেও এবার চিত্র ভিন্ন। বেশির ভাগ আসনে দলের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। ঢাকা মহানগরীর ১৫টি আসনের মধ্যে মাত্র পাঁচটি আসনে মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা-১২ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের বিপরীতে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরবকে। নীরবের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা রয়েছে। এসব মামলা মাথায় নিয়ে তিনি ভোটের মাঠে কতটা সক্রিয় হতে পারবেন সে আশঙ্কা নেতাকর্মীদের।

ঢাকা-১১-তে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে মহানগর উত্তরের সভাপতি এমএ কাইয়ুমের স্ত্রী শামীম আরা বেগমকে। রাজনীতিতে তেমন পরিচিত নন তিনি। স্বামীর পরিচয়ে তাকে ভোটের মাঠে নামতে হবে। অথচ এই আসনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী একেএম রহমতউল্লাহ। তিনি একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ঢাকা-১৬ আসনে আওয়ামী লীগের ইলিয়াস মোল্লার সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী করা হয়েছে উত্তরের সাধারণ সম্পাদক আহসান উল্লাহ হাসানকে। হাসান দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। মামলার কারণে এখনও এলাকাছাড়া।

অনেক যোগ্য এবং ত্যাগী নেতারা মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন। পটুয়াখালী-৩ আসনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হাসান মামুনের দলীয় মনোনয়ন মোটামুটি নিশ্চিত ছিল বলে জানান দলের একাধিক নেতা। তারা বলেন, মামুন দীর্ঘদিন দলে সক্রিয়। ওয়ান-ইলেভেনের সময়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু হঠাৎ করেই গুলশান কার্যালয়ে হাজির হন আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি। আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগদান করে বাগিয়ে নেন পটুয়াখালী-৩ আসনের মনোনয়নের চিঠি।

চূড়ান্তভাবে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। রনির হঠাৎ করে দলে আসা এবং মনোনয়ন বাগিয়ে নেয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। রনির কারণে হাসান মামুনের কপাল পুড়ল। নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন নজরুল ইসলাম আজাদ। এই আসনের চারবারের এমপি আঙ্গুরকে বাদ দেয়া হয়েছে। বিগত ওয়ান-ইলেভেনের সময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন সাবেক এমপি সোহরাবউদ্দিন। কুষ্টিয়া-৩ আসন থেকে তাকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়নি।

ধানের শীষ পেলেন যারা : পঞ্চগড়-১ ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, পঞ্চগড়-২ ফরহাদ হোসেন আজাদ, ঠাকুরগাঁও-১ মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঠাকুরগাঁও-৩ জাহিদুর রহমান, দিনাজপুর-২ মোহাম্মদ সাদিক, দিনাজপুর-৪ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ এজেডএম রেজওয়ানুল হক, নীলফামারী-১ রফিকুল ইসলাম, লালমনিরহাট-১ মো. হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ মো. রোকন উদ্দিন বাবুল।

লালমনিরহাট-৩ আসাদুল হাবিব দুলু, রংপুর-২ মোহাম্মদ আলী সরকার, রংপুর-৩ রিটা রহমান, রংপুর-৪ ইমদাদুল হক, রংপুর-৬ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-১ সাইফুর রহমান রানা, কুড়িগ্রাম-৩ তাজবিরুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম-৪ আজিজুর রহমান, গাইবান্ধা-৪ ফারুক কবীর আহম্মেদ, গাইবান্ধা-৫ ফারুক আলম সরকার, জয়পুরহাট-১ ফজলুর রহমান, জয়পুরহাট-২ আবু ইউসুফ খলিলুর রহমান, বগুড়া-১ কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-৪ মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ মো. শাহজাহান মিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মো. আমিরুল ইসলাম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁ-১ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নওগাঁ-২ মো. শামসুজ্জোহা খান, নওগাঁ-৩ পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী, নওগাঁ-৪ শামসুল আলম প্রামাণিক, নওগাঁ-৫ মো. জাহিদুল ইসলাম, নওগাঁ-৬ আলমগীর কবির, রাজশাহী-১ ব্যারিস্টার আমিনুল হক, রাজশাহী-২ মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৪ মো. আবু হেনা, রাজশাহী-৫ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আবু সাঈদ চাঁদ, নাটোর-১ কামরুন্নাহার।

নাটোর-২ সাবিনা ইয়াসমিন, নাটোর-৩ দাউদার মাহমুদ, নাটোর-৪ আবদুল আজিজ, সিরাজগঞ্জ-১ রোমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা, সিরাজগঞ্জ-৩ আবদুল মান্নান তালুকদার, সিরাজগঞ্জ-৫ মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম, সিরাজগঞ্জ-৬ কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিস, পাবনা-২ একেএম সেলিম রেজা হাবিব, পাবনা-৩ কেএম আনোয়ারুল ইসলাম, পাবনা-৪ হাবিবুর রহমান হাবিব, মেহেরপুর-১ মাসুদ অরুন, মেহেরপুর-২ জাবেদ মাসুদ, কুষ্টিয়া-১ রেজা আহম্মেদ বাচ্চু মোল্লা।

কুষ্টিয়া-৩ মো. জাকির হোসেন সরকার, কুষ্টিয়া-৪ মেহেদী আহম্মেদ রুমি, চুয়াডাঙ্গা-১ মো. শরিফুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা-২ মাহমুদ হাসান খান, ঝিনাইদহ-২ অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ, ঝিনাইদহ-৪ মো. সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, যশোর-১ মো. মফিকুল হাসান তৃপ্তি, যশোর-৩ অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর-৪ টিএইচ আইয়ুব, যশোর-৬ মো. আবুল হোসেন আযাদ, মাগুড়া-১ মো. মনোয়ার হোসেন, মাগুড়া-২ নিতাই রায় চৌধুরী, নড়াইল-১ এসএম সাজ্জাদ হোসেন, রাগেরহাট-১ মো. শেখ মাসুদ রানা, বাগেরহাট-২ এমএ সালাম।

খুলনা-১ আমীর এজাজ খান, খুলনা-২ নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আজিজুল বারী হেলাল, সাতক্ষীরা-১ হাবিবুল ইসলাম হাবিব, পটুয়াখালী-১ আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-৩ গোলাম মওলা রনি, পটুয়াখালী-৪ এবিএম মোশাররফ হোসেন, ভোলা-২ হাফিজ ইবরাহিম, ভোলা-৩ হাফিজউদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ নাজিউদ্দিন আলম, বরিশাল-১ জহিরউদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু, বরিশাল-৩ জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৫ মজিবুর রহমান সরোয়ার, বরিশাল-৬ আবুল হোসেন খান।

ঝালকাঠি-১ মো. শাহজাহান ওমর, ঝালকাঠি-২ জেবা আমিন খান, পিরোজপুর-৩ মো. রুহুল আমিন দুলাল, জামালপুর-২ সুলতান মাহমুদ বাবু, জামালপুর-৩ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জামালপুর-৪ ফরিদুল কবির তালুকদার শামীম, জামালপুর-৪ শাহ মো. ওয়ারেজ আলী মামুন, শেরপুর-১ সানসিলা জেবরিন, শেরপুর-২ মোকলেছুর রহমান রিপন, শেরপুর-৩ মো. মাহমুদুল হক রুবেল, ময়মনসিংহ-২ শাহ শহিদ সরোয়ার, ময়মনসিংহ-৩ তায়েবুর রহমান হিরন, ময়মনসিংহ-৫ মো. জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ-৬ শামসুদ্দিন আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ মো. জয়নাল আবেদিন।

ময়মনসিংহ-৯ খুররম খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১১ ফখরুদ্দিন আহম্মেদ, নেত্রকোনা-১ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, নেত্রকোনা-২ মো. আনোয়ারুল হক, নেত্রকোনা-৩ রফিকুল ইসলাম হেলালী, নেত্রকোনা-৪ তাহমিনা জামান, কিশোরগঞ্জ-১ রেজাউল করিম খান, কিশোরগঞ্জ-২ মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ-৪ মো. ফজলুর রহমান, কিশোরগঞ্জ-৫ শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, কিশোরগঞ্জ-৬ মো. শরিফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-১ শহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-২ সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, টাঙ্গাইল-৫ মাহমুদুল হাসান, টাঙ্গাইল-৬ গৌতম চক্রবর্তী, টাঙ্গাইল-৭ আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, মানিকগঞ্জ-১ এসএ জিন্নাহ কবির, মানিকগঞ্জ-২ মাইনুল ইসলাম খান, মুন্সীগঞ্জ-১ শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ মিজানুর রহমান সিনহা, মুন্সীগঞ্জ-৩ আবদুুল হাই, ঢাকা-২ ইরফান ইবনে আমান, ঢাকা-৩ গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ঢাকা-৪ সালাউদ্দিন আহমেদ, ঢাকা-৮ মির্জা আব্বাস, ঢাকা-১০ আবদুল মান্নান, ঢাকা ১১ শামীর আরা বেগম, ঢাকা-১২ সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা ১৩ আবদুস সালাম, ঢাকা ১৬ মো. আহসান উল্লাহ হাসান, ঢাকা-১৯ ডা. দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন, ঢাকা-২০ তমিজউদ্দিন, গাজীপুর-১ চৌধুরী তানভীর আহম্মেদ সিদ্দিকী, গাজীপুর-২ মো. সালাউদ্দিন সরকার, গাজীপুর-৪ শাহ রিয়াজুল হান্নান।

গাজীপুর-৫ ফজলুল হক মিলন, নরসিংদী-১ খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ ড. আবদুল মঈন খান, নরসিংদী-৪ সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নারায়ণগঞ্জ-২ নজরুল ইসলাম আজাদ, রাজবাড়ী-১ আলী নেওয়াজ খৈয়াম, রাজবাড়ী-২ মো. নাসিরুল হক সাবু, ফরিদপুর-১ শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর, ফরিদপুর-২ শামা ওবায়েদ ইসলাম, ফরিদপুর-৩ চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ খন্দকার ইকবাল হোসেন, গোপালগঞ্জ-১ শরিফুজ্জামান।

গোপালগঞ্জ-২ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, গোপালগঞ্জ-৩ এসএম আফজাল হোসেন, মাদারীপুর-১ সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী, মাদারীপুর-২ মিল্টন বৈদ্য, মাদারীপুর-৩ আনিসুর রহমান তালুকদার, শরীয়তপুর-২ শফিকুর রহমান কিরন, শরীয়তপুর-৩ মিয়া নুরউদ্দির আহমেদ অপু, সুনামগঞ্জ-১ নজির হোসেন, সুনামগঞ্জ-২ মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ ফজলুল হক আসপিয়া, সুনামগঞ্জ-৫ মিজানুর রহমান চৌধুরী।

সিলেট-৩ শফি আহমেদ চৌধুরী, সিলেট-৪ দিলদার হোসেন সেলিম, মৌলভীবাজার-১ নাসিরউদ্দির আহমেদ, মৌলভীবাজার-৩ এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, হবিগঞ্জ-৩ জিকে গউছ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ এসকে একরামুজ্জামান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ মো. খালেদ মাহবুব শ্যামল, কুমিল্লা-১ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-২ ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, কুমিল্লা-৩ কাজী মুজিবুল হক, কুমিল্লা-৮ জাকারিয়া তাহের সুমন।

কুমিল্লা-৯ এম আনোয়ারুল আজিম, চাঁদপুর-১ মো. মোশাররফ হোসেন, চাঁদপুর-২ মো. জালালউদ্দিন, চাঁদপুর-৪ এমএ আবদুল হান্নান, চাঁদপুর-৫ মমিনুল হক, ফেনী-২ জয়নাল আবদীন, ফেনী-৩ মো. আকবর হোসেন, নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, নোয়াখালী-২ জয়নুল আবদীন ফারুক, নোয়াখালী-৩ মো. বরকতউল্লাহ বুলু, নোয়াখালী-৪ মোহাম্মদ শাহজাহান, নোয়াখালী-৫ ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নোয়াখালী-৬ মো. ফজলুল আজিম, লক্ষ্মীপুর-২ আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী।

চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ আজিবুল্লাহ বাহার, চট্টগ্রাম-৪ মো. ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৬ জসিমউদ্দিন সিকদার, চট্টগ্রাম-৭ কুতুব উদ্দিন বাহার, চট্টগ্রাম-৯ শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-১০ আবদুল্লাহ আল নোমান, চট্টগ্রাম-১১ আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মো. এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরোয়ার জামাল নিজাম, চট্টগ্রাম-১৬ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, কক্সবাজার-১ হাসিনা আহমেদ, কক্সবাজার-৩ লুৎফর রহমান, কক্সবাজার-৪ শাহজাহান চৌধুরী, খাগড়াছড়ি মো. শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, রাঙ্গামাটি মনি স্বপন দেওয়ান ও বান্দরবান সাচিং প্রু জেরি।