প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শীর্ষ তেল রফতানিকারক হয়ে ওঠার কৌশল নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

রাশিদ রিয়াজ : অল্পপরিমান হলেও চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে তেল রফতানি করলেও এই প্রথম শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ হয়ে ওঠার কৌশল গ্রহণ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ৭৫ বছর ধরে বিদেশি তেলের ওপর নির্ভর ছিল দেশটি। কিন্তু এখন ট্রাম্প প্রশাসন এ নির্ভরতা দ্রুত কমানোর নীতি গ্রহণ করায় জালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বিষয়টিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘জালানি স্বাধীনতা’ হিসেবে অভিহিত করছে। নিউজ ম্যাক্স

যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্র্যাটেজিক এনার্জি এন্ড ইকোনমিক রিসার্চের প্রেসিডেন্ট মিখায়েল লিঞ্চ বলেছেন, বিশ্বে এখন আমরা প্রভাবশালী জালানি শক্তির দেশ হয়ে উঠছি। এটা বিপ্লব না হলেও ওপেক’কে তেল উত্তোলন হ্রাসের আগে বিষয়টি চিন্তা করতে সাহায্য করবে। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তেল কোম্পানিগুলোতে রফতানির জন্যে ব্যাপক উৎপাদন বৃদ্ধির প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। টেক্সাসের পারমিয়ান অঞ্চল থেকে শুরু করলে নর্থ ডাকোটা, পেনসেলভানিয়ায় হাজার হাজার তেলক্ষেত্রে এখন সাজসাজ রব। একই সঙ্গে তেল আমদানি ব্যাপকভাবে হ্রাস করবে যুক্তরাষ্ট্র। রাশিয়া ও সৌদি আরব এতদিন বিশ্বে তেল উৎপাদন কিংবা উৎপাদন হ্রাসে মুখ্য ভূমিকা পালন করলেও সেখানে স্থান করে নিতে যুক্তরাষ্ট্র এখন মরিয়া।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র তেল রফতানি করেছে ২ লাখ ১১ হাজার ব্যারেল। অপরিশোধিত তেল ছাড়াও গ্যাসোলিন ও ডিজেল রফতানি করেছে দেশটি। এক্ষেত্রে দিনে গড় তেল আমদানি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ৩ লাখ ব্যারেল। ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন এ্যাডমিনেস্ট্রেশন বলছে ২০০৫ সালেও দিনে সর্বোচ্চ ১২ মিলিয়ন তেল আমদানি করতে হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রকে। আমেরিকান পেট্রোলিয়াম ইন্সটিটিউট বলছে ১৯৪৯ সাল থেকেই শীর্ষ তেল আমদানিকারক হিসেবেই পরিচিতি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। এখন পরিস্থিতি পাল্টাচ্ছে যা মধ্যপ্রাচ্যের অতি পুরতান ভূকৌশলগত রাজনীতিকেও পরিবর্তন করে ছাড়বে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত