Skip to main content

আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না : আফজাল হোসেন

অপু খান : আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন একটি বিধিবদ্ধ সাংবিধানিক সংস্থা। নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই নির্বাচন কমিশন দেখভাল করে। সেক্ষেত্রে রির্টানিং অফিসার যাদেরকে প্রার্থী হবার অযোগ্য মনে করেছেন তারা প্রাথমিকভাবে তাদের অযোগ্যের তালিকায় ফেলে দিয়েছেন। পরবর্তীতে যে আপিল করার সুযোগ সে সুযোগটি কিন্তু উন্মুক্ত ছিলো। এবং সে সুযোগ সবাই কাজে লাগিয়েছে। দেশ টিভিতে বৃহস্পতিবার রাতে ‘ভোটের লড়াই কথার লড়াই’ টক শোতে তিনি এ কথা বলেন। আফজাল হোসেন বলেন, বিএনপি বিশাল সংখ্যক মানুষকে নমিনেশন দিয়েছে। প্রতি আসনে যারাই মনোনয়ন চেয়েছে বলতে গেলে তাদেরই সাবমিট করতে বলেছে। তাদের মধ্য এক ধরনের সংশয় ছিলো। আমাদের কোনো প্রার্থী ঋণ খেলাপি বা অন্যে কোনো কারনে বাদ যেতে পারে এই কারনে তারা বেশী সংখ্যক প্রার্থী দিয়েছে। আওয়ামী লীগ কিন্তু প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে ঋণ খেলাপি বা অন্যান্য বিষয়ে সমস্যা আছে কি না তা দেখে মনোনয়ন দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তারাতো সব সময়ই একটা পরীক্ষার মধ্য থাকে। এখন পরীক্ষাটা তো বিএনপির কাছে দিচ্ছে না দেশবাসির কাছে দিচ্ছে সেটা একটা প্রশ্ন। কথার লড়াই ভোটের লড়াই চলতেই থাকবে। এর মধ্য আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর অবাধ নির্বাচন করার জন্য প্রত্যাশা করছি। সরকারের পক্ষ থেকে যতো রকম সহযোগিতা করার দরকার সরকার করে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন তার জায়গা থেকে সেটা করে যাচ্ছে। নিশ্চয়ই দেশবাসি সুখকর কিছু দেখার জন্য অপেক্ষা করছে। নির্বাচনী মনোনয়ন নিয়ে আমাদের মধ্য কোনো সংকট নেই। এরশাদ সাহেবের ৮৮ বছর বয়স হয়েছে সে এরকমই কথা বলবে। এ কথা বার্তা নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে না। তিনি জানান, মোশতাকের বাড়িতে কিন্তু কেউ ঢিল ছুড়তে পারেনি। আমরা কিন্তু প্রতিহিংসার রাজনীতি করিনা। দীর্ঘদিন পরে প্রচলিত আদালতে খুনিদের বিচার হয়েছে। আমরা কেউ কিন্তু আইনটা হাতে তুলে নেই নি। এবং এর জন্য দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিচারটি হয়েছে এটিই কিন্তু শেষ কথা। মোশতাক যদি বেচে থাকতো মোশতাকের ও কিন্তু বিচার হতো।