প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনকে ঘিরে পার্বত্য জেলায় সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে

হ্যাপি আক্তার : আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে পার্বত্য জেলায় নির্বাচনী আমেজ জমে ওঠার সাথে সাথে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দু’দলের প্রার্থীদের মধ্যে বাড়ছে সংঘাতের আশঙ্কা। পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধের পাশাপাশি অবৈধ অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় কিছুটা শঙ্কিত তারা। গত এক বছরে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের অভ্যন্তরীণ বিরোধে খুন হয়েছে ৪১ জন। সূত্র : সময় টেলিভিশন

পার্বত্য জেলায় ৬ হাজার ১১৬ বর্গ কিলোমিটারের এ জেলার একমাত্র সংসদীয় আসনে ভোটার ৪ লাখ ১৮ হাজার ২১৭ জন।
১০টি উপজেলা এবং ২টি পৌরসভার সমন্বয়ে গঠিত এ সংসদীয় আসনে বরাবরই আওয়ামী লীগের আধিপত্য থাকলেও দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে চমক দেখিয়েছে আঞ্চলিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি। কিন্তু পাহাড়ি দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে জেএসএস ভেঙে যেমন দু’টুকরো হয়েছে, তেমনি দু’ভাগে বিভক্ত হয়েছে ইউপিডিএফ।

এ অবস্থায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাহাড়ি সন্ত্রাসী গ্রুপগুলো আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাতে পারে বলে অভিযোগ আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি দু’দলেরই।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেন, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনাতো রয়েছেই। এখানে চাঁদাবাজির জন্য অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে, মানুষের বাক-স্বাধীনতা হরণ করার জন্য অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে।

রাঙামাটি জেলা বিএনপি’র সদস্য মনিস্বপন দেওয়ান বলেছেন, নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে তার দায়িত্ব পালন করলে কোনো অস্ত্রধারী এখানে কিছু করতে পারবে না।

রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগের তীর যথারীতি জেএসএসের দিকে। কিন্তু জেএসএসের অন্যতম এ শীর্ষ নেতা বলছেন ভিন্ন কথা। আশ্বস্ত করছেন নির্বাচনী কার্যক্রমে সন্ত্রাসীদের ব্যবহার না করার। এ সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনী লড়াইয়ে এখন পর্যন্ত টিকে রয়েছে ১০ জন প্রার্থী।

জেএসএস’র সহ-সভাপতি ঊষাতন তালুকদার বলেছেন, এখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে, তারাই আইনশৃঙ্খলার বিষয়টা দেখবেন। যেখানে আমার জয়লাভের সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে আমরা ঝামেলা করতে যাব কেন?

গত এক বছরে রাঙামাটিতে পাহাড়ি সন্ত্রাসীদের আধিপত্য বিস্তারের বিরোধকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছেন ৪০ এর বেশি মানুষ। তাই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে অবৈধ অস্ত্রধারী এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের।

৩ পার্বত্য জেলার আদিবাসী ফোরামের সভাপতি প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী যথেষ্ট তৎপর। তবে এজন্য জনগণের সহায়তাও লাগবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত