প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার: ইউএনডিপি

রবিন আকরাম : বাংলাদেশের মুক্তমত এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ তুলে ধরতে গিয়ে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বলেছেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী—মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা জনগণের নাগরিক অধিকার।’

সম্প্রতি অনলাইন নিউজ পোর্টাল সারাবাংলার সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।

মিয়া সেপ্পো বলেন, এই অধিকার বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত। সাম্প্রতিক সময়ের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে অনেক বিতর্ক হচ্ছে। এই আইন নিয়ে সংবাদকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন পরিষ্কারভাবে তাদের উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, আমার মনে হয়, সামনে জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার পর্যালোচনায় বোঝা যাবে, এই আইন মানবাধিকারের জন্য কতোটা উদ্বেগের, পর্যালোচনাতেই বেরিয়ে আসবে, এখানকার সংবাদমাধ্যম কতোটুকু স্বাধীনভাবে কাজ করছে।

স্বাধীন সংবাদমাধ্যম এবং সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব বোঝাতে গিয়ে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো বলেন, স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় না। একই সঙ্গে, সংবাদমাধ্যমকেও আরও দায়িত্ব নিয়ে, নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে এবং পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, সংবাদমাধ্যম যা প্রকাশ করছে এবং যে বিষয়ে গবেষণা বা কাজ করছে, সেখানেও যেন পেশাদারিত্বের পূর্ণ মান বজায় থাকে।

সম্প্রতিকালে সরকারের তরফে প্রণয়ন করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ সম্পর্কে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি বলেন, নির্বাচনের পর ইউপিআর (মানবাধিকার পরিস্থিতি) নিয়ে আগামী বৈঠকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা হবে। সরকার প্রতিজ্ঞা করেছে, এই আইনটি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা দেবে না। অবশ্যই নির্বাচনের সময় সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা অত্যন্ত জরুরি।

জেনেভায় গত মে মাসে অনুষ্ঠিত ইউপিআর-এর বৈঠকে বিচারবর্হিভূত হত্যা, গুম, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের কয়েকটি ধারা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বাংলাদেশকে সংশোধন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ