Skip to main content

ইভিএম ব্যবহার নিয়ে দুই মেরুতে রংপুরের রাজনীতিবিদরা

হ্যাপি আক্তার : রংপুর-৩ সদর আসনে প্রথমবারের মতো পুরো নির্বাচনী এলাকায় ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন-(ইভিএম) ব্যবহার হচ্ছে । কিন্তু ভোট চুরির জন্যই সরকার এর ব্যবহার করতে চায় বলে অভিযোগ বিরোধী পক্ষের। আর ভোট চুরি, ভুয়া ভোটার তৈরির সুযোগ নেই বলেই তারা বিরোধিতা করছে বলে অভিযোগ আরেক পক্ষের। সময় টিভি গত বছর ডিসেম্বরে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইভিএমের পরীক্ষামূলক ব্যবহার হয়েছিলো সরকারি বেগম রোকেয়া কলেজ কেন্দ্রে। অভিজ্ঞতার আলোকে ব্যবহারের পক্ষে সেই কেন্দ্রের ভোটাররা। তথ্য-প্রযুক্তি সচেতন তরুণদের সমর্থনও ইভিএমে। আবু সাঈদ আল সাগর নামের এক তরুণ বলেন, একটা ভোট দেয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটা ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড বন্ধ হয়ে থাকে। সুতরাং ইভিএমে কারও দ্বিতীয়বার ভোট দেয়ার সুযোগ থাকছে না। অন্যান্য সব বিষয়ের মতো এ নিয়েও বিপরীত মেরুতে অবস্থান দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক শিবিরে। রংপুর মহানগর বিএনপি’র সভাপতি মোজাফফর হোসেন বলেন, এটা যদি কোনো সভা-সমিতির নির্বাচন হলে পরীক্ষামূলকভাবে এর ব্যবহার হতে পারে। আমরা মনে করি জাতীয় সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ নির্বচনে ইভিএম গ্রহণযোগ্য নয়। রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের তথ্য-প্রযু্ক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার শাহাদত হোসেন বলেন, আমরা এখন ইভিএম’র কার্যক্রম শুরু করেছি। যুক্তরাষ্ট্রে যদি ১৯৬৪ সালে শুরু হয়ে থাকে তাহলে আমরা ৫২ বছর পর এই কার্যক্রম করছি। অনেক আগেই আমাদের এটা শুরু করা দরকার ছিল। এরইমধ্যে ইভিএম মেলাসহ মাঠ পর্যায়ে সচেতনতামূলক বেশকিছু কার্যক্রম চলছে জানিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সন্দেহ পুরোপুরি দূর করতে মগ ভোটিংসহ সব ব্যবস্থাই করা হবে। রংপুর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা এনামুল হাবিব বলেন, আমরা আশা করছি ১৭৫টি কেন্দ্রেই আমরা এটি বাস্তবায়ন করতে পারব। রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিএম সাহাতাব উদ্দিন বলেন, কী প্রক্রিয়ায় ভোটদান করা যায় এবং কী প্রক্রিয়ায় ফলাফল প্রকাশ করা হয় সেটা সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আশা করি স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এটা অনুষ্ঠিত হবে। ১৭৫টি ভোটকেন্দ্রের ৯০৬টি বুথে দেশের ইতিহাসে প্রথম ইভিএম-এ ভোট দিতে পারবেন এই সংসদীয় এলাকার চার লাখ ৪২ হাজার ১৪৯ জন ভোটার।