প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজধানীতে ভূগর্ভস্থ বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা চালু করতে ডিপিডিসি-এনার্জিট্রন চুক্তি স্বাক্ষর

শাহীন চৌধুরী: রাজধানী ঢাকার বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ভূগর্ভস্থ পদ্ধতিতে নিয়ে যেতে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) অস্ট্রেলিয়ান কোম্পানি এনার্জিট্রনের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যুৎ ভবনে অনুষ্ঠিত এ চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, ভূগর্ভস্থ লাইন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। সিস্টেম লস কমিয়ে রাষ্ট্র ও জনগণের উপকার করবে। ঝড়-বৃষ্টিতে বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যহত হবেনা। পাশাপাশি গ্রাহকের ভোগান্তি হ্রাস পাবে এবং শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি পাবে। তিনি বলেন, সরকার নির্ধারিত সময়ের পূর্বেই ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেবে। এখন ভালো মান সম্পন্ন ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌছে দেযার দাবি উঠবে। সেটাও সময় মতো সম্পন্ন করা হবে। সংশ্লিষ্টদের সময় মতো কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়ে এ ব্যাপারে তিনি বড় টিম নিয়োগ করার আহ্বান জানান।

ডিপিডিসির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত সচিব হাসনাত চৌধুরী ও অস্ট্রেলিয়ার এনার্জিট্রন কোম্পানির পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার ওয়াহিদুল ইসলাম। ডিপিডিসি’র পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শফিকউল্লাহ’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাধ্যে বিদ্যুৎ সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিডিবির চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ, ডিপিডিসির এমডি বিকাশ দেওয়ান প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন করতে বেশ কিছুদিন আগেই পদক্ষেপ গ্রহণ করে ডিপিডিসি। তারই অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহবান করা হয়। এতে মোট ১৬টি কোম্পানি অংশগ্রহণ করে। এরমধ্যে ৫টি কোম্পানি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিবেচিত হয়। তারমধ্যে আবার ৪টি প্রতিষ্ঠান আগ্রহপত্র প্রদান করে। ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সার্বিক বিবেচনায় মেসার্স এনার্জিট্রন আরএন্ডডি কেআইএস গ্রুপ অস্ট্রেলিয়া বিবেচিত হয়।

এই কাজের আওতায় ১৩২ কেভি, ১১ কেভি, ১১/০.৪ কেভি, এবং ০.৪ কেভি ওভারহেড বিতরণ ব্যবস্থাকে ভূগর্ভস্থ ব্যবস্থায় নিয়ে যেতে প্রয়োজনীয় সার্ভে, ফিজিবিলিটি স্টাডি, আন্ডারগ্রাউন্ড বিতরণ সিস্টেম ইত্যাদি কাজে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এজন্য ব্যয় হবে ২১ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। আগামী এক বছরের মধ্যে এ কাজ শেষ করতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ