প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একসপ্তাহে বিএনপির ২৭ প্রার্থীসহ গ্রেফতার দুই সহস্রাধিক

শিমুল মাহমুদ: বিএনপির অভিযোগ, নির্বাচন সামনে রেখে ৭ দিনে বিএনপির ২৭ প্রার্থীসহ দুই সহস্রাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
বলেন, দেশব্যাপী গ্রেফতারের মহোৎসব চলছে। গত ২৮ তারিখের পর থেকে গতকাল পর্যন্ত ২০০০ অধিক নেতাকর্মী বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতারের ঘটনা ঘটেছে। ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং প্রার্থী হয়ে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এধরণের ২৭ জন নেতা মিথ্যা মামলায় এখন কারাগারে আটক রয়েছে।

তিনি বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চাপিয়ে দেয়া শত শত মামলার বোঝায় নির্বাচনের মাঠ দূরে থাক, নিজের ঘরে পর্যন্ত থাকতে পারছে না ধানের শীষের প্রার্থীর নেতা-সমর্থকরা। নামে-বেনামে, গায়েবি মামলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বন্দীত্বের লাল দেয়ালের ভেতরে ঘিরে রাখা হয়েছে।

বিএনপির এ যুগ্ম মহাসচিব বলেন, মামলা আর পুলিশি হয়রানির কারণে নেতাকর্মীরা ঘর ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। এরপরও ক্ষান্ত হচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, পরিবারের অন্য সদস্যদের হয়রানি করা হচ্ছে। পুলিশি হেনস্তার ভয়ে বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থীরা আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্ভয়ে প্রচারণা চালাতে পারবেন কি না সে নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন তারা।

রিজভী বলেন, আমরা খবর পেয়েছি, আইন মন্ত্রণালয়ে জেলা দায়রা জজদের নিয়ে একটি সভা হয়েছে। সেখানে আইন সচিব নির্দেশ দিয়েছেন যে, নির্বাচনের পূর্বে তারা যেনো বিএনপি’র কাউকে জামিন না দেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে গ্রেফতার বাড়াতে মনিটরিং সেলও খোলা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের বদলে আসন্ন নির্বাচন আবর্জনাময় হয়ে উঠতে পারে।

বিএনপির এ মুখপাত্র বলেন, আওয়ামী লীগের অবৈধ মন্ত্রী লোটাস কামালের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তিনি শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির ভয়াবহ পরিকল্পনা ফাঁস করেছেন। প্রকাশ্যে বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীদের এলাকা ছাড়া করার হুমকি দিয়ে শেয়ার বাজার ও ব্যাংক লুটেরাদের অন্যতম আ হ ম মোস্তফা কামাল ওরফে লোটাস কামাল বলছেন-‘একটা একটা করে খুঁজবেন, ২৮ তারিখের আগে যদি এলাকা ছেড়ে না যায় তা হলে আর ছাড় নাই। তাদের চৌদ্দগুষ্টি পর্যন্ত উৎখাত করবো’।

তিনি বলেন, আমি লোটাস কামালদের বলতে চাই-এইসব হুমকি ধামকী ভয়ভীতি দেখিয়ে এবার আর লাভ হবে না। যখন জনগণ ভোটের মাঠে নেমে আসবে তখন কোন ফন্দি কাজে দিবে না। কাঁচের মতো সব কিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাবে। অপেক্ষা করুন, যারা দুঃশাসনের বিরোধী সেই জনগণের বিজয়ের দিন খুবই নিকটবর্তী।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ