প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সুজনের ৯ দফা ইশতেহার

আহমেদ জাফর: নিবার্চনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল গুলোকে সুশাসন নাগরিক প্রতিষ্ঠা করার জন্য ৯ দফা ইশতেহার পেশ করেছে সুজন। এই নয় দফা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে প্রস্তাব করা হবে জানিয়েছেন সুজনের নেতারা। বৃহস্পতিবার ( ৬ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ২য় তলায় ভিআইপি লাউঞ্জে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে “নিবাচনী ইশতেহার নাগরিক ভাবনা” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তারা এ ইশতেহার পেশ করেন।

বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার প্রার্থীরা পেশ করেন তা নির্বাচনের পরে তারা ভুলে যায়। পরে ইশতেহার হারিয়ে ফেলে। আমি চাই এবারের নির্বাচনী ইশতেহারের সঙ্গে আগের ইতিহাস যুক্ত করা হোক। এতে জনগণ দেখতে পারে আগের ইশতেহার কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ থেকে তাদের কর্মকাণ্ডের প্রচারণা চালানো হচ্ছে এটা দেখে এমন মনে হচ্ছে যে জনসংযোগ কর্মকর্তা সরকারের লোকজন। ইশতেহার সংবিধানের ৪টি মূলনীতি অনুযায়ী হয়, সংবিধানে ইশতেহারের মাদক, চোরাচালান, নারীসহ অনেক বিষয় নেই। যা রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ইশতেহারের যুক্ত করতে পারে।

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের এই নির্বাচনী ইশতেহার ও নাগরিক প্রত্যাশা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে তুলে ধরা হবে যাতে তারা তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এই বিষয় গুলো অন্তর্ভুক্ত করেন।

সুজনের ৯ দফা হল:

১, দলের ইতিহাস দলের আদর্শ অর্জন ও ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক দলের ইতিহাস আদর্শ ও অর্জন বিষয়ক।

২, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ও স্থানীয় সরকার বিষয়ক।

৩, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

৪, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বৈষম্য নিরসন, সামাজিক সম্প্রীতি, নারী ক্ষমতায়ন ও জেন্ডার সমতাসহ তরুণদের জন্য সুযোগ তৈরি ও তাদের ক্ষমতায়ন নিয়ে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ক।

৫, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, পরিকল্পিত নগরায়ন, পানিসম্পদ সামুদ্রিক প্রাণী বন ও খনিজসম্পদ রক্ষা নিয়ে পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক।

৬, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর ও শক্তিশালী করা।

৭, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ করা গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের স্বাধীনতা নিয়ে মৌলিক অধিকার ও মানবাধিকার বিষয়ক।

৮, যুদ্ধপরাধীদের বিচার কাজ সম্পন্ন করা জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণসহ এসব বিষয়ে বিশেষ অগ্রাধিকার রাখা।

৯, এছাড়া নির্বাচনের ইশতেহার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বলা হয় যে কোন রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় এসে প্রথম একশ দিনে কী কাজ করবে তার কর্ম পরিকল্পনা পেশ করা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ