Skip to main content

বিএনপির মেন্টালিটিই ছিলো নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করা : আমিনুল ইসলাম

মারুফুল আলম : আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন বলেছেন, বিএনপির মেন্টালিটিই ছিলো টোটাল নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করা। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনকে নিয়ে বিএনপি বা ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই ব্যাপক নেতিবাচক প্রচারণা ছিলো। মঙ্গলবার চ্যানেল ২৪ মুক্তবাক অনুষ্ঠানে আলোচনাকালে তিনি আরো বলেন, স্থানীয় সরকার প্রধান, পৌরসভা মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান এরা নির্বাচন করতে পারবে না এসব জানা থাকা সত্ত্বেও তারা প্রপারলি পদত্যাগ না করে নমিনেশন পেপার সাবমিট করেছে। তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলামের দুইরকম সিগনেচারও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করারই একটি অংশ। মির্জা ফখরুল ইসলামের সিগনেচারগুলো লক্ষ্য করলে দেখবেন, এক জায়গায় উনি লিখেছেন ‘মির্জা আলমগীর, আর এক জায়গায় লিখেছেন শুধু মির্জা। দুটোর মধ্যে কোনো মিল নেই।’ এসব বিএনপির পক্ষ থেকে নির্বাচন-প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই করা হয়েছে। একইভাবে তারেক জিয়ার ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গটিও। তারেক জিয়ার ভিডিও কনফারেন্স প্রসঙ্গটি আলোচনায় আসার পরও তিনি কর্মীদের সঙ্গে টেলিফোন বা অন্যকোন পন্থায় যোগাযোগ করেননি, বরং একইভাবে ভিডিও কনফারেন্সে সাক্ষাৎকার অব্যাহত রেখেছেন। এসব তারা পূর্ব-পরিকল্পনা অনুযায়ীই করেছেন। তিনি আরো বলেন, বিএনপি নেতারা যখন ৩০০ আসনে ৮ শতাধিক প্রার্থী ঘোষণা করেছে, তখনই তারা বলেছেন যে, আমাদের কিছু প্রার্থী বাতিল হতে পারে। তার মানে, বিএনপি আগে থেকেই জানতো, তাদের এসব প্রার্থীতা থাকবে না। নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ প্রমাণ করার জন্য কি তাদের অনিয়মগুলোকে বৈধ বলতে হবে? আমিনুল ইসলাম আরো বলেন, বিএনপি কখনো এ কথা বলে না যে, তাদের অবজেকশনের প্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রীর পরপর দুইটি প্রোগ্রাম নির্বাচন কমিশন বাতিল করেছিলো। ২০০৮ সালে কক্সবাজারে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোস্তাক আহমদের ব্যংক-ঋণ পরিশোধ করার পরও এবং ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থী কানিজ ফাতেমার ১২০ টাকার পানির বিল বকেয়া ছিলো বলে ওনাদের প্রার্থীতা বাতিল হয়েছিলো। এসব বিএনপি দেখে না, বলেও না।