প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই

প্রভাষ আমিন : স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে রমনা-তেজগাঁও আসন থেকে শেখ হাসিনাকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিলেন মেজর (অব.) মান্নান। শেখ হাসিনাকে হারানোর পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রিত্ব। সময় ঘুরে গেছে। মেজর (অব.) মান্নান বিএনপি ছেড়ে বিকল্পধারায় যোগ দিয়েছেন। তিনি এখন বিকল্পধারার মহাসচিব। স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে জোট করবেন না বলে মাহি বি চৌধুরী সরকার পক্ষের মহাজোটে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু তাদের দলের মহাসচিবের বিরুদ্ধেই রয়েছে একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার গুরুতর অভিযোগ।

একাত্তরের ২৭ মার্চ জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেছিলেন। আর সেই কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র উড়িয়ে দেয়ার অপারেশনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মেজর মান্নান। সেই মান্নান জিয়াউর রহমানের দলের এমপি-মন্ত্রী হয়েছিলেন। রাজনীতিতে আসলে শেষ কথা বলে কিছু নেই। সেই মান্নান এখন আওয়ামী লীগের মহাজোটে। যেই মান্নান একসময় শেখ হাসিনাকে হারিয়ে ছিলেন, সেই মান্নানই এখন শেখ হাসিনার স্বাক্ষরে নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন। ঋণখেলাপী হলেও তার মনোনয়ন বৈধ হয়ে যায়। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।

লক্ষীপুর-৪ আসনে মহাজোটের সম্ভাব্য প্রার্থী মেজর (অব.) মান্নান। তার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। তিনি লড়বেন ধানের শীষ প্রতীকে। অথচ এই আ স ম রব ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার ঐকমত্যের সরকারের মন্ত্রী। দুই প্রার্থীই পল্টিবাজ। রাজনীতিতে আসলেই শেষ কথা বলে কিছু নেই।

২. ভিকারুননিসা নুন স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রীর আত্মহত্যায় তোলপাড় দেশজুড়ে। দেশ সেরা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি এখন অচল, ক্লাশ-পরীক্ষা বন্ধ। প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে। ফলাফলে যতই সেরা হোক, ভিকারুননিসা যে মানে সেরা নয়; তা এখন প্রমাণিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত নেই। ভয়ঙ্কর সব অভিযোগ। অরিত্রীর জীবনের বিরিময়ে হলেও শুদ্ধ হোক ভিকারুননিসা স্কুল।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ