Skip to main content

১০ বছরে নবজাতক মৃত্যু কমেছে ১৮ ভাগ

তরিকুল ইসলাম সুমন : বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের গত দশ বছরে নবজাতক মৃত্যু কমেছে ১৮ ভাগ। ২০০৮ সালে এ হার ছিল ৪১ ভাগ। চলতি বছর এ হার ২৩ এ নেমে এসেছে। সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপের কারণে এ অবস্থায় এসেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়েরর সচিব (স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ) মো. আসাদুল ইসলাম। বুধবার সচিবালয়ে ‘সাফল্যের জোয়ারে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য: বিশ্বের বিস্ময়’ শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ১০ বছরের সাফল্যের অংশ হিসেবে এ তথ্য তুলে ধরেন তিনি। স্বাস্থ্য সচিব অগ্রগতি সম্পর্কে জানান, মানুষের গড় আয়ু ৬৬ দশমিক ৫ থেকে ৭২ দশমিক ৮ এ উন্নিত হয়েছে। প্রতি লাখে মাতৃ মৃত্যু ৩২০ থেকে কমে ১৭৬ জনে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ হয়েছে, মহিলা প্রতি গড় সন্তান ধারণ ২দশমিক ৭ জন থেকে কমে ২দশমিক শুন্য ৫ হয়েছে, পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণের হার ৫৫দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৬২দশমিক ৪ শতাংশে উন্নত হয়েছে। ২০০০ সালে বন্ধ করে দেওয়া কমিউনিটি ক্লিনিক ১৩ হাজার ৭৭৯ টি চালু করা, ৫৯টি ছোটবড় হাসপাতাল চালু করা হয়েছে। এছাড়াও ১১২টি হাসপাতালের সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। দেশে ফুড সেফটি ল্যাব স্থাপন, ২২ টি জেলায় ৪২১টি মডেল ফার্মেসি চালু করা, ৩টি মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয় স্থাপন, ২৪টি সরকারি মেডিকেল কলেজ চালু করার পাশপাশি ১ হাজার ৫৪৪ টি আসন বৃদ্ধি, শেখ হাসিনা হেলথ কার্ডের প্রচলন, ১৫ হাজার ৫৯৬ জন চিকিৎসক এবং ১৫ হাজার নার্স নিয়োগ করা হয়েছে। য²া, পোলিও, ধনুষ্টাংকার এবং কুষ্ট রোগ নির্মূল করা হয়েছে। কৃমি সংক্রমন (৫-১৬ বছর) ৭৯ থেকে ৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে, পেডিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম নামে আলাদা ইনস্টিটিউট, ২০১০ সালে এমডিজি ৪ পুরস্কার অর্জন, ২০১১ সালে ডিজিটাল হেলথ পর ডিজিটাল ডেভেলপমেন্ট পুরস্কারসহ ১৪টি আন্তর্জাতিক পুরস্কার গ্রহণ, সর্ববৃহৎ বার্ন ইনস্টিটিউট করা হয়েছে। বাজেট ২০০৮ সালের তুলনায় ৭ গুন বৃদ্ধি পেয়ে ২৩ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকায় উন্নিত করা হয়েছে বলেও জানান। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।