প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একে অপরকে ঘায়েল করার জন্যই যেন আইন করা হয়েছে : মোবাশ্বের হোসেন

মারুফুল আলম : স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেছেন, ইলেকশন কমিশনের হাতে সর্বময় ক্ষমতা আর নির্বাচনটা করে জনপ্রতিনিধিরা। আমরা জানি, জনপ্রতিনিধিরা ভুলবশত বা ইচ্ছাকৃতভাবে কোটি কোটি টাকা লেনদেন করে থাকেন। লেনদেনে ছোটখাটো ত্রুটি থাকা স্বাভাবিক। এজন্য প্রার্থীতা বাতিল হতে পারে না। মনে হয় যেন একজন আরেকজনকে ঘায়েল করার  জন্যই আইনগুলো করা হয়েছে।

মঙ্গলবার টিভি-চ্যানেল নিউজ ২৪ টক’শোতে তিনি আরো বলেন, যদি প্রত্যেক প্রার্থীর আগের ও বর্তমানের সবরকম স্টেটমেন্ট দেখি, তাহলে দেখবো, একসময় কেউ গরীব ছিলো এখন বড়লোক অথবা কেউ ছিলো বড়লোক এখন খুবই গরীব। তথ্যগুলো তো আইনের ফাঁকফোকর দিয়েই বেরিয়েছে।

তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনই যদি লক্ষ্য হয় একজন মাল্টিমিলিওনিয়ারের দুইশ’ টাকা বিল বকেয়া কে বড় ভুল হিসেবে না দেখার ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের থাকা উচিত। প্রধানমন্ত্রীর বাসার সব রকম বিল তো প্রধানমন্ত্রী নিজে পরিশোধ করেন না। বিল পরিশোধ করার জন্য যাকে টাকা দেয়া হয়েছে সে পরিশোধ নাও করতে পারে। এরকম হলে প্রধানমন্ত্রীর কী অবস্থা হবে? বিএনপির মহাসচিবের নাকি সিগনেচার মেলে না। এধরনের কাজগুলো দেখলে মনে ঐ প্রশ্নটি ঘুরেফিরে আসে যে, আওয়ামী লীগ সরকার এর কিছু কর্মকর্তা কি চাচ্ছে, মানুষের মধ্যে আওয়ামী লীগ-বিরোধী মনোভাব তৈরি হোক? যেহেতু আমি আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট করি তাই বলছি, আমার ভেতরে কিন্তু ঠিক এই মনোভাবটি জাগ্রত হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, যদি আমরা সুন্দরভাবে নির্বাচন করতে চাই, যদি আমরা মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাই দেশের জন্য একজন উপযুক্ত প্রার্থীকে নিয়ে আসতে চাই, তাহলে ‘দুইআনা শোধ করেনাই’ এমন আইন দিয়ে একজন প্রার্থীকে আটকানোর চিন্তা-ভাবনা কেন করবো। তাহলে তো রাজউকের ভাষায় বলতে হয়, কোয়ালিফাইড, এপ্রুভড, রেজিস্টারড আর্কিটেক্ট ছাড়া ডিজাইনের কোন প্ল্যান পাশ করা হবে না।

অর্থাৎ ইলেকশন কমিশনকে প্রথমেই লিখে দিতে হবে যে, এই লিস্টেড কনসালটেন্টের মাধ্যমে নমিনেশন পেপার তৈরিপূর্বক সাবমিট করতে হবে, অন্যথায় গ্রহণযোগ্য হবে না। আর আইন যদি এমন শক্তই হয় তাহলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা আনা দরকার ছিলো কোয়ালিফাইড আর্মিদের দিয়ে। ইডিয়েট ননসেন্স মুর্খ মানুষগুলো মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়ে দেশকে কেন স্বাধীন করলো এটার উত্তর আমাকে দিতে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ