Skip to main content

প্রত্যাশা-প্রাপ্তির বৈষম্য থাকলেও সুষ্ঠু নির্বাচন চান ভোটাররা

সাজিয়া আক্তার : আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব মিলিয়ে এবার প্রায় সাড়ে দশ কোটি ভোটার। অনেকের মতো নিম্নআয়ের ভোটারদেরও প্রত্যাশা আসন্ন নির্বাচন হোক সুষ্ঠু ও সহিংসতামুক্ত। সৎ ও যোগ্য প্রার্থীয়েই জয়ী হোক এটাই তাদের একমাত্র চাওয়া। একইসাথে আগামী সরকারের কাছে তাদের চাওয়া নিম্নবিত্তদের জীবনমান যেন উন্নত হয়। সূত্র : চ্যানেল ২৪ সারা বছর খোঁজ না নিলেও নির্বাচন এলে প্রার্থীদের কাছে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন নিম্ন আয়ের মানুষরা। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির ফারাক থাকলেও তাদেরও চাওয়া সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। ক্ষমতায় যেই আসুক, দেশের মানুষ ভালো থাকুক। নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য গড়ে তুলুক মানসম্মত জীবনব্যবস্থা। নিম্ন আয়ের মানুষরা বলেছেন, যেই সরকার কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে আমরা সেই সরকারকেই চাই। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা শুধু সমাজের বৃত্তবান ও সচেতন মানুষের তা নয়, এই চাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষদেরও। সমাজতাত্ত্বিক ও গবেষকরা বলছেন, এই প্রত্যাশাকে উপক্ষে করার কোনো সুযোগ নেই। এইসাথে এই মানুষগুলোকে মূল ধারার অর্থনীতিক হিসেবে উন্নয়নকে করা যায় অন্তর্ভুক্তিমুলক, উন্নয়নের স্পষ্ট দিশা থাকতে হবে রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে। সমাজতাত্ত্বিক ও গবেষক খন্দকার সাখাওয়াত আলী বলেছেন, গ্রাম এবং শহরে যে নিম্ন আয়ের মানুষ আছে তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। বিশেষ করে শহরকেন্দ্রিক দরিদ্র মানুষগুলো তাদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি দরকার। গেলো কয়েক বছরে অর্থনীতির চাকা যেভাবে ঘুরেছে, তাতে দারিদ্র্যের হার কমলেও আয় বেড়েছে ধনীদেরই। ফলে প্রকট হচ্ছে বৈষম্য। আগামী সরকারের কাছে এ সমাজ তাত্ত্বিকের প্রত্যাশা-এ সমস্যা দূর করতে আন্তরিক হবে তারা।