প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যক্ষ্মা আড়াল করলে ফৌজদারি মামলা

রাশিদ রিয়াজ : ভারতে সরকারি তালিকায় টিবি রোগীর নাম না তুললে এ বার স্বাস্থ্যভবনের শাস্তির খাঁড়া নেমে আসতে পারে বেসরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের উপর। কেন্দ্র্রীয় সরকারের নির্দেশ মেনে ফৌজদারি মামলা করারও ভাবনাচিন্তা চালাচ্ছেন স্বাস্থ্য দপ্তরের যক্ষ্মা প্রতিরোধ বিভাগের কর্তারা। স্টেট টিবি অফিসার ব্রজকিশোর সাহার সাফ কথা, ‘বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের থেকে চেয়েও তথ্য মিলছে না। তাই কড়া পদক্ষেপের কথা ভাবছি আমরা। কেন্দ্রীয় বিজ্ঞপ্তি মেনে ফৌজদারি মামলাও করা হতে পারে।’

যক্ষ্মার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে ২০১২ সালেই এই রোগকে ‘ ‘নোটিফায়েবল’ ঘোষণা করে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এর উদ্দেশ্য, রোগীদের চিহ্নিত করে তাদের নিয়মিত ওষুধ খাওয়া নিশ্চিত করা এবং কোথায় কত যক্ষ্মা রোগী রয়েছেন, সেটা জেনে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের যক্ষ্মা প্রতিরোধ বিভাগের এক কর্তার কথায়, ‘সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলি আইন মেনেই যক্ষ্মা রোগী নথিভুক্ত করে। কিন্তু বেগ পেতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নিয়ে।’

ঘটনা হল, সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও বেসরকারি হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের ক্লিনিকেও যক্ষ্মা রোগীরা যান। ন্যূনতম টানা ছ’মাস রোগীকে ওষুধ খেতে হয় যক্ষ্মা-মুক্তির জন্য (ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট টিবির ক্ষেত্রে সময়টা বেশি)। দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারেন না বা চান না অনেক রোগীই। ছেদ পড়ে চিকিৎসায়। ফের যক্ষ্মা হলে সারতে সময় লাগে ঢের বেশি বা সারেই না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ