প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

চলনবিলের হামকুিড়য়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষের ভরসা বাঁশের সাঁকো

জাকির আকন, চলনবিল : চলনবিলের বুক চিরে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল ও নাটোরের বন-পাড়া পর্যন্ত নির্মিত ৫৫ কিঃমিটার মহাসড়কের তাড়াশ উপজেলার উপজেলার অংশে হামকুড়িয়া গ্রামের মানুষের পারাপারের ভরসা ঝুকিপূর্ণ দীর্ঘ বাঁশের শাকোঁ। প্রায় ১০হাজারের লোকের বসবাসের বৃহত্তর এই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহা-সড়ক সংলগ্ন নির্মিত ওই বাশের শাকোঁ দিয়ে যাতায়াত করেন। স্থানীয়দের চলাচলের সুবিধার্থে একটি সেতু নির্মাণের দাবি বহুদিনের। কিন্তু সেই কাংখিত সেতু নির্মাণ না হওয়ায় গ্রাম থেকে পারাপার তাদের এখন ভরসা একটি দূর্বল বাঁশের সাঁকো ।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহা-সড়ক সংলগ্ন ওই বাঁশের তৈরী সাঁকোর অবস্থান। হামকুড়িয়া গ্রামের বসতি কয়েক হাজার মানুষের বছরের ১২টি মাস পারাপার হতে হয় বাঁশের সাঁকোতে। সাকোঁ দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ গৃহস্থলির পোষা গবাদী পশু। অনেক সময় শাকোঁ ভেঙ্গে দূর্ঘটনার মত ঘটনাও ঘটে যায়। এলাকাবাসীর বহু দিনের আখাংক্ষিত একটি ব্রিজ নির্মাণের দাবি উপেক্ষিত রয়েই গেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, হামকুড়িয়া গ্রাম ছাড়াও এখানে রয়েছে ১টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি দাখিল মাদ্রাসা সহ আরো আছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। হামকুড়িয়া গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ ওই বাঁশের শাকোঁর ওপর প্রত্যক্ষ ভাবে নির্ভশীল। ওই শাকোঁ পার হয়ে মানুষ এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাসের গ্রামের মানুষের উপজেলা ও জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকার সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারী মাধ্যমও এটি। তাছাড়া শস্য ভান্ডার চলনবিলে উৎপাদিত ইরি-বোরো ও রবিশষ্য পারাপার হয় এ সাকোঁ দিয়ে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মানুষের উদ্যেগে তাদেরই অর্থায়নে হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়কের এপার ওপার জুড়ে বাঁশের সাকোঁটি নিমার্ণ করা হয়েছে। ফসলাদী নিয়ে মানুষ ঝুঁকি নিয়েই পারাপার হচ্ছেন।

হামকুড়িয়া গ্রামের বাসিন্ধা প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম, কলেজ শিক্ষক গোলাম কিবরিয়া বলেন, হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়ক থেকে হামকুড়িয়া গ্রামে পারাপারের জন্য ব্রীজ না থাকায় ওই গ্রামের বাসিন্দারা চরম বিপাকে আছেন। প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে পাড় হয়ে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল-কলেজে যাতায়াত করে। বাঁশের সেতু পাড়পাড়ের সময় কথা হয় হামকুড়িয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, মাসুদ রানা, মারিয়া, ছোনিয়া, বিথি ও রুবেলের সাথে।

তারা জানায়, বাঁশের সাকোঁ পার হতে ভয় লাগে। তবুও বিদ্যালয়ে যাওয়ার জন্য ঝুঁকি নিয়েই পার হতে হয়। এলাকাবাসীর প্রানের দাবী হাটিকুমরুল বন-পাড়া মহাসড়ক থেকে হামকুড়িয়া গ্রামে পারাপারের জন্য একটি ব্রীজ নির্মান করা।স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম বুলবুল বলেন বাশেঁর নির্মিত সেতুটি দিয়ে এলাকাবাসির চলাচল খুবই কষ্ট করতে হয় কিন্তু সেতু নির্মানের জন্য এল,জি,ই,ডির কাছে আবেদন করেছে কিন্তু হচ্ছে না ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ