প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অপার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশে : নাঈমুল ইসলাম খান

মারুফুল আলম : আমাদের নতুন সময় এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, দ্বিধাপতত্ত্বে যাচ্ছে দেশ। প্রথম ধাপে অনেকে যেটা আকাঙ্খা করেন, সেটা অর্জন করা সম্ভব হবে না। ভোটের ফলাফলের মধ্য দিয়েই তা শেষ হয়ে যাবে। দ্বিতীয় ধাপে বাংলাদেশে একটি অপার সম্ভাবনা তৈরি হবে। মঙ্গলবার এটিএন নিউজ এর টক’শোতে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে আমরা যে ধরণের রাজনৈতিক অগ্রগতিগুলো চাচ্ছি নানা ঐতিহাসিক কারণে দ্বিতীয় ধাপে তার অনেকগুলো সংশোধনের ক্ষেত্র তৈরি হবে এই নির্বাচনের কারণে।

বিএনপির জন্য এবারের নির্বাচন অনেক কারণে চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার জন্য সবরকম কৌশল গ্রহণ করবে। যেমন বলা যায়, চরমোনাই পীরের দলকে তো আর ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোচ্চ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করানো হচ্ছে না। এটা করা হচ্ছে বিএনপির ভোট কাটানোর কৌশল হিসেবে। জাপা’কেও হয়তো ২০০ আসনে রেখে দেওয়া হবে শুধু বিএনপির ভোট কাটানোর জন্য। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে পৃথিবীব্যাপী এ ধরণের কৌশল নেওয়া হয়। খেলার মাঠে খেলোয়াড়রা নেয়, ভোটের মাঠে রাজনীতিবিদরা নেয়। এটা খুবই স্বাভাবিক।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, প্রার্থী নিয়ে প্রস্তুতি বিএনপিরই বেশি থাকার কথা ছিলো। তাদের তো আর সরকার চালাতে হয়নি। ক্যান্ডিডেট নিয়ে প্রস্তুতি তাদের জন্য খুব সহজ ছিলো। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে যখন নেগোশিয়েট করছে তখনই তাদের প্রার্থীতা নিয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত থেকে যাওয়ার কথা। এই সময়ে আদর্শ বা নীতি-নৈতিকতা যে ৩০ তারিখ পর্যন্ত লকারে বা ডিপফ্রিজে থাকবে, এটা বিএনপির না জানার কথা না। একটা কথা আবারো উল্লেখ করতে চাই যে, গত এক বছর যাবৎ কৌশলের দিক থেকে আমি বিএনপির ভুল-ভ্রান্তি দেখি না। কিন্তু প্রস্তুতিতে এসে প্রথম টের পাচ্ছি, বিএনপির মধ্যে ভালো দুর্বলতা রয়ে গেছে।

নাঈমুল ইসলাম খান আরো বলেন, রাজনীতির ইতিহাস বলে, রাজনৈতিক নেতা জেলে থাকলে দলের পরিকল্পনা সবচেয়ে ভালো হয়। যে রাজনৈতিক নেতা পলাতক, সে তো পুরো সময়ই ব্যয় করতে পারে পরিকল্পনার জন্য। পরিকল্পনা সবচেয়ে বেশি হওয়া উচিত ছিলো বিএনপির। আওয়ামী লীগের নেতারা দেশ চালাচ্ছেন। প্রতিদিন তাদের নানারকম ঝামেলা বা ক্রিটিসিজম হ্যান্ডেল করতে হচ্ছে, এক্ষেত্রে বিরোধীদলের তো ক্রিটিসিজমও নেই।

কোন্দল এবং ব্যালট স্টাফিং এর মতো ঘটনাও এই নির্বাচনে ঘটতে পারে এরকম আশংকা থেকে তিনি বলেন, কোন্দল থেকে বিরোধ, বিরোধ থেকে সংঘাত-সহিংসতার মতো বৈশিষ্ট্যগুলো এই নির্বাচনে থাকবে। এটার আরেকটি প্রতিফলন হতে পারে, যে যেখানে শক্তিশালী বা যার পটেনশিয়াল যেখানে বেশি সেখানে ব্যালট স্টাফিং হবে, যেটাকে আমরা পপুলার রিগিং বলি। এরকমই যদি হয়, বলা যায় যে, নির্বাচনের পর কিন্তু ভালো একটা উদ্যোগ এ দেশে হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ