Skip to main content

ইমার্জিং কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যকে পাকিস্তানে স্বপ্ন যাত্রা সোহানদের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইমার্জিং এশিয়া কাপের দ্বিতীয় আসর খেলতে সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের করাচি গিয়েছে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-২৩ দল। টুর্নামেন্টের নিয়মানুযায়ী প্রতি দলে ২৩ বছরের বেশি ৪ জন খেলতে পারবেন। দেশ ছাড়ার আগে দলের অধিনায়ক কাজী নুরুল হাসান ও ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট- দুজনই জানিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্যের কথা। অনূর্ধ্ব-২৩ দল নিয়ে এসিসি প্রথম ইমার্জিং এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশে। গত বছর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয় এই টুর্নামেন্ট। এবার ইমার্জিং এশিয়া কাপের আয়োজক দুই দেশ। পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ খেলবে বি গ্রুপে- পাকিস্তান, হংকং এবং আরব আমিরাতের বিপক্ষে। পাকিস্তান আয়োজন করবে ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচগুলো। ডিসেম্বরের ৫ থেকে ১৫ তারিখ পর্যন্ত পাকিস্তারের করাচিতে অনুষ্ঠিত হবে স্বাগতিকদের সঙ্গে হংকং, আরব আমিরাত এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো। ৬ তারিখ আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর হংকয়ের বিপক্ষে ৭ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে ৯ তারিখ হবে গ্রুপের শেষ। সবকয়টি ম্যাচই হবে করাচি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এই টুর্নামেন্ট উপলক্ষে ঘোষিত ১৫ সদস্যের স্কোয়াডে অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে খেলা উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহানকে। এছাড়া দলের কোচের দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক বোলিং কোচ চম্পকা রামানায়েকে। সহকারী কোচ হিসেবে থাকবেন দেশের ওয়ানডে ইতিহাসে প্রথম চার উইকেট শিকারী সাইফুল ইসলাম। এ দলের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাসুদ পাইলট। দলের ম্যানেজার খালেদ মাসুদ পাইলট পাকিস্তানে সাফল্য পেতে আশাবাদী। সোমবার দেশ ছাড়ার আগে সংবাদ মাধ্যমে তিনি বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে ভালো পারফর্ম করা খেলোয়াড়দের নিয়ে দল গড়া হয়েছে। আমাদের দলটি সব দিক দিয়ে ভারসাম্যপূর্ণ। টুর্নামেন্টে ভালো করার সামর্থ্য আছে আমাদের।’ বাইরে অনেক কথা শোনা গেলেও পাকিস্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন নন পাইলট। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তান সরকার আমাদের সুদৃঢ় নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়া সেখানে আমাদের সঙ্গে বিসিবির নিরাপত্তা বিষয়ক অভিজ্ঞ ব্যক্তিরাও থাকবেন।’ ম্যানেজার সরাসরি না বললেও দলের অধিনায়ক সোহানের চোখ শিরোপা জয়ের দিকেই। তিনি বলেন, ‘আশা করি, আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে পারব। আমাদের দলে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার আছে। সবাই প্রত্যাশা মতো পারফর্ম করতে পারলে সাফল্য আসবেই।’ ইমার্জিং এশিয়া কাপে বাংলাদেশ দল কাজী নুরুল হাসান সোহান (অধিনায়ক), মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত (সহ-অধিনায়ক), নাজমুল হোসেন শান্ত, মিজানুর রহমান, শফিউল ইসলাম, জাকির হাসান, সাঈফ হাসান, ইয়াসির আলি চৌধুরী, তানভির ইসলাম, আফিফ হোসেন ধ্রুব, নাঈম হাসান, শরিফুল ইসলাম, কাজী অনিক ইসলাম, সৈয়দ খালেদ আহমেদ এবং মোহর শেখ।