প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বুুড়িগঙ্গা দখল: দ্রুত উচ্ছেদের সুপারিশ করছে নদীরক্ষা কমিশন

তরিকুল সুমন: ঢাকা সদরঘাট নৌ বন্দরের অপরপারে কেরানীগঞ্জের মিরেরবাগ ও কালিগঞ্জে বুড়িগঙ্গা নদী দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে ৩২টি ডকইয়ার্ড। এসব ডকইয়ার্ডের কোনো সরকারি অনুমোদন নেই। বুুড়িগঙ্গার জায়গা দখল করে এসব ডকইয়ার্ড গড়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের সদস্য (সার্বক্ষনিক) মো. আলাউদ্দিন।

তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা সরেজমিন এবং ভূমি অফিসের সকল রেকর্ডপত্র যাচাই করে দেখেছি। সিএস খতিয়ানে এসব জমির কোনো হিসাব নেই। এ করণে এগুলো সবই নদীর জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে মালিকদের ডেকে শুনানিও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে ডকইয়ার্ড মালিকদের কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখা হয়েছে (সিএস, দিয়ারা, আরএস এবং সিএস) জরিপে নদীর অবস্থান দেখা হয়েছে। প্রায় সবগুলোই নদী দখল করে এ কার্যক্রম পরিচালনার তথ্য পেয়েছি আমরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাতীয় নদীরক্ষা কমিশনের প্রতিবেদন চুড়ান্ত করা হয়েছে। এখন একটি সভা করে এর সার্বিক দিক পর্যালোচনা শেষে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যেই নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হবে। প্রতিবেদনে অধিকাংশ ডকইয়ার্ড উচ্ছেদ করে বুুড়িগঙ্গা নদী পূনরুদ্ধারের কথা বলা হয়েছে।

ডকইয়ার্র্ডগুলো হলো-কেরানীগঞ্জ মিরেরবাগের নজরুল ইসলাম ডকইয়ার্ড, আজিম ডকইয়ার্ড, তালুকদার ডকইয়ার্ড, মেসার্স সাগর ডকইয়ার্ড, মেসার্স আলী ডকইয়ার্ড, মেসার্স উজির আলী ডকইয়ার্ড, ঢাকা ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, বোগদাদিয়া এন্ড ময়ুর ডকইয়ার্ড, মেসার্স সিটি ডকইয়ার্ড, জনতা ডকইয়ার্ড, মাদারিপুর ডকইয়ার্ড, প্রিন্স ডকইয়ার্ড, ফারুক (সাবেক সাত্তার) ডকইয়ার্ড, মেসার্স বায়োজিত ডকইয়ার্ড, হোসেন ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, লাট ডকইয়ার্ড-২, মেসার্স প্রিন্স আওলাদ ডকইয়ার্ড, শামছু ডকইয়ার্ড, অগ্রগতি ডকইয়ার্ড, শামসুদ্দিন ডকইয়ার্ড, বিসমিল্লাহ ডকইয়ার্ড, আগরপুর ডকইয়ার্ড এন্ড শিপ বিল্ডার্স, ফারহান ডকইয়ার্ড, কুমিল্লা শিপ বিল্ডার্স, এছাড়াও কালিগঞ্জের মদিনা ডকইয়ার্ড, বিসমিল্লাহ ডকইয়ার্ড, লাট ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড ডকইয়ার্ড, সাত্তার খান ডকইয়ার্ড, এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, ফারুক খান ডকইয়ার্ড এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস, জেনারেল ডকইয়ার্ড, লাকী ডকইয়ার্ড এবং পারজোয়ার ডকইয়ার্ড।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ