প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এবার ব্যাঙ্গালোরে অবৈধ বাংলাদেশী খেদানোর তোড়জোড়

সৌরভ নূর : “ভারতে অবস্থিত ‘অবৈধ বাংলাদেশীরা’ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিরাট হুমকি। কোনো শিল্পমালিক তাদের কারখানায় বা সাইটে কাজে লাগালে কড়া শাস্তি পেতে হবে। এবং এদের তাড়ানোর জন্য শহরের সোনডেকোপ্পাতে ডিটেনশন সেন্টার তৈরি হচ্ছে” বলে এক টুইটে ঘোষণা করেছেন ভারতের কট্টরপন্থী হিন্দুত্ববাদী নেতা হিসেবে পরিচিত এহেন লিম্বাভালি। সূত্র: বিবিসি বাংলা

ভারতের আসামে এনআরসি’র চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দেশের নানা প্রান্তে ‘অবৈধ বিদেশি’দের তাড়ানোর যে হিড়িক পড়েছে, সেই তালিকায় সর্বশেষ সংযোজন হলো ব্যাঙ্গালোর। ব্যাঙ্গালোর থেকে বাঙালিদের বিতাড়িত করতে গতকাল সোমবার চূড়ান্ত সময়সীমা ধার্য থাকলেও বামপন্থীদের আন্দোলনের মুখে সেই ‘ডেডলাইন’ আরও দুদিন বাড়ানো হয়েছে। উচ্ছেদ-আতঙ্কে থাকা এই বাঙালিদের বেশির ভাগই মুসলিম, এবং তাদের দাবি তারা আসলে পশ্চিমবঙ্গেরই লোক। নিজেদের প্রমাণ করার মতো পরিচয়পত্র সঙ্গে থাকলেও রাজ্যে বিজেপির নেতা-বিধায়করা বলছেন সেগুলো বেশির ভাগই জাল।

এ প্রসঙ্গে কর্নাটক বিজেপির মুখপাত্র ড: ভামান আচারিয়া বিবিসি বাংলাকে জানান, আসলে আগে আমাদের রাজ্যে অভিবাসী শ্রমিকরা আসতেন বিহার বা ওড়িশা থেকে কিন্তু গত দুতিন বছর ধরে যারা আসছেন তাদের বেশির ভাগই বাংলাদেশী। সীমান্ত পেরিয়ে তারা প্রথমে পশ্চিমবঙ্গে আসেন, সেখান থেকে পাড়ি দেন দক্ষিণ ভারতে। কিন্তু পুলিশ এখন দেখতে পাচ্ছে তাদের বেশির ভাগই জাল পরিচয়পত্র করে অবৈধভাবে বাস করছেন।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের রায়গঞ্জের সিপিএম এমপি মহম্মদ সেলিম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, এরা আসলে নদীয়া-মালদা-মুর্শিদাবাদ এই সব জেলারই লোক। কিন্তু যখন থেকে বিজেপি সভাপতি উইপোকার মতো ফ্যাসিস্ট ভাষা ব্যবহার করে বাঙালিদের আক্রমণ করা শুরু করেছেন তখন থেকেই এদের ওপর খড়গ নেমে এসেছে। ছোটবড় বিজেপি নেতারাও চরম উৎসাহে বাঙালি খেদাতে নেমে পড়েছেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ