প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নেপাল-বাংলাদেশ জালানি বৈঠকে প্রাধান্য পাচ্ছে জলবিদ্যুৎ

রাশিদ রিয়াজ : সোমবার কাঠমা-ুতে দুুদিনের নেপাল-বাংলাদেশ জালানি বৈঠক শুরু হবার পর এতে জলবিদ্যুৎ ও এ খাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগের বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছে। নেপাল থেকে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ আমদানি ও দেশটিতে জলবিদ্যুৎ খাতে বাংলাদেশের বিনিয়োগ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কথাবার্তা চলছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. আহমাদ কাউকাউস বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস

একই সঙ্গে নেপাল নবায়নযোগ্য জালানিতে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চায়। এরআগে গত আগস্টে দুুটি দেশ জলবিদ্যুৎ নিয়ে একটি সমঝোতা স্বাক্ষর করে। সে অনুযায়ী দুটি দেশের জালানি খাত নিয়ে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটি বছরে এসব বিষয় নিয়ে বছরে একবার বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেয়। কাঠমা-ু পোস্ট বলছে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বাংলাদেশের বিনিয়োগ সম্ভব হলে তা থেকে অন্তত ১৬’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। এ বিদ্যুতের ৯ হাজার মেগাওয়াট আমদানি করবে বাংলাদেশ। ২০৪১ সাল নাগাদ এ বিদ্যুৎ আমদানি সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ইতমধ্যে ভারত থেকে ১১’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। এছাড়া গত বছর নেপাল থেকে ৫’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্যে বাংলাদেশ ভারতীয় কোম্পানি জিএমআর এনার্জির সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। নেপালের পশ্চিমাঞ্চলে জিএমআর ৯’শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। আগামী ১০ বছরে নেপাল ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ ইতিমধ্যে আবাসিক গৃহে যে ৪০ লাখ সৌর বিদ্যুৎ প্যানেল বসিয়েছে তার বাস্তব অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় নেপাল। গত দুই দশকের এ অভিজ্ঞতার আলোকে নেপাল বাংলাদেশের এধরনের কার্যক্রম দেশটির পাহাড়ি এলাকায় ছড়িয়ে দিতে চায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ