প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

অতিকথনে ভুল বাড়ে, জনসংযোগে জনপ্রিয়তা

সালেহ্ রনক: কথা বলতে কে না ভালোবাসে? আবার অতি কথনে ভুল বাড়ে, সাথে বাড়ে পাল্লা দিয়ে দুর্নাম। বেশি কথা বলার সুফল খুঁজে পাওয়া যাবে না, কুফলই যোগ হয়। রাজনীতিতে মেপে কথা বলা একটা বিরাট গুণ, যা সবার মাঝে থাকে না। যার থাকে সে সবার প্রিয় হয়ে ওঠে, বিতর্ক থেকে দূরে থাকে। বেশী কথা বললে কর্মী, শ্রোতারাও অসন্তুষ্ট হয়। আমাদের দেশের অনেকে রাজনীতিকই আছেন যারা কোথায় থামতে হবে জানেন না। প্রায়শই দেখা যায়, অন্যকে কথা বলার কোন সুযোগই দিতে চান না, টকশো গুলোতে অতি কথনের চর্চা প্রায় নিয়মে পরিনত হয়েছে। অথচ এতে কেবল দুর্নামই জুটছে ভাগ্যে তারপরও থামার নাম গন্ধ নেই অনেকেরই।

বেশি কথা বলার সবচেয়ে বড় কুফল, যারা বেশি কথা বলে তারা বেশির ভাগ সময় পরচর্চা ও পরনিন্দাতেই ব্যস্ত থাকে। ফলে তার মাঝে যতটুকু গুণ ও সম্ভাবনা বিদ্যমান, সেটুকুও সে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারে না। বেশি কথার ধর্মই এমন যে, তা বেশির ভাগ সময়ই বাজে কথায় রূপান্তরিত হয়। অর্জিত সাফল্য মন্দ কথার আড়ালে চাপা পড়ে যায়, সময় নষ্ট হয় এবং সেটা শুধু তাতেই সীমাবদ্ধ থাকে না, কখনো কখনো শত্রুতারও সৃষ্টি করে। রাজনৈতিক মাঠে যারা বেশি কথা বলে সাধারণ মানুষ তাদের ভালো চোখে দেখে না, লোভী, স্বার্থপর, মিথ্যাবাদী, ভণ্ড ইত্যাদি বলে গালিগালাজ করে।

এ তো পুরনো কথা যে, জ্ঞানী লোকেরা কথা বলেন মেপে মেপে, যতটুকু বলার দরকার ততটুকু। তাঁরা সবসময় একটি ব্যাপারে বেশ সজাগ থাকেন যে, বাড়তি কথায় যেন কোন সৌন্দর্যহানি না ঘটে। ব্যাপারটা খুবই সহজ, জ্ঞানীরা কথা বলেন কারণ তাঁদের বলার কিছু আছে আর বোকারা কথা বলেন কারণ তাঁদের কিছু বলতে হবে। আর তাই তারা অতি কথনের আশ্রয় নেন নিজের দুর্বলতা ঢাকার জন্য।

অন্যের ছিদ্রান্বেষণে আমাদের জুড়ি মেলা ভার। আমরা নিজদের দোষ যতটা না দেখতে পাই, অন্যের দোষ খুঁজতে কোন ক্লান্তি নেই। এ তো গেল সাধারণ মানুষের চরিত্র। আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা আবার এটাকে তাদের প্রধান এবং নিত্যদিনের অত্যাবশ্যকীয় কর্মে পরিণত করেছে। তাদের বক্তৃতা, বিবৃতি শুরুই হয় প্রতিপক্ষ দলের দোষের ফিরিস্তি দিয়ে। কখনো কখনো এমনও দেখি, অন্যের দোষ বলতে গিয়ে নিজেদের গুণের কথাই আর বলা হয়ে ওঠেনা।

তফসিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচনের দিন দ্রুতই ঘনিয়ে আসছে অথচ আওয়ামীলীগ এর নেতা- নেত্রীরা এখনো পুরনো কাঁসুন্দি ঘেঁটেই যাচ্ছে। তারা এখনো প্রধান বিরোধীদলের দোষ ত্রুটি নিয়ে অতিকথনে ব্যস্ত। এবারের নির্বাচন আওয়ামীলীগ এর জন্য অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের। তাদেরকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচন আয়োজন করে প্রমাণ করতে হবে, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তাদেরকে ২০২১ সালের রূপকল্প পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হলে, রূপকল্প ২০৪১ কে টার্গেট করে এগুতে হলে হ্যাট্রিক জয়ের বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের সকল উন্নয়ন কর্মকা- চলমান রাখতে হলে তাদের জয়ের বিকল্প নেই। আর এই জয় নিশ্চিত করতে হলে সরকারের সকল অর্জন ও সাফল্য জনগণের কাছে বার বার ও যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে হবে। পুরনো ভোটারদের আস্থায় রেখে এবারের নির্বাচনে যে বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছে তাদেরও মন জয় হবে। আর এই কঠিন ও চ্যালেঞ্জিং কর্মটি অতি কথন ও অন্যের দোষের কথা আওড়ে সম্ভবপর হবে না।

গত দশ বছরে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কে বিশেষ কোন দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়নি। বরং ছাত্রলীগ নানা বিতর্ক ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। যুবলীগকেও কঠিন কোন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়নি। শেখ হাসিনার একক ক্যারিশম্যাটিক নেতৃত্ব ও কৌশলে কোন প্রকার বাধা বিঘ্ন ছাড়াই রাজনৈতিক ময়দানে রাজত্ব করেছে। তাই সরকারের সকল অর্জন ও সাফল্যগাঁথা তাদেরই সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরতে হবে। সাংগঠনিক দক্ষতা প্রমাণের বিশাল মঞ্চ সাজানোই আছে তাদের জন্য, তাদের কাজটা শুধু জনগণের দারে দারে হাজির হওয়া। তাতে করে ঝিমিয়ে পড়া ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নতুন করে জেগে ওঠার রসদ যেমন পেয়ে যাবে তেমনি নিজেদের বিতর্ককে পিছনে ফেলে রাজনৈতিক ময়দানে তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবে। সরকারের সাফল্যগাঁথাকে সবচেয়ে সুন্দর ও কার্যকরভাবে আমজনতার দুয়ারে পৌঁছে দেয়ার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে আওয়ামী লীগ এর এই দুই অঙ্গসংগঠন।

নির্বাচনী দল হিসেবে আওয়ামী লীগ তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে সুবিধাজনক ও ভালো অবস্থানে আছে। বিদেশী পর্যবেক্ষকদের মতে আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১০ বছরকে বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচিত হয়েছে। সরকারের কিছু ত্রুটি বিচ্যুতি, সুশাসনের ঘাটতি ও দুর্বল গণতন্ত্র ছাড়া বাংলাদেশ উঠে এসেছে উন্নয়নের মহাসড়কে। আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দশ বছরে শাসনে অর্জিত হয়েছে অভূতপূর্ব উন্নয়ন। বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণ ঘটেছে। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৬১০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তার জন্মের ৫০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণে সফলতা দেখিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য দুটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন ও যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর সহ এখনো বিচার প্রক্রিয়া চলমান।

শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্ব, সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসাবে এসডিজি অর্জন, এসডিজি বাস্তবায়নসহ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, লিঙ্গ সমতা, কৃষি, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, ১০০ টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, রপ্তানী আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচকে বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে। পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্র বন্দর, ঢাকা মেট্রোরেল, কর্ণফুলী নদীর নিচে টানেল সহ দেশের মেগা প্রকল্পসমূহ এখন দৃশ্যমান বাস্তবতা। নোবেল বিজয়ী ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে, ‘কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিশ্বকে চমকে দেবার মতো সাফল্য আছে বাংলাদেশের। বিশেষত শিক্ষা সুবিধা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ ও শিশু মৃত্যুহার ও জন্মহার কমানো, গরিব মানুষের জন্য শৌচাগার ও স্বাস্থ্য সুবিধা প্রদান এবং শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম অন্যতম’।

শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে শিক্ষাকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেবার জন্য গৃহীত পদক্ষেপসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো- শতভাগ ছাত্রছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ কার্যক্রম। প্রতি বছরের ১ জানুয়ারি নতুন বই শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেয়ার কার্যক্রম উৎসবে পরিণত হয়েছে। ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে নতুন করে জাতীয়করণ করা হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে কলেজ জাতীয়করণের অঙ্গীকারের ঘোষণায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কলেজও রয়েছে জাতীয়করণের তালিকায়। দেশের ৪০টি জেলায় সদর হাসপাতাল এবং ২০টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থাপন করা হয়েছে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেল। দুঃস্থ্, এতিম, অসহায় পথ-শিশুদের সার্বিক বিকাশের জন্য স্থাপন করা হয়েছে ১৫টি শিশু বিকাশ কেন্দ্র। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবতায় রূপ দিতে হাসিনা সরকার নিয়েছে যুগান্তকারী সব পদক্ষেপ। দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারি সেবা পৌঁছে দেবার অভিপ্রায়ে দেশের ৪৫৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপন করা হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। প্রায় ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিদ্যুত ও গ্যাস উৎপাদনে সাফল্য অভূতপূর্ব। বাংলাদেশের জাহাজ শিল্পের প্রসারে পেয়েছে নতুন মাত্রা। পোশাক শিল্পের পাশাপাশি আবাসন, ঔষধ, ও প্রক্রিয়াজাতকরণ খাদ্য শিল্পের প্রসারে ব্যাপকতা যোগ হয়েছে। বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় যোগ হয়েছে জাহাজ, ঔষধ এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াজাত খাদ্যসামগ্রী। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বৃদ্ধি, বয়স্ক, বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত ও দুঃস্থ মহিলা ভাতা, অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃকালীন ভাতাসহ ভাতার হার ও আওতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। বৈশ্বিক মন্দার মাঝে দাঁড়িয়েও হাসিনা সরকার বিবিধ প্রণোদনা প্যাকেজ ও নীতি সহায়তার মাধ্যমে মন্দা মোকাবেলায় সক্ষমই শুধু হয়নি, জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ৬ শতাংশের বেশি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, শিক্ষার হার ও মান উন্নয়ন, শিশু ও নারীসহ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ছিল চোখে পড়ার মতো। সড়ক, রেল, নৌ-যোগাযোগে এসেছে আমূল পরিবর্তন। অধিকাংশ মহাসড়কগুলো চার লেনে উন্নীত হয়েছে, আবার কোনো কোনোটি আট লেনে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষির বিকাশ, ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই রূপকল্পে দেয়া লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি সাফল্য অর্জিত হয়েছে । সম্প্রতি দেশ যুক্ত হয়েছে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে। দেশের বিভিন্ন জেলায় নির্মাণ হচ্ছে অসংখ্য হাইটেক পার্ক ও সিলিকন সিটি। সরকারের সাফল্যের অনেক সূচকের মধ্যে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে তাদের গৃহীত পদক্ষেপও বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।

সাধারণ মানুষ উন্নয়নকে ভালোবাসে। সরকারের এতো এতো অর্জন ও সাফল্যকে সামনে রেখে সাধারণ জনগণকে বোঝাতে হবে আওয়ামী লীগ সরকার কেন আবার দরকার। মানুষের মাঝে যে আস্থাকে আরো মজবুত করতে হবে। সাধারণ মানুষের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দিতে হবে, হাসিনা সরকার মানেই ব্যাপক ও সামগ্রিক উন্নয়ন ও মেগা প্রকল্প সম্পাদনে সাহসী নেতৃত্ব। জনগণকে বোঝাতে হবে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও সমৃদ্ধি অর্জনে নৌকার বিকল্প নেই। স্বাধীনতার চেতনা সমুজ্জ্বল রাখতে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে, জঙ্গীমুক্ত সোনার বাংলাকে চলমান রাখতে নৌকার বিকল্প নেই। দুর্বল গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের অভাব নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে হতাশা ও ক্ষোভ আছে তা নিরসনে তাদেরকে বোঝাতে হবে, শেখ হাসিনার সততা ও সাহসী নেতৃত্বে উন্নয়নের সকল সূচকের মানদন্ডে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল সুতরাং তারই নেতৃত্বে শক্তিশালী গণতন্ত্র ও আইনের শাসনও প্রতিষ্ঠিত হবে। মানুষের মননে এই বার্তা গেঁথে দিতে হবে যে, সবার বিকল্প আছে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই।

যে রাজনৈতিক দলে শেখ হাসিনার মতো একজন নেতা আছে আর সঙ্গে আছে যুগান্তকারী সব অর্জন ও সাফল্যগাঁথা সে রাজনৈতিক দলকে কেন অন্য দলের বিষোদগার করে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে হবে আমার বোধগম্য হচ্ছে না। তাই অন্যের ছিদ্রান্বষণে সময় নষ্ট না করে দলের নির্বাচনী ইশতেহার কে সামনে রেখে, সরকারের অর্জন ও সাফল্যের তালিকা হাতে নিয়ে নির্বাচনী প্রচরণায় ঝাঁপিয়ে পড়াই উত্তম কর্ম হবে। আর এই কাজটা সুনিপুণভাবে করতে পারলে আওয়ামী লীগ এর হ্যাট্রিক জয়ের পরিকল্পনা সহজেই বাস্তবে ধরা দেবে। আর এই জয় আখেরে দেশ ও জাতির জন্য বৃহৎ কল্যাণই বয়ে আনবে।

লেখক : শিক্ষক, সমাজকর্মী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ