প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নীতি নৈতিকতা নয় ক্ষমতাই মুখ্য : শহিদুল হক

উল্লাস মূর্তজা : সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক বলেছেন, নীতি নৈতিকতা নয় ক্ষমতাই মুখ্যএ যারা মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের শক্তি তারা আজ জোট করেছে জঙ্গীগোষ্ঠীর সাথে। শনিবার ‘এটিএন নিউজ’ এর একটি ‘টকশো’তে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ড. কামাল হোসেন, কাদের সিদ্দিকী, আসম আবদুর রব এদের মতো মুক্তিযুদ্ধের স্ব-পক্ষের শক্তি জঙ্গীগোষ্ঠির সাথে জোট করে, নীতি নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে। রাজনৈতিক দর্শন নয়, ব্যক্তিগত নীতি নৈতিকতাতো থাকতে হবে একজন রাজনীতিবিদের।

রাজনৈতিক ব্যাক্তিরা ক্ষীণ হয়ে যাচ্ছে, রাজনৈতিক ব্যক্তি নন তারা রাজনীতিতে ঢুকে পরছে। আতাউর রহমান ঢালীর এ কথার জবাবে, শহিদুল হক বলেন, এটা পুরোপুরি ঐ রাজনৈতিক ব্যক্তির ব্যর্থতা। দেখা যাচ্ছে, ব্যক্তি দীর্ঘদিন রাজনীতি করছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণ যোগ্যতা কমে গেছে। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের জরিপে দেখা গেছে, জনগণের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা নেই, মনোনয়ন দিলে সে পাস করবে না। সেক্ষেত্রে বিকল্প প্রার্থী খোঁজা হয়। এটা রাজনৈতিক সমস্যা নয় এটা ব্যক্তির সমস্যা।

তিনি আরও বলেন, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রধান সমস্যা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী ব্যক্তি কাউকেই হতে দিবে না। দেখা গেলো লোকাল এমপি আছে, রাইজিং সেলে কেউ বেড়ে উঠছে, পরবর্তীতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে যাবে। তাই তাকে কীভাবে সরিয়ে দেওয়া যায় সেই চেষ্টা আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে থাকে। তারজন্য যাদের বিরুদ্ধে জঙ্গী সম্পৃক্ততার অভিযোগ ছিলো, তারা ছাড়া ঐ অঞ্চলে অন্য কোনো নেতা তৈরি হয় নি।

শহিদুল হক বলেন, বিএনপি উত্তর বঙ্গে কিছু বিতর্কিত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছে। যখন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআজি ছিলাম ২০০৭ এ মামলার তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছি, তাদের বিরুদ্ধে জঙ্গী সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে, এটা পুরোপুরি সত্য। বিএনপি থেকে এবারও তাদেরকেই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। আবার যারা দল থেকে বের হয়ে গিয়েছিলো আবার তাদেরকে ডেকে এনে মনোনয়ন দিয়েছে। এর অর্থ তাদেরকে ছাড়া ঐ অঞ্চলে বিকল্প কোনো প্রার্থী খুজে পায়নি বিএনপি।

জাতীয় নির্বাচনে মার্কাটাই অন্যতম প্রধান বিষয়। তাছাড়াও প্রার্থীর গ্রহণযোগ্যতাও অন্যতম প্রধান একটা বিষয়। মার্কা এবং প্রার্থীর গ্রহণ যোগ্যতা দুটোর সমন্বয়েই দল থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ