প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিছু আসনে নৌকার জয়ে বাধা বিরোধ

ডেস্ক রিপোর্ট : বেশ কয়েকটি সংসদীয় আসনে অন্তঃকোন্দল চরমে উঠেছে ক্ষমতাসীন দলে। দলের মনোনীত প্রার্থী পছন্দ না হওয়ায় বেশ কয়েকটি আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। কয়েকটি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ায় নির্বাচনে নিষ্ক্রিয় ভূমিকা রাখার বিষয়ে মনস্থির করেছে নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ। কোথাও আবার জোটের শরিক দলকে আসন ছেড়ে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আবার দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতারাও স্থানীয় নেতাকর্মীদের ক্ষোভ প্রশমনের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছেন না। কিন্তু নির্বাচনের আগে এ ধরনের বিরোধ না মেটানো গেলে নৌকার জয় নিশ্চিত করা কঠিন হবে বলে মনে করে তৃণমূল আওয়ামী লীগেরই অনেক নেতাকর্মী। গত তিন দিনে দেশের বিভিন্ন এলাকার আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের এমন মনোভাব জানা গেছে।

বিভিন্ন আসনে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টানা দুই মেয়াদে দল ক্ষমতায় থাকার কারণে পাওয়া না পাওয়া নিয়ে অনেকের মধ্যে ক্ষোভ আছে। অনেক সংসদ সদস্যই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের বৈতরণী সহজে পার হওয়ার পর আর এলাকার নেতাকর্মীদের তেমন খোঁজ রাখেননি। ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

অনেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধেই আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে লিখিত অভিযোগও জানিয়েছিল নেতাকর্মীরা। তবে ওই সংসদ সদস্যদের বেশির ভাগই আবারও দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। ফলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। আবার মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতারাও ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের শান্ত করতে কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় বিরোধ জিইয়ে থাকছে।

বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ। বেশ কিছুদিন ধরেই পঙ্কজকে মনোনয়ন না দিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে আসছিলেন মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা উপজেলা ও কাজীরহাট থানা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ অনেক নেতা। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিলও করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি অংশ।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ তাঁর বিরুদ্ধে মাঠে নামলেও গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত পঙ্কজ দেবনাথ তাদের ক্ষোভ নিরসন করে নিজের পক্ষে নির্বাচনের মাঠে নামাতে কোনো উদ্যোগ নেননি। উল্টো গত তিন-চার দিনে মেহেন্দীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় পঙ্কজের অনুসারীদের হামলায় প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গতকাল আহত একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বরিশাল-৪ আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নামবে কি না তা নিয়ে সন্দেহে আছেন মেহেন্দীগঞ্জ ও হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই।

এ বিষয়ে মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল মাতব্বর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত পঙ্কজ দেবনাথ আমাদের ডাকেননি। তিনি মনোনয়ন পেয়েছেন, তাঁর দায়িত্ব সবাইকে একসঙ্গে করে মাঠে নামানো। উল্টো যদি এখনো আমাদের নেতাকর্মীরা নির্যাতিত হয়, তাহলে তো তা শুভ লক্ষণ হবে না।’

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সাগর কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘পঙ্কজ দেবনাথের দুর্নীতি, অনিয়ম, নির্যাতনের প্রতিবাদে আমরা তাঁর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলাম। দল তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রতিদিনই আমাদের কোনো না কোনো কর্মীর ওপর হামলা করছে পঙ্কজের অনুসারীরা। মনোনয়ন পাওয়ার পর এখন পর্যন্ত পাঁচ-সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। উনি বলেন, নির্বাচনে জিততে আমাদের লাগবে না।’

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও মেহেন্দীগঞ্জ সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মিজানউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘দলের মধ্যে ভিন্নমত থাকতেই পারে। আমরা আশা করেছিলাম, এমপি সাহেব সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচনের মাঠে নামবেন। কিন্তু তিনি তা করছেন না।’

শম্ভুর বিরুদ্ধে মাঠে জাহাঙ্গীরপন্থীরা : বরগুনা-১ আসনে এখনো একক প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি আওয়ামী লীগ। আসনটিতে বর্তমান সংসদ সদস্য ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির দলের মনোনয়নের চিঠি পেয়েছেন। প্রথমে ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এককভাবে চিঠি পেলেও পরে দলীয় নেতাকর্মীদের তীব্র আপত্তির মুখে জাহাঙ্গীর কবিরকেও দেওয়া হয়। আগামী ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন কমিশনে আওয়ামী লীগকে যেকোনো একজন প্রার্থীকে নৌকা প্রতীক বরাদ্দের চিঠি দিতে হবে। কে নৌকা প্রতীক পাবেন তা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দ্বিধাবিভক্ত। শম্ভু কয়েকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। কিন্তু ১০ বছরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের বড় অংশের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে। বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন, বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতি কামরুল হাসান মহারাজ, বরগুনা পৌর মেয়র মোহাম্মদ শাহজাহানসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকজন নেতা শম্ভুর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছেন। কিছুদিন আগে তাঁরা শম্ভুকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, শম্ভু কয়েকবার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও শুধু নিজের ভাগ্য গড়ার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। এলাকায় দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের কোনো মূল্যায়ন করেননি। ফলে আগামী নির্বাচনে শম্ভুকে প্রার্থী করা হলে স্থানীয় নেতাকর্মীদের শম্ভুর পক্ষে মাঠে নামানো কঠিন হবে।

সাবেক সংসদ সদস্য ও বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে জাহাঙ্গীরের পক্ষে মাঠে নেমেছি। এখন দেখা যাক দল কাকে মনোনয়ন দেয়। দল করলে তো দলের সিদ্ধান্ত মানতেই হবে।’

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে বরগুনায় নৌকা কখনো পরাজিত হয়নি। কিন্তু বর্তমান এমপির অপকর্মের কারণে মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলছে। ফলে আমরা প্রার্থী পরিবর্তন চেয়েছি। কিন্তু উনি যদি আবারও নৌকার প্রার্থী হন তবে স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশকে মাঠে নামানো কঠিন হবে। আর সবাই মাঠে না নামলে নৌকার বিজয় নিশ্চিত হবে কি না বলা যাচ্ছে না।’

মনোরঞ্জনের বিপক্ষে দুই উপজেলার অনেক নেতা : দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল আবারও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। মনোনয়ন ঘোষণার পর স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দুই দিন বিক্ষোভ করে। দুই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ গুরুত্বপূর্ণ বহু নেতা, সহযোগী সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ নেতারা গোপালের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের কাছে গোপালকে মনোনয়ন না দিতে লিখিত আবেদন করেছিলেন। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতারাও গোপালের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত গোপালই মনোনয়ন পান। এ নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষ রয়েছে। ফলে সেখানে নৌকার পক্ষে আওয়ামী লীগের সব নেতাকর্মীকে মাঠে নামানো কঠিন হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনেক নেতাই।

বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এমপি সাহেব গত ১০ বছরে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। এখন পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে কথা বলেননি। নির্বাচনের আগে দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে মাঠে নামাতে না পারলে নৌকার ভরাডুবি হতে পারে।’ ওই নেতা আরো বলেন, ‘বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ নেতাকর্মী নির্বাচনে চুপ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেটা আওয়ামী লীগের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।’

চাঁদপুরে দুই পক্ষ মুখোমুখি : চাঁদপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছে বর্তমান সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর ও এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম হোসেনকে। এই দুই নেতার দ্বন্দ্বে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। মনোনয়ন ঘোষণার পর গোলাম হোসেনের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল করে স্থানীয় মহিলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় নির্বাচনী মাঠ গোছানোর চেষ্টা করে আসছিলেন গোলাম হোসেন। স্থানীয় সংসদ সদস্য মহীউদ্দীন খান আলমগীর ফারমার্স ব্যাংকের অনিয়মসহ বেশ কিছু ঘটনায় বিতর্কিত হয়ে পড়েন। ওই সুযোগে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিজের অবস্থান শক্ত করেন গোলাম হোসেন। কিন্তু তিনি স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে খুব বেশি কাজ করার সুযোগ পাননি। একাধিকবার কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে গোলাম হোসেনের অনুসারীরা হামলার শিকার হয়। গত দু-তিন বছরে ওই বিরোধ আরো তীব্র হয়।

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘মহীউদ্দীন সাহেব গুরুত্বপূর্ণ নেতা, গোলাম হোসেনও চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর থেকে আওয়ামী লীগে সক্রিয় আছেন। কিন্তু উনাদের উচিত ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে উঠে নৌকার জয়ের জন্য কাজ করা। দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার পক্ষেই দুজনের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত। না হলে তো আমাদের সবারই বিপদ।’

জাপাকে ছেড়ে দেওয়ায় বিক্ষোভ : সিলেট-২ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শফিকুর রহমান চৌধুরীর সমর্থকরা ক্ষুব্ধ। মনোনয়ন ঘোষণার পর তাঁরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে বিক্ষোভও করেন।

আরো যেসব স্থানে বিরোধ : কুষ্টিয়া-১ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন সরওয়ার জাহান বাদশা। এ নিয়ে একাধিক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বর্তমান সংসদ সদস্য আফাজ উদ্দিন আহমেদের সমর্থকরা।

ঢাকা-১৪ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আসলামুল হক মনোনয়ন পাওয়ায় ক্ষুব্ধ সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিনের অনুসারীরা। তারা এরই মধ্যে আসলামের মনোনয়ন পরিবর্তনের জন্য আওয়ামী লীগ সভাপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

কুমিল্লা-৪ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল আবারও দলের মনোনয়ন পেয়েছেন। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফার অনুসারীরা।

নরসিংদী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নবঞ্চিত হয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য সিরাজুল ইসলাম মোল্লা। এ নিয়ে তাঁর অনুসারীরা হতাশ।

নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বর্তমান সংসদ সদস্য গাজী গোলাম দস্তগীর। এ নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান ভূঁইয়া ও তাঁর সমর্থকরা ক্ষুব্ধ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য গোলাম মোস্তফা বিশ্বাস দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তাঁর সমর্থকরা ক্ষুব্ধ। তবে সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউর রহমানের সমর্থকরা উত্ফুল্ল।

মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ফরহাদ হোসেনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় সেখানে বিক্ষুব্ধ হয়ে আছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিয়াজান আলীর সমর্থকরা।

কুড়িগ্রাম-২ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীর সমর্থকরা। তারা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে আসনটি ছেড়ে না দিয়ে জাফর আলীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ঢাকা-২ আসনে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে আবারও দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ কেরানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদের অনুসারীরা।

ঝালকাঠি-১ আসনে বজলুল হক হারুনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ।

ময়মনসিংহ-৮ আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
সূত্র : কালের কন্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত