প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্রধানমন্ত্রীর হলফনামা
ব্যাংকে জমা বেড়েছে, কমেছে নগদ টাকা

প্রথম আলো : পাঁচ বছরের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বার্ষিক আয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমেছে, আবার কোনো ক্ষেত্রে বেড়েছে। তাঁর নগদ টাকা কমেছে। স্থাবর সম্পদ আগে যা ছিল তাই আছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী নির্বাচন কমিশনে যে হলফনামা দিয়েছেন তার সঙ্গে দশম সংসদ নির্বাচনের জন্য দেওয়া হলফনামা তুলনামূলক পর্যালোচনা করে এই তথ্য পাওয়া গেছে। প্রধানমন্ত্রী রংপুর-৬ আসনের জন্যও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ টাকা রয়েছে ৮৪ হাজার ৫৭৫ টাকা। যা পাঁচ বছর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় ছিল ৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। এবার তাঁর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা টাকা ৭ কোটি ২১ লাখ ৮৫ হাজার ৩০৩ টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ছিল ১ কোটি ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকার কিছু বেশি।
এবার বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্রে বা স্থায়ী আমানতে তাঁর বিনিয়োগ ৫ লাখ টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৫ কোটি ১২ লাখ, ৩০ হাজার টাকার বেশি। পাঁচ বছর আগের মতো এবারও তাঁর অলঙ্কারাদির মূল্য ১৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা। আসবাবপত্রের মূল্যও আগের মতো ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ও তাঁর ওপর নির্ভরশীলদের আয়ের মধ্যে কৃষি খাতে বছরে আয় ৩ লাখ টাকা (৫ বছর আগে ছিল ৭৫ হাজার টাকা)। ব্যবসায় (রয়ালিটি বাবদ) এবার আয় দেখানো হয়েছে ১৬ লাখ ৯৬ হাজার ৯ টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ব্যবসায় (মৎস্য খামার) আয় ছিল সাড়ে চার লাখ টাকা। বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা অন্যান্য ভাড়া বাবদ আয় প্রায় গতবারের মতোই।

শেয়ার, সঞ্চয়পত্র বা ব্যাংক আমানত বাবদ এবার তাঁর আয় ১২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৪৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকার বেশি।

প্রধানমন্ত্রীর সম্মানী ভাতা বাবদ বছরে আয় ১৬ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ছিল ৭ লাখ ৩ হাজার ২০০ টাকা। এবার তাঁর অন্যান্য বাবদ বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ২৭ লাখ ৭৬ হাজার ৭৬০ টাকা। যা পাঁচ বছর আগে ছিল ১০ লাখ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী স্থাবর সম্পদ পাঁচ বছর আগে যা ছিল, এখনো তাই। এর মধ্যে নিজের নামে রয়েছে ৬ একর কৃষি জমি। আর যৌথ মালিকায় আছে ৫ একর (৫০ শতাংশ তাঁর)। অকৃষি জমি ও অর্জনকালীন সময়ে তার আর্থিক মূল্য ৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

হলফনামায় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী, প্রতিশ্রুতিগুলোর অনেক ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি অর্জন হয়েছে। যেমন বিদ্যুৎ, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, তথ্য ও প্রযুক্তি, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ক্ষেত্রে যুগান্তকারী অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী ১৬টি মামলার বিবরণ দিয়েছেন, যার মধ্যে ১২ টিতে আদালত অব্যাহতি দিয়েছেন, তিনটিতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন এবং একটি মামলা খারিজ হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ