প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির মিত্রদের এক রব ‘আরো চাই’

ডেস্ক রিপোর্ট : বিএনপির সঙ্গে জোটভুক্ত দলগুলোর আসন বণ্টনের বিষয়টি এখনো দর-কষাকষির মধ্যে আটকে আছে। কারণ এ পর্যন্ত প্রতিটি দলকে বিএনপির পক্ষ থেকে যতসংখ্যক আসন ছেড়ে দেওয়ার মৌখিক আশ্বাস থেকে দেওয়া হয়েছে তাতে সন্তুষ্ট হতে পারেনি কোনো দলই। তারা আরো বেশি আসন চাইছে। এ অবস্থায় আসন বণ্টন নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক অব্যাহত আছে। গতকাল শুক্রবারও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বিএনপির। সংশ্লিষ্ট দলগুলোর সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের চেয়ে আসন বণ্টন নিয়ে সংকট বেশি নবগঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে।

নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম প্রধান শরিক জামায়াতে ইসলামী ৫৩টি আসনে মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা দিলেও বিএনপির কাছ থেকে আপাতত ২৫টি আসনে ছাড় পাওয়ার সবুজ সংকেত পেয়েছে। এতে খুশি হতে পারেনি দলটি। এ ছাড়া এলডিপি ১৫টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও বিএনপির পক্ষ থেকে দলটিকে এ পর্যন্ত আসন ছাড়ের কথা বলা হয়েছে মাত্র চারটি। অথচ গত বৃহস্পতিবার এলডিপি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করেছে, বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের ১০টি আসনে মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এলডিপির ওই দাবি সঠিক নয় বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

আসন বণ্টন প্রসঙ্গে জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার জানান, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর এ বিষয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয়ভাবে বৈঠক করে পরে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা ও দর-কষাকষি করবেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘অবশ্যই আমরা আরো কিছু আসন চাইব।’ এরই মধ্যে রংপুর-৫ আসনের জন্য জামায়াতের প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানীর মনোনয়নপত্র স্থানীয় নির্বাচন কমিশন জমা না নেওয়ায় একটি আসন কমে গেছে বলেও জানান তিনি।

জামায়াতের যেসব প্রার্থী বিএনপির কাছ থেকে সবুজ সংকেত পেয়েছেন বলে জানা যায় তাঁদের মধ্যে আছেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫), রফিকুল ইসলাম খান (সিরাজগঞ্জ-৪), আবুল কালাম আযাদ (খুলনা-৬), সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের (কুমিল্লা-১১), মিয়া গোলাম পরওয়ার (খুলনা-৫), ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী (সিলেট-৫), হাবিবুর রহমান (সিলেট-৬), আবদুল হাকিম (ঠাকুরগাঁও-২), আবু হানিফ (দিনাজপুর-১), আনোয়ারুল ইসলাম (দিনাজপুর-৬), আজিজুল ইসলাম (নীলফামারী-৩), আবু হেনা মো. এরশাদ হোসেন (লালমনিরহাট-১), গোলাম রাব্বানী (রংপুর-৫), নুরুল আলম মুকুল (কুড়িগ্রাম-৪), মাজেদুর রহমান (গাইবান্ধা-১), আবদুর রহিম সরকার (গাইবান্ধা-৪), মুহাদ্দিস আবদুল খালেক (সাতক্ষীরা-২), গাজী নজরুল ইসলাম (সাতক্ষীরা-৪), হামিদুর রহমান আজাদ (কক্সবাজার-২), শামসুল ইসলাম (চট্টগ্রাম-১৫),

মনিরুজ্জামান মন্টু (নীলফামারী-২), ইকবাল হুসেইন (পাবনা-৫), মতিউর রহমান (ঝিনাইদহ-৩), আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদত হোসাইন (যশোর-২), আব্দুল ওয়াদুদ (বাগেরহাট-৩), আবদুল আলিম (বাগেরহাট-৪), রবিউল বাশার (সাতক্ষীরা-৩) ও শামীম সাঈদী (পিরোজপুর-১)।

তবে জামায়াতকে ছাড়ের কথা বলা হলেও এসব আসনের প্রতিটিতে ‘কৌশলগত’ কারণে বিএনপির এক বা একাধিক বিকল্প প্রার্থী রাখা হয়েছে বলে দলটিকে জানিয়েছে বিএনপি। নিবন্ধন না থাকায় বিএনপির কাছ থেকে চিঠি নিয়ে জামায়াত ৫৩টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে।

সূত্র মতে, এলডিপির যে চারজনকে বিএনপির পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত ছাড় দেওয়ার কথা বলা হয়েছে তাঁরা হলেন কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (চট্টগ্রাম-১৪), রেদোয়ান আহমেদ (কুমিল্লা-৭), শাহাদাত হোসেন সেলিম (লক্ষ্মীপুর-১), আবদুল করিম আব্বাসী (নেত্রকোনা-২)। তবে বয়স ও আর্থিক সংকটের কারণে আব্বাসীর আসন নিয়ে এখন আর খুব বেশি আগ্রহী নয় এলডিপি। এরই মধ্যে বিষয়টি নিয়ে দলটির নেতারা বিএনপির সঙ্গে আলোচনাও করেছেন। জানা যায়, এলডিপি আরো অন্তত তিনটি আসনের জন্য বিএনপির সঙ্গে দর-কষাকিষি করবে।

এলডিপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদত হোসেন সেলিম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আমরা আরো আসন চাইব। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হবে আমাদের দলের সভাপতির সঙ্গে।’

এলডিপির এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, অলি আহমদ এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মধ্যে আলোচনার পর অন্যদের মনোনয়ন দেওয়া হবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

২০ দলীয় জোটের আরেক শরিক বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে ভোলা-১ আসনটি নিশ্চিত ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ওই আসনে অবশ্য পার্থর মা রেবা রহমানের নামেও মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দলটির পক্ষ থেকে সিরাজগঞ্জ-৭ আসনে শাহজাহান সিরাজ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে ফায়জুল হকের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। তবে বিএনপি এ ব্যাপারে ছাড় দেবে না বলে জানিয়েছে। অবশ্য ভোলার পাশাপাশি ঢাকা-১৭ আসনটিও পার্থর জন্য বিজেপি চাইছে এবং ওই আসনেও মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। তবে আসনটি এখনো নিশ্চিত হয়নি।

২০ দলীয় জোটের শরিক অন্য দলগুলোর জন্য একটি বা দুটি করে আসন ছেড়ে দিতে চায় বিএনপি। এগুলোর মধ্যে কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মে. জে. (অব.) মুহাম্মদ ইবরাহিমকে চট্টগ্রাম-৫ এবং লেবার পার্টির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ইরানকে পিরোজপুর-২ আসনে মনোনয়ন মোটামুটি নিশ্চিত করা হয়েছে। কিন্তু ইরানের ওই আসনে বিকল্প রাখা হয়েছে সোহেল মঞ্জুর সুমনকে। কল্যাণ পার্টির পক্ষ থেকে আরো চারটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু চূড়ান্ত মনোনয়নের সময় সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইবরাহিম। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম-৫ আসনটি আমাকে নিশ্চিত করা হয়েছে।’

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ ওয়াক্কাসকেও ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে যশোর-৫ আসনটি; যদিও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বিএনপি জানায়নি।

সূত্র মতে, প্রয়াত শফিউল আলম প্রধানের দল জাগপাকে একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার আলোচনা চলছে বিএনপিতে। তবে ওই দল থেকে প্রধানের মেয়ে ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান পঞ্চগড়-২ এবং প্রধানের ছেলে আল রাশেদ প্রধান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পঞ্চগড়-১ আসন থেকে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলেও জাগপার পঞ্চগড়-২ আসন থেকেই মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ পঞ্চগড়-১ আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী রয়েছেন ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের ছেলে ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।

জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) প্রথমে ১৬টি আসন দাবি করলেও পরে পাঁচটির জন্য বিএনপির কাছ থেকে চিঠি নিয়ে মনোনয়নপত্র নিয়ে জমা দেয়। তবে জানা যায়, পাঁচটিতে মনোনয়ন দলটিকে শেষ পর্যন্ত দেওয়া হবে না। কারণ দলটির প্রবীণ নেতা মোস্তফা জামাল হায়দার মনোনয়ন চাইছেন পিরোজপুর-১ আসন থেকে, যেখানে এরই মধ্যে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদীর মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া চাঁদপুর-৩ আসন থেকে দলটির নেতা এস এম এম আলমের মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে। কিন্তু ওই আসনে বিএনপির শক্তিশালী নেতা শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মনোনয়ন নিশ্চিত করা হয়েছে। এর বাইরে ড. টি আই এম ফজলে রাব্বি চৌধুরীর জন্য গাইবান্ধা-৩, আহসান হাবিব লিঙ্কনের জন্য কুষ্টিয়া-২ এবং আলহাজ মো. সেলিম মাস্টারের জন্য বাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসন দাবি করছে দলটি। কিন্তু কোনো একটি আসন এখনো নিশ্চিত হয়নি।

খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে ১৭টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হলেও এখনো একটি আসনেও মনোনয়ন নিশ্চিত করেনি বিএনপি।

সংকট বেশি ঐক্যফ্রন্ট নিয়ে : নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলো থেকে জানা যায়, আসন বণ্টন নিয়ে ২০ দলীয় জোটের তুলনায় নতুন গঠিত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে নিয়ে সংকট বেশি তৈরি হয়েছে। এ কারণে ওই জোটের দলগুলোর সঙ্গে সিরিজ বৈঠকে এখনো চলছে দর-কষাকষি। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ২৮ নভেম্বরের আগে বেশ কয়েক দফা বৈঠক করেও আসন বণ্টনের বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়ায় ফ্রন্টের প্রতিটি দল আলাদাভাবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। ইসি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য মতে, গণফোরাম ৬১, জেএসডি ৫১, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ৩৭টি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।

তবে নিবন্ধন না থাকায় বিএনপির কাছ থেকে চিঠি নিয়ে নাগরিক ঐক্য ৯টি আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছে। এর মধ্যে কোনোটিরই মনোনয়ন চূড়ান্ত হয়নি। বিএনপি সূত্র মতে, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ (বগুড়া-২) দলটিকে তিন-চারটি আসন ছেড়ে দেওয়া হবে।

মাহমুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিএনপির মনোনয়নপত্র নিয়েই তা দাখিল করা হয়েছে। এখন তারা এখান থেকে বাদ দেবেন কি না জানি না। তবে আলোচনা চলছে।’

এদিকে বিভিন্ন দল থেকে ক্ষুব্ধ ও মনোনয়নবঞ্চিত অনেকে গণফোরামে যোগদান করলেও দলটিতে নিশ্চিত জয়লাভ করবেন এমন প্রার্থী কম বলে মনে করছে বিএনপি। দলটির প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন নির্বাচনই করতে চাইছেন না। সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মণ্টুর জন্য নিশ্চিত ও জুৎসই আসন পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি প্রথমে ঢাকা-২ ও ঢাকা-৩ এই দুটি আসনে আগ্রহের কথা জানালেও এখন সেখান থেকে সরে এসেছেন বলে জানা যায়। বিএনপি চায় মন্টু ঢাকা-৭ আসনে নির্বাচন করুন। দলটির গুরুত্বপূর্ণ আরেক নেতাকে বিএনপি ঢাকা মহানগরীর একটি আসনে নির্বাচন করতে বলছে। ঐক্যফ্রন্ট নেতা সুলতান মোহম্মদ মনসুরের জন্য মৌলভীবাজার-২ আসনটি মোটামুটি নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বিএনপি নেতারা বলছেন, আসন বণ্টনের বিষয়ে গণফোরামের ভূমিকা তেমন ‘কঠোর’ নয়। ফলে এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে বলে মনে করে দলটি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ প্রসঙ্গে কালের কণ্ঠকে বলেন, গণফোরামসহ ঐক্যফ্রন্টের বেশির ভাগ দলই দায়িত্বশীল। তিনি বলেন, ‘আসন বণ্টন একটি জটিল বিষয় হলেও এ সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারব। কারণ সবাই বাস্তবতা এবং দেশের উদ্ভূত সংকট সম্পর্কে ওয়াকিফহাল। আশা করছি, দু-এক দিনের মধ্যেই সব কিছু নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।’

এদিকে জেএসডিকে আ স ম আবদুর রব ও আবদুল মালেক রতনের আসনসহ তিনটির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয় বিএনপি। কিন্তু দলটি পাঁচ থেকে সাতটি আসনের জন্য দর-কষাকষি করছে। তা ছাড়া রবের দাবি করা লক্ষ্মীপুর-৪ আসন নিয়েই জটিলতা সবচেয়ে বেশি তৈরি হয়েছে। ওই আসনে বিএনপির শক্তিশালী প্রার্থী হলেন আশরাফউদ্দিন নিজান, যিনি বিএনপির সবচেয়ে কঠিন সময় ২০০৮ সালের নির্বাচনেও জয়লাভ করেছেন। রব এবার ওই আসনে নির্বাচন করতে চাওয়ায় বেশ সংকটে পড়েছে বিএনপি।

জানা গেছে, রবের আসন ছাড়াও আবদুল মালেক রতনের জন্য কুমিল্লা-৪, অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফের জন্য লক্ষ্মীপুর-১, শহিদউদ্দিন স্বপনের জন্য ফেনী-৩ আসন, তৌহিদ হোসেনের চুয়াডাঙ্গা-১ আসনসহ আরো বেশ কয়েকটি আসন দাবি করছে জেএসডি। একটি সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যে দলটির পক্ষ থেকে বিএনপিকে বলা হয়েছে, রবের আসনে মনোনয়ন না দেওয়া হলে তারা ঐক্যফ্রন্ট ত্যাগ করবে।

সূত্র মতে, বিষয়টি জেনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আশরাফউদ্দিন নিজান লন্ডনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে একটি ‘আবেগপ্রবণ’ চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তারেককে উদ্দেশ করে নিজান বলেন, ‘দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং আপনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা ত্বরান্বিত করতে উদ্ভূত এই পরিস্থিতিতে ত্যাগ স্বীকার করতে আমি রাজি আছি। আমি মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করে নেব।’

এদিকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীকে নিয়েও বিএনপি বেশ ঝামেলায় আছে। বিএনপির সিনিয়র নেতাদের অনেকেই মনে করেন, দর-কষাকষির ক্ষেত্রে দলটির নেতারা কঠোর অবস্থান নিতে পারেন। এমনকি ‘হঠকারী’ হওয়াও অসম্ভব নয় বলে কেউ কেউ মনে করেন। সূত্র মতে, কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ এবং টাঙ্গাইল-৮ দুটি আসনেই মনোনয়ন চাইছেন। তবে বিএনপি এখনো নিশ্চিত কোনো ছাড়ের কথা জানায়নি।
সূত্র : কালের কন্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ