Skip to main content

লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখন আওয়ামী লীগের বিপরীতে : নাঈমুল ইসলাম খান

উল্লাস মূর্তজা : ‘দৈনিক আমাদের নতুন সময়’ এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখন আওয়ামী লীগের বিপরীতে। জামায়াত ইসলামী বিএনপির প্রতিকে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করছে। তাছাড়া ১৯৭৫-১৯৯৬ এই একুশ বছর দেশটা অন্য ধারায় শাষিত হয়েছে। সেই জেনারেশন অন্য ধারার শিক্ষা পেয়ে বড় হয়েছে। আমাদের মৌলিক জায়গাটা মুক্তিযুদ্ধ। কারণ মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা বাকি জিনিসগুলো তার ওপরে তৈরি করা। রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে দেশ স্বাধীন হবার পর স্বাধীনতা বিরোধীরা নির্বাচন করবে, রাজনীতি করবে, সমান অধিকারের জায়গায় আসবে পৃথিবীর কোথাও এ নজির নেই। বৃহস্পতিবার ‘৭১ টিভি’র ‘৭১ জার্নাল’ টকশোতে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ সরাসরি করেনি কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছে এবং পাকিস্তানী বাহিনীকে নৈতিক এবং সক্রিয়ভাবে সাহায্য করেছে, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করতে সাহায্য করেছে এদেরকে বিচারের আওতায় আনার কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। তাদের ভোটাধিকার থাকুক, জীবন জীবিকার অধিকার থাকুক। তাদের নির্বাচনে প্রতিদন্দিতা করার সুযোগ থাকা উচিৎ নয়। এটা ধাপে ধাপে করতে হবে যা নির্ভর করবে কে কতটা অপরাধ সংগঠিত করেছে তার উপর। নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, বাবার অপরাধের দায়ভার সন্তান কখনও বহন করেনা। পিতার সব কিছুর উত্তরাধিকারী হয় সন্তান। কিন্তু এক্ষেত্রে ঐ সন্তানকে সম্পূর্ণ বিবরণ দিতে হবে যে, আপনি পিতার রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী না। যদি কোনো যুদ্ধাপরাধীর সন্তান রাজনীতিতে আসে তাকে জনসম্মুখে বলতে হবে, ৭১ এর আপনার বাবার ভুমিকার মূল্যায়ন কীভাবে করেন। এটার ব্যাখ্যা দেওয়া জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের রাজনীতি করতে কোনো বাধা নেই, কিন্তু এটা তার আবশ্যিক দায়িত্ব। এটা আইনিভাবেই করা যেতো। এখন এটা অনেক স্পর্শকাতর ব্যাপার হয়ে গেছে। যদিও মানবতা বিরোধী অপরাধের রায় কার্যকর হবার পর দৃশ্যপট অনেকটা বদলেছে। যাতে মানবতা বিরোধী অপরাধীরা কোনো প্রকার ইন্সটিটিউশন করতে না পারে সেদিকে সরকারের নজর দেওয়া উচিৎ। তিনি আরও বলেন, জামায়াত ইসলামীর নিবন্ধন নাই। মানে তারা নির্বাচন কমিশনের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবে না। জামায়াত ইসলামী এখন নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে তার সদস্যরা। তার সদস্যরা অন্যদল থেকে কীভাবে নির্বাচন করে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি কোর্টে গেলে কোর্ট একটা রায় দিবে, সেটা সময় সাপেক্ষ। আমাদের কোর্ট থেকে এ ধরনের রায়ই আসার কথা। ব্যারিষ্টার তুরিন আফরোজ এ প্রসঙ্গে বলেন, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ তারিখ যেহেতু ৯ ডিসেম্বর, তাই এখনও কোর্টে রিট করে ফলাফল পাবার সুযোগ আছে। এ প্রসঙ্গে নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, তবে সে ব্যাপারে অবশ্যই একজন শিক্ষিত ব্যক্তি বা আইনজীবি হতে হবে। অন্যথায় হিতে বিপরিত হবার সম্ভাবনা থাকবে।

অন্যান্য সংবাদ