প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘আইনের অপপ্রয়োগে মানুষকে বিপর্যস্ত করা সরকারের অপূর্ব আবিষ্কার’

মারুফুল আলম : গণস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ট্রাস্টি ড. জাফরুল্লাহ বলেছেন, আইনের অপপ্রয়োগ করে মানুষকে বিপর্যস্ত করা, এটি একটি সরকারের অপূর্ব আবিষ্কার। কার বুদ্ধিতে কেন করেছে জানি না। অথচ এ মাটিতে নির্বাচনটা সুন্দরভাবে কিভাবে হবে সেটাই এখন চিন্তার বিষয় ছিলো। শুক্রবার চ্যানেল আই তৃতীয় মাত্রা অনুষ্ঠানে তিনি আরো বলেন, কৃষক, শিক্ষিত-বেকার, নারীর উত্তরাধিকার সম্পর্কে কারও কোনো চিন্তাই নেই। নারীদের জন্য আমরা এত কথা বলি, কিন্তু নারীদের উত্তরাধিকারের কথা কাউকে বলতে শুনি না। সাহস করে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কেউ কথাই বলে না। কথায় কথায় খালি বিএনপির সাথে পাকিস্তানকে টানে আর তারা নাকি ধর্মকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। এসব অপ্রয়োজনীয় কথা।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এখনো হয়নি, হবার লক্ষণও নেই। দিনদিন সেটিকে আরো খারাপের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বিভিন্নভাবে অত্যাচারের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যেমন আজকে সারাটা দিন ঝামেলায় ছিলাম, কোথায় কোন একজন লোক যার সাথে আমার সম্পর্ক নাই, আমার নামে মামলা করে দিয়েছে। পুলিশও আমলে নিয়েছে। প্রত্যেকটি জায়গাতে সরকার মানসিকভাবে, সরাসরি এবং বিভিন্নভাবে নির্যাতন করছে। হাজার হাজার মানুষ এরকম সমস্যায়। এটাতো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর নমুনা না। তারপরও বলি, মানুষ সামনের দিকে তাকিয়ে আছে।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা আজকে নেই। পুলিশ-র‌্যাবের কথিত বন্ধুক যুদ্ধ, বিচার বহির্ভূত হত্যা এসব কোনক্রমেই গ্রহণযোগ্য না। বিচারবহির্ভূতভাবে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করা হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে চলছে অন্তহীন হয়রানী। এভাবে দেশ চলতে পারে না। এসব কারণে মানুষের ক্ষোভ বেড়ে গেছে। মানুষ এখন পরিবর্তন চায়। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন সুষ্ঠু করার সামর্থ নেই, ইচ্ছা নেই, বিবেক নেই, মন নেই।

জামায়াত প্রসঙ্গে ড. জাফরুল্লাহ বলেন, নির্বাচনে ইনডিভিজুয়ালি আসা আর জামায়াত হয়ে আসা এক কথা না। আমি এটাকে অন্যভাবে দেখি। আজকে চিন্তা-চেতনায় মানুষের পরিবর্তন হতে পারে কি না সেটাও দেখা দরকার। ধরেন আমার বাবা ডাকাতি বা মানবতা-বিরোধী কাজ করেছে, সেজন্য তাকে শাস্তি হিসেবে ফাঁসি দেয়া হয়েছে। যদিও দুয়েকটি বিচার প্রশ্নবিদ্ধ।

আপনারা কি তাহলে জামায়াতকে এখন স্বাধীনতা-বিরোধী মনে করেন না? জবাবে ড. জাফরুল্লাহ বলেন, ইনডিভিজুয়াল এবং দলীয়ভাবে জয়েন এর মধ্যে পার্থক্য আছে। এখানে জামায়াত জয়েন করেনি। এরা হয়তো অতীতে জামায়াত করতো। শফিকুর রহমানের কথা ধরি। সে তো জামায়াত হিসেবে আসেনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ