প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সীরাত
শ্রমজীবী মানুষকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতেন রাসূল সা.

আল-আমিন : রাসূল (সা.) শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষকে অত্যন্ত সম্মানের দৃষ্টিতে দেখতেন। কারণ, যারা সৃষ্টির কল্যাণের জন্য নিজেদের তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়, তারা আল্লাহর কাছেও মর্যাদার অধিকারী। রাসূল (সা.) বলেন,‘এর চেয়ে উত্তম খাদ্য আর নেই, যা মানুষ স্বহস্তে উপার্জনের মাধ্যমে করে।’

হযরত আদম (আ.) কৃষক ছিলেন। হযরত নুহ (আ.) কাঠ মিস্ত্রি ছিলেন। হযরত দাউদ (আ.) কর্মকার ছিলেন। হযরত ইদ্রিস (আ.) দর্জি ছিলেন। হযরত ইব্রাহিম (আ.) রাজমিস্ত্রি ছিলেন। হযরত ইসমাঈল (আ.) রাজমিস্ত্রির যোগাড়ী ছিলেন। হযরত মুছা (আ.) ছাগলের রাখাল ছিলেন। হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছাগল চরিয়েছেন।

ইসলাম শ্রমকে যেমন মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছে, তেমনি শ্রমিকের অধিকার আদায়ের ব্যাপারেও ইসলামে রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। রাসূল (সা.) বলেন,‘তোমাদের অধীনস্থ ব্যক্তিদের আপন সন্তানদের মতো স্নেহ-সমীহ কর। আর নিজেরা যা খাও তাদেরও তাই খাওয়াও’।

শ্রমিকের মজুরি যথাযথ আদায় না করার পরিণতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভয়াবহ কেয়ামতের দিন আমার মমতাময়ী আশ্রয় থেকে সেই ব্যক্তি বঞ্চিত হবে যে কোনো শ্রমিককে নির্ধারিত পারিশ্রমিক দেয়ার চুক্তিতে নিয়োগ করে, অতঃপর তার কাছ থেকে পূর্ণ শ্রম ও কাজ আদায় করে নেয়, কিন্তু তাকে (পূর্ণ) পারিশ্রমিক দেয় না’। শ্রমিকের ন্যায্য প্রাপ্য মজুরি পরিশোধের বিষয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,‘শ্রমিকের শরীরের ঘাম শুকানোর আগেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দাও’ (ইবনে মাজাহ)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ