Skip to main content

চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে সাজা দেয়া সমীচীন নয় : ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী

উল্লাস মূর্তজা : দৈনিক দিনকাল এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী বলেছেন, চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত কোনো ব্যক্তিকে সাজা দেয়া সমীচীন নয়। রফিকুল ইসলাম মিয়ার নিম্ন আদালতে রায়ের পরদিনই গ্রেফতার করা হয়েছে। বলা হয়েছে তিনি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন না। রফিকুল ইসলাম মিয়া অবশ্যই আপিল করবেন, আপিল গৃহীত হলে সাজাতো তার উপর কার্যকর করা যাবে না। বুধবার ‘ডিবিসি নিউজের’ ‘সংবাদ সম্প্রসারণ’ টকশোতে তিনি এসব কথা বলেন । তিনি বলেন, এখানে ২টি ব্যাপার রয়েছে, যখন আপিল গৃহিত হয়, মানে ঐ ব্যক্তির মামলার কার্যক্রম চলমান থাকবে, সেই মামলার নিস্পত্তি হয়েছে সেটা ভাবার আর কোনো সুযোগ নেই। এটা শীর্ষ আদালতেরই রায়। অপরটি হলো, সাজা যদি হয়ে যায়, সেই সাজা প্রত্যাহার বা স্থগিত না হওয়া পর্যন্ত সাজা হয়েছে ধরে নিতে হবে। বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতাদেরকে কার্যত দূরে রাখতেই এ ধরনের ব্যবস্থা করেছে সরকার। তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগের অনেক নেতার বিরুদ্ধে এমন মামলা রয়েছে যেমন, মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া, মহিউদ্দিন খান আলমগীর এরা সবাই দণ্ডিত, তারপরো কিন্তু তারা নির্বাচন করেছেন, মন্ত্রী হয়েছেন। আপিল গৃহীত হলে মামলার কার্যক্রম চলমান থাকবে এ কথা সুপ্রিম কোর্ট আগে কখনো বলেনি, এবারই প্রথম। সেক্ষেত্রে বিচার প্রার্থীর অনুকূলে হওয়া উচিৎ রায়। অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্যে, মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। এরই প্রতিক্রিয়ায় ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী বলেন, একসময় মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া শাস্তিরতো অবস্থায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছেন। এখন তার বিরুদ্ধে মামলা নেই, হাইকোর্ট থেকে খারিজ হয়ে গেছে। তাহলে এখন তাকে আটকানোর মানে কি। এখন পর্যন্ত বেগম খালেদা জিয়ার মামলার কার্যক্রম নিম্ন আদালতে হয়েছে। যৌক্তিক বিষয়টা হচ্ছে, আপিল গৃহীত হলেই মামলার কার্যক্রম চলমান থাকবে। বেগম খালেদা জিয়ার উচ্চ আদালতে দণ্ডিত হলেও আরো আদালত আছে। নিম্ন আদালতে ফাঁসির রায় হবার পরে উচ্চ আদালতে বেকসুর খালাস হবার বহু নজির রয়েছে। নিম্ন আদালতে ফাঁসির রায় হবার পরেই যদি দণ্ডিত ব্যক্তিকে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলিয়ে দেন সেটা তো কোনো যৌক্তিক ব্যাপার না।

অন্যান্য সংবাদ