প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভালো উদ্যোগ : আওয়ামী লীগ
ভোট দিতে অনাগ্রাহী ভোটাররা : কাজী ফিরোজ রশিদ

হুমায়ুন খোকন: নগর ও শহরভিত্তিক ছয়টি আসনে ইলেকট্রোনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ভোট হবে। আসনগুলো হলো – ঢাকা-৬ ও ১৩, চট্টগ্রাম-৯, রংপুর-৩, খুলনা-২ এবং সাতক্ষীরা-২। সংশ্লিষ্ট এলাকার আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা বলছেন, এটি ভালো উদ্যোগ। জাতীয় পার্টি প্রার্থী বলছেন, বিষয়টি অসস্পষ্ট। ভোটাররা ভোট দিতে অনাগ্রহী।

ঢাকা-৬ আসনে মহাজোটের প্রার্থী (জাতীয় পার্টি) কাজী ফিরোজ রশিদ। কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, আমি নিজে প্রার্থী হয়েও এ সম্পর্কে কিছু জানি না, কিভাবে ভোট দিবো। বিষয়টি অস্পষ্ট। এলাকার ভোটাররাও অনাগ্রহী এভাবে ভোট দিতে। তারা বলছেন, ভোট কি মেশিনের মাধ্যমে আবার নিয়ে যাবে নাকি?।

তিনি বলেন, নির্বাচনি এলাকার ভোটাররা আইটি বিষয়ে অভিজ্ঞতা কম। তারা জানে না কিভাবে ভোট দিবেন। তারা এখন চিন্তায় পড়ে গেছেন, নানা কথা বলছেন। এগুলো এভাবে না দিয়ে সমন্বিতভাবে সকলকে শিখিয়ে দেওয়া উচিৎ ছিল। এ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ও কাজী আবুল বাশার। তাদের দুইজনকে সেল ফোনেও পাওয়া যায়নি।

ঢাকা-১৩ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদেক খান। ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমরা খুশি। এটি ভালো উদ্যোগ। আমরা আনন্দিত, এই এলাকায় প্রথম ইভিএমে ভোট শুরু হচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের আমরা যে স্বপ্ন দেখেছিলাম, এটি সেই সফল উদ্যোগ। তবে এই নির্বাচনি এলাকাটিতে মেহনতি শ্রমিকের সংখ্যা বেশি, শিক্ষিত লোক কম, শ্রমিক অধুষ্যিত, তাই তাদের বিষয়টি মাথাও রাখতে হবে। কারণ তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়টি তারা বুঝে কম।

এই আসনে বিএনপি’র প্রার্থী আবদুস সালাম। তিনি বলেন, আমি সিলেটে আছি। এখন এই বিষয়ে কথা বলতে পারবো না।

চট্টগ্রাম-৯ আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এই এলাকায় ইভিএমে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্তে আমরা খুব খুশি। নির্বাচন কমিশনের এটি জনবান্ধব সিদ্ধান্ত। দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে এই তথ্যপ্রযুক্তির খুব প্রয়োজন। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে দাবির প্রেক্ষিতে তা ব্যাবহার করা হচ্ছে। এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে ধন্যবাদ। নির্বাচনের পর

প্রার্থীরা যে অভিযোগ করে, তখন ব্যালট চুরি বা অন্যান্য কাজ করা সম্ভব হবে না। তাই ইভিএমে সকলের উচিৎ সহযোগিতা করা। এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেয়েছেন ড.শাহাদত হোসেন ও সাইফুল আলম। তাদেরকে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করেও সেল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ