প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

২০০৮ সালের নির্বাচনে সিইসি আমার র্নিবাচনী কৌঁসুলি ছিলেন : গোলাম মাওলা রনি

যুগান্তর :  সদ্য বিএনপিতে যোগদান করা আলোচিত পটুয়াখালী-০৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনি বলেছেন-সিইসি ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ র্নিবাচনে আমার প্রধান র্নিবাচন কৌঁসুলি ছিলেন। এ সময় আমার বাসায় অন্তত ১৫ দিন বসবাস করে আমাকে র্নিবাচনী কাজে পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছেন। মানুষ হিসেবে তিনি অনেকটাই ভালো এবং আমার সঙ্গে তার সুসর্ম্পক রয়েছে। সে ক্ষেত্রে আমার র্নিবাচনে কোনো প্রকার নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা নেই।

বুধবার রাতে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর বাসভবনে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এ সময় তিনি আরও বলেন, পটুয়াখালী-৩ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন পাওয়া এসএম শাহাজাদা সাজু সিইসির ভাগ্নে হলেও আমি তার কাছে কম নয়। তার সঙ্গে আমার অনেক আগে থেকেই পরিচয়। তখন তিনি সিইসি ছিলেন না। এখন তিনি সিইসি, তবে আমার কাছে তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধা নুরুল হুদা। তাই তার ভেতরে ক্যাপ্টেন নুরুল হুদা বসত করলে আমার র্নিবাচনে মাঠে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পরার আশঙ্কা নেই।

রনি বলেন, তবে আমার ধারনা তিনি আগের নুরুল হুদাই আছেন। জাতীয় একাদশ সংসদ র্নিবাচনে তিনি কোনো প্রকার বিতর্কিত হবেন না। এমন কি তার ভাগ্নের জন্যও না। কারণ তার ভেতরে সেই ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো এখন বিরাজমান।

এ সময় গণমাধ্যমকর্মীরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের সিইসিকে নিয়ে নেতিবাচন ধারনা রয়েছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ড. কামাল ৩শ আসন নিয়ে ভাবেন, আর আমি একটি আসন নিয়ে ভাবি। তিনি একটি বিশাল সমুদ্রের জায়গায় অবস্থানরত। তার বুকে ভেসে যাওয়া আমি একটি চিনা বাদামের খোসা মাত্র। তার ভাবনার সঙ্গে আমার ভাবনা সঙ্গে অমিল থাকতেই পারে।

নির্বাচনী এলাকায় কবে যাবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রতীক পাওয়ার পরে আনুষ্ঠানিকভাবে এলাকায় যাব। কারণ আমার পটুয়াখালী-৩ আসনে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

এদিকে পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী বলেন, গোলাম মাওলা রনি আমাদের দলে সদ্য যোগদান করেছে। তাই তাকে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করে নিলাম।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়াহিদ ছরোয়ার কালাম, সাংগঠনিক সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান টোটন, দফতর সম্পাদক গোলাম রহমান ও জেলা বিএনপির অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

উৎসঃ যুগান্তর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ