Skip to main content

ভোগান্তিতে ২য় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের পাইকার, আড়ৎদার ও শ্রমিকরা

কান্তা রায় : বাংলাদেশের ২য় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র বরগুনার পাথরঘাটা। এখানে প্রতি বছরই মাছ বিক্রি ও মৎস্যজীবীর সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে সরকারি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণও। কিন্তু মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটির উন্নয়ন না হওয়ার ফলে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন পাইকার, আড়ৎদার ও শ্রমিকরা। মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন বলছে, ধাপে ধাপে পূরণ করা হবে মৎস্যজীবীদের চাহিদা। সূত্র : সময় টিভি বরগুনার পাথরঘাটা মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রটির সমুদ্রের খুব কাছে অবস্থিত। তাই গভীর সমুদ্রে ধরা মাছ খুব সহজে বিক্রি করতে পারায় প্রতিনিয়তই মাছ ভর্তি ট্রলার নিয়ে এখানে ভিড় করেন জেলেরা। মাছ বাড়ার সাথে সাথে পাইকারি এ বাজারে বেড়েছে আড়ৎদারের সংখ্যাও। শুরু থেকে মাত্র ৩শ ৫০ টাকা ফি দিয়ে ২৭ জন আড়ৎদার অবতরণ কেন্দ্র ভবনে আড়ৎদারির সুযোগ পাচ্ছেন। আর বাকি ৫১জন আড়ৎদার বাজারের আশপাশে মোটা অংকের টাকা দিয়ে ভাড়া থাকছেন। অন্যদিকে টলঘরে ঠাসাঠাসি করে আড়ৎদাররা মাছ বিক্রি করলেও কেনা মাছ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে প্যাকেট করার যায়গা নেই পাইকারদের। ২শ‘র উপরে পাইকার থাকলেও সম্প্রতি একটি টলঘরে যায়গা হয়েছে মাত্র ৩ জন পাইকারের। বাকিরা গাছের নিচে বা রাস্তার পাশে মাছ প্যাকেটিং করেন। এদিকে বরগুনা পাথরঘাটা মৎস্য উন্নয়ন কর্পরেশনের ব্যবস্থাপক লেফটেনেন্ট এম নুরুল আমিন জানিয়েছেন, আস্তে আস্তে মৎস্যজীবীদের জন্য সুযোগ সুবিধা বাড়ানো হবে। এ অবতরণ কেন্দ্রটি ১৯৮১ সালে দক্ষিণাঞ্চলের মৎস্যজীবীদের জন্য চালু করা হয়। শুরু থেকে এখানে বিক্রিত মাছের মূল্য থেকে ১ টাকা ২৫ পয়সা হারে রাজস্ব আদায় করে সরকার। বছর শেষে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ শুরুর দিকে লক্ষ লক্ষ টাকা থাকলেও বর্তমানে তা কোটি কোটিতে এসে দাঁড়িয়েছে। বছর প্রতি রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ বাড়লেও রাজস্বের বিপরীতে মৎস্যজীবীদের যে সকল সুযোগ সুবিধা পাওয়ার কথা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অধিকাংশ মৎস্যজীবীরা।

অন্যান্য সংবাদ