প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সন্দেশ ডেস্ক : আলু খেয়ে ওজন বাড়ার কারণ হচ্ছে এই সবজির অস্বাস্থ্যকর রান্না পদ্ধতি। প্রতিদিনের তরকারিতে বেশিরভাগ সময় আলু ব্যবহার করা হয়। আলুতে রয়েছে নানান পুষ্টিগুণ। আবার শুধু আলু খেয়েও ওজন কমানো যায়। পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে –

শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমাতে কিছু না ভেবেই অনেকেই আলু খাওয়া বন্ধ করে দেন। তাদের ধারণা, আলুই মেদবৃদ্ধির বড় কারণ। তবে গবেষণা বলছে ঠিক তার উল্টো কথা। পর পর পাঁচ দিন নিয়ম মেনে আলু খেলে ম্যাজিকের মতো কমবে ওজন।
তবে মনে রাখতে হবে আলুর সুস্বাদু তরকারি, মশলাদার পদ খেলে হবে না। ইউরোপীয়ান ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিলের মতে, সাধারণ আলু সেদ্ধ খেয়েই ডায়েট কন্ট্রোল ও হেলথ ম্যানেজমেন্ট সম্ভব। আলু শুধু ওজন কমায় না সেই সঙ্গে শরীরকে সতেজ রাখতেও সাহায্য করে। কোমরের মেদ কমানোর জন্যও আলুর ডায়েট খুব উপকারী। তবে আলু খাওয়ার ছয়টি পরামর্শ হলো-

১. টানা তিন থেকে পাঁচ দিন পেট ভরে আলু সেদ্ধ খেতে হবে।
২. এই সময়ে অন্য কোনো খাবারই খাওয়া যাবে না।
৩. এর সঙ্গে খুব দরকার হলে সামান্য পরিমাণে লবন নেওয়া যেতে পারে।
৪. চা, কফি পান করা যাবে। তবে কোনোভাবেই দুধ নয়।
৫. এই পাঁচদিন কোনো ভারী ব্যায়াম করা যাবে না। হালকা হাঁটাচলা করা যাবে।
৬. তবে নিত্য ব্যবহারের ওষুধ খেতেই পারেন। ফুড সাপ্লিমেন্ট নয়।

তবে একটানা দুই-তিন দিন আলু খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। এই বিষয়ে ‘হার্ভার্ড হেলথ পাবলিকেশন’-এ প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, আলু-ভাজা বা বেইক যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন তা রক্তে শর্করা বাড়ায়। কেবল আলু খেয়ে স্বাস্থ্যকর ডায়েটে খুব বেশি প্রভাব রাখে না। শুধু আলুর ওপর নির্ভর করে ডায়েট তৈরি করা বোকামি হবে। কারণ আলু দেহের সার্বিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ করতে পারে না।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত