প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জামায়াত যে একটি বড় দল, বিএনপি রিকগনিশনটা করে দিলো

কামরুল হাসান মামুন, ফেসবুক থেকে: দেশের রাজনীতির একটি পজিটিভ পরিবর্তন লক্ষ্য করে একটু ভালো লাগছিল। বিএনপির জন্মের পর থেকেই এই দলকে ধরা হতো সেন্ট্রাল রাইট পার্টি। অর্থাৎ এই দলটির সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি একটু বেশি ডান দিকে হেলানো। কিন্তু এইবার এই দলটি গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, জাসদ ইত্যাদি দলের সাথে জোট করায় এর একটি শিফট লক্ষণীয় ছিল। দল হিসাবে জামায়াত নিবন্ধন হারিয়েছে। এর সাংগঠনিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে। জাতীয় রাজনীতিতে জামায়াতকে অনেকটা মূল্যহীন করার এই ঐতিহাসিক এই সুযোগটি বিএনপি নিতে পারত। কিন্তু তাদের ২৫টি আসন দিয়ে জামায়াত যে এখনো একটি বড় দল বিএনপি প্রকারন্তরে সেই রিকগনিশনটা দিয়ে দিলো।

বর্তমান অবস্থায় বিএনপি যতটা আলোচনায় এসেছে সেটা তার বাম দিকে শিফ্টের কারণে। নড়বড় অবস্থা থেকে মোটামোটি একটি শক্তিশালী অবস্থানে আসার কারণ তাদের বাম দিকে শিফট। এই দলগুলোর আমজনতার মাঝে ভোটের মাপে একটু কম জনপ্রিয়তা হয়ত একটু কম কিন্তু এরা মানুষকে polarize করতে বা ওপিনিয়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম। এইসব দলে যেই নেতাগুলা আছে তাদের এধরনের কারিশমা আছে। বিএনপি একটি ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছিল দলটিকে জামায়াত তকমা থেকে কিছুটা হলেও মুক্ত করতে। তাছাড়া বর্তমান বাম ঘেঁষা দলগুলো যাদের সাথে এরা ঐক্যফ্রন্ট গঠন করেছে তাদের প্রতি একটু কৃতজ্ঞতা প্রকাশও হতো। বর্তমান বিএনপি শিবিরে যেই জাগরণ এসেছে সেটা জামাতের কারণে না বরং বাম ঘেষাদের কারণে।

আবার আওয়ামী লীগ হলো সেন্ট্রাল লেফট পার্টি। অর্থাৎ এই দলটির সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি একটু বেশি বাম দিকে হেলানো। কিন্তু এইবার তাদেরকে একটু ডান দিকে হেলে যেতে দেখলাম যা বাংলাদেশের রাজনীতির গুণগত মানকে নামিয়ে দিবে। খেলাফত, তরিকত ইত্যাদি ইসলামিক দল তাদের কতটুকু ভোটসংযোগ ঘটাবে আমার সন্দেহ। তাই এই শিফটের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের খুব একটা লাভ তো হয়ই নি বরং ক্ষতি হয়েছে। এই ধর্মীয় তকমা বা তিলক কপালে এঁটে গেল এটা ভবিষ্যৎ আওয়ামী লীগকে ভোগাবে নিশ্চিত। সম্পাদনা : খন্দকার আলমগীর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ