প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কোনো পার্লামেন্ট সদস্যের বিবৃতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের নয়

তরিকুল ইসলাম : ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এর (ইপি) কোনো সদস্যের বাংলাদেশের একাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার বা নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো মন্তব্য করার এখতিয়ার নেই। যদি কোনো সদস্য নির্বাচন বিষয়ে বিবৃতি প্রদান করেন তবে তা ইউরোপীয় পার্লামেন্ট বা ইউরোপীয় ইউনিয়নের মত বলে গ্রাহ্য হবে না।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এর ডেমোক্রেসি সাপোর্ট অ্যান্ড ইলেকশন কোঅর্ডিনেশন গ্রুপের দু’জন সহযোগী চেয়ারপারসন ডেভিড ম্যাকঅ্যালিসটার ও লিন্ডা ম্যাক এভান এই বিবৃতি দেন। একাদশ জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি)। এমনকি নির্বাচন প্রক্রিয়া ও ফলাফল নিয়েও তারা কোনো মন্তব্য করবে না।

মঙ্গলবার ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো বার্তায় এমনটা জানিয়ে বলা হয়, ইউরোপীয় পার্লামেন্ট (ইপি) বাংলাদেশের একাদশ সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে না। ইপির এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এই নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং এর ফলাফল নিয়েও কোনো মন্তব্য করবে না তারা। গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইপি তাদের এ সিদ্ধান্ত জানায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ নির্বাচন নিয়ে ইপির কোনো সদস্যের মন্তব্য করারও সুযোগ নেই। কোনো পার্লামেন্ট সদস্যের এ নির্বাচন নিয়ে প্রতিক্রিয়া ইপির অথবা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রতিনিধিত্ব করে না। জাতীয় নির্বাচনে ইপির কোনো পর্যবেক্ষক পাঠাবে না বলে আগেই জানিয়েছিল। এখন নির্বাচন নিয়ে ইপি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করলো।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই নির্বাচন বিশেষজ্ঞ এখন ঢাকায়। বাংলাদেশের আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বের ও পরের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে মঙ্গলবার তারা ঢাকা এসেছেন। এরা হলেন ডেভিড নয়েল ওয়ার্ড এবং ইরিনি-মারিয়া গোওনারী। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই দুই বিশেষজ্ঞ’র প্রতিবেদনের প্রতি ভরষা করছে বলে জানিয়েছে একাধিক কূটনৈতিক সূত্র। প্রতিনিধিদ্বয় রাজনৈতিক দল, প্রধান বিচারপতি, পুলিশ মহাপরিদর্শক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং সিনিয়র রাজনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

কূটনৈতিক সূত্র বলছে, পরে এখানকার পরিস্থিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এই দুই বিশেষজ্ঞ ব্রাসেলসে ইইউ’র সদর দফতরে তাদের রিপোর্ট পেস করবেন। তবে পরিস্থিতির এবং প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী তারা বাংলাদেশে দীর্ঘদিন অবস্থান করতেন পারেন। বাংলাদেশে নিজেদের অভিজ্ঞতা নিয়ে কোনো সংবাদ সম্মেলন করবেন না তারা। তাদের এই সফরটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাদের দেওয়া রিপোর্ট বাংলাদেশের সঙ্গে ইইউ’র ভবিষ্যৎ সম্পর্কের উপর কিছুটা হলেও প্রভাব রাখবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ