প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঝুঁকির আশঙ্কায় দ্বিগুণ বরাদ্দ চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

বাংলা ট্রিবিউন : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝুঁকির আশঙ্কায় দ্বিগুণ বরাদ্দ চেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মঙ্গলবার (২৭ নভেম্বর) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুকূলে অর্থ বরাদ্দ সংক্রান্ত এক সভায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ ৪২৪ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে। এর মধ্যে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালাতেই খরচ হবে ৭৬ কোটি টাকা।

এ টাকা চেয়ে চাহিদা দেওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ এক চিঠিতে বলেছে, চলমান রাজনৈতিক ঘটনাবলীর কারণে আসন্ন সংসদ নির্বাচন অতীতের তুলনায় অনেক বেশি ঘটনাবহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ভোটের আগে ও পরে সাতদিন মাঠে থাকতে চায় পুলিশ।

অপরদিকে আনসার সদস্যরা চেয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪শ’ কোটি টাকা। আর বিজিবি চেয়েছে ৭৩ কোটি টাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘এ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা খাতে ৪১২ কোটি টাকাসহ মোট নির্বাচনি বরাদ্দ ৭০২ কোটি টাকা রাখা হয়েছে। কিন্তু সশস্ত্র বাহিনীসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রায় হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।’

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্বাচনে পুলিশের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬৫৭ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে এসপি থেকে তদূর্ধ্ব কর্মকর্তা রয়েছেন ৩৪৯ জন। নির্বাচনে কোস্টগার্ডের সদস্যরা কক্সবাজার, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখারীসহ উপকূলীয় এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন। তারাও মাঠে সাতদিন অবস্থান করতে চান। তবে এ বাহিনীর কতজন নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন তা জানা যায়নি।

জানা গেছে, এবার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য কমবেশি ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা রয়েছে। তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট বরাদ্দ চাওয়া হয়নি। ইসির কর্মকর্তারা জানান, সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে যে বরাদ্দ চাওয়া হয়, সাধারণত তাই দেওয়া হয়। এবারও এর ব্যতিক্রম হবে না।

এ বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তাদের কত বাজেট সেটা এক সপ্তাহের মধ্যে জানাতে বলেছি। আমরা এবার আনসার বাহিনীকে শতভাগ অগ্রিম বরাদ্দ দেবো। আর অন্যান্য বাহিনীকে বাজেটের ৫০ শতাংশ অগ্রিম বরাদ্দ দেবো। বাকি টাকা পরবর্তীতে সমন্বয় করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ