প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডা. মিলন দিবস ভুলে যাওয়ার পেছনে আমাদের বুদ্ধিজীবীদেরও দায় আছে : যতীন সরকার

তানজিনা তানিন : স্মরণ ও পালনের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক ঐতিহাসিক দিন, বলেছেন- শিক্ষাবিদ যতীন সরকার। এমনই ভাবে ভুলে গেছে শহীদ ডা. মিলন দিবসকেও। ২৭ নভেম্বর স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম-মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন। ১৯৯০ সালের এই দিনে তার আত্মত্যাগের বিনিময়ে পতন হয় হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরশাসন। তার আত্মদানের স্মরণে এই দিনটিকে শহীদ ডা. মিলন দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্ম শহীদ ডা. মিলন দিবস সম্পর্কে অবগত নয়। এর কারণ- বুদ্ধিজীবীরা দিবসগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে স্মরণ করেন না। যারা যে ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তারা যদি ইতিহাস ব্যাখ্যা না করে তাহলে তরুণ প্রজন্মের ইতিহাস জানা সম্ভব হবে না। কোন দিবসের কি মাহাত্ম, তা সম্পর্কে অনুভূতি ও ইতিহাস জানার আগ্রহ তৈরি হবে না। আমাদের নতুন প্রজন্মের ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞান অত্যন্ত ক্ষীণ। তাদের এই দুর্বলতা দূর করতে না পারলে পরবর্তী প্রজন্ম ইতিহাস জ্ঞান শূন্য হয়ে পরবে।
ইতিহাস চর্চার গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, ইতিহাসকে লালন করতে হয়। সেজন্য যেকোনো দিবসকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা প্রত্যেকের কর্তব্য। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ভাবমূর্তি ফুটিয়ে তোলার দায়িত্ব বুদ্ধিজীবীদের। যারা ইতিহাসের সাক্ষী। তাই প্রত্যেক দিবসে সেই দিনের ঘটনা ও তাৎপর্য বিষয়ে সংবাদপত্র, টেলিভিশনসহ সকল গণমাধ্যমে প্রচার করা উচিত। দিবস অনুযায়ী শ্রেণীকক্ষে শিক্ষকদের উচিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখা। দিবসকে কেন্দ্র করে, জাতীয়ভাবে নানা অনুষ্ঠান ও কর্মসূচি পালন করার উদ্যোগ নিতে হবে মনে করেন তিনি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ