প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘নারী নির্যাতন রোধে প্রচলিত আইনে সংস্কার আনতে হবে’

এস এম নূর মোহাম্মদ : নারী নির্যাতন রোধে প্রচলিত আইনে সংস্কার আনতে হবে। বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে দ্রুত। হয়রানি রোধে একাধিক আদালতে নয়, একটি আদালতেই সকল বিচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। মঙ্গলবার একটি মতবিনিময় সভায় অংশ নিয়ে এমনই মত দেন আলোচকরা। রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আইন কমিশন ও অ্যাকশন এইডের উদ্যোগে পারিবারিক আদালত আইন বিষয়ক মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় অংশ নিয়ে আলোচকরা বলেন, পারিবারিক আদালতের বিচারকদের বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে তারা দ্রুত মামলা নিষ্পত্তিতে ভ‚মিকা রাখতে পারেন। দেন মোহরের বিষয়ে আলোচকরা বলেন, এ নিয়ে বিয়ের সময়ই চুক্তিবদ্ধ হতে হয়। আর দিতে হয় বিয়ের সময়। তবে অনেকে সেটি পরিশোধ করেন না। আবার বিয়ে বিচ্ছেদ হলেও সেই টাকা আদায় করতে যুদ্ধ করতে হয়। তাই ওই টাকা বিচারের শুরতেই দেওয়ার আদেশ দিতে মত দেন তারা।

এছাড়া বিয়ে বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আপিল চালানোর ফলে অনেকে দ্বিতীয় বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না। তাই আপিল দ্রুত নিষ্পত্তির উপর জোর দেন আলোচকরা।

সভায় অংশ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, দ্রুত মামলা নিষ্পত্তি করতে পৃথকভাবে পারিবারিক আদালত স্থাপন করতে হবে। যারা কেবল পারিবারিক বিষয় নিষ্পত্তি করবে। সেইসঙ্গে ক্যামেরা ট্রায়ালের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার উপ-পরিচালক আবিদা সুলতানা বলেন, পারিবারিক আদালতের মামলা নিষ্পত্তি করেন সহকারীজজ। তাদের বাস্তব জীবনে এ বিষয়ে কিছুটা অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে উল্লেখ করে তিনি যুগ্ম জেলা জজদের এক্ষেত্রে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাসমিয়া আহমেদ বলেন, অনেক নারী মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। কিন্তু আইনে এ বিষয়ে কোন কিছু উল্লেখ নেই। তাই আইনে মানসিক নির্যতনের শিকারদের জন্য চিকিৎসাসহ ক্ষতিপূরনের বিষয় অন্তভুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি।

তবে আলোচকদের মতামত নোট নিয়ে ভবিষ্যতে আইনটি আরও পরিবর্তন করে যুগপযোগী করার কথা জানান আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচাপরপতি এবিএম খায়রুল হক। তিনি বলেন, আমরা সবার মতামত লিপিবদ্ধ করছি। এগুলো সংযোজনের বিষয়ে কমিশন কাজ করবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত