প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খালাস পেলেও নির্বাচনে অংশ নিতে ৫ বছর পার হতে হবে : অ্যাটর্নি জেনারেল

এস এম নূর মোহাম্মদ : দণ্ডপাওয়ার পর খালাস পেলেও ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে নির্বাচন করতে । মঙ্গলবার এমন ব্যাখ্যা দিয়েছেন, অ্যাটর্নি জেনারেলমাহবুবে আলম। তিনি বলেন, দুর্নীতির দুই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত খালেদা জিয়া আপিলে খালাশ পেলেও নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। নির্বাচনে অংশ নিতে হলে খালেদা জিয়াকে মুক্তির পরও ৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে।

মাহবুবে আলম বলেন, ফখরুর ইসলাম, ওয়াদুদ ভূঁইয়া, মশিউর রহমান, এমডি আব্দুল ওয়াহ্হাব, ডা. জাহিদ হোসেন একটি আবেদন করেছিলেন এই বলে যে,- তারা দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে জামিনে আছেন। কিন্তু তাদের দণ্ড স্থগিত না করা হলে তারা সামনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারছেন না। এই বলে তারা দণ্ড স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিলেন।

আদালতে আমি (শুনানিতে) বলেছিলাম- ফৌজদারী আদালত বিশেষ করে ফৌজদারী আপিল আদালত অবশ্যই তাদের সাজা (সেনটেন্স) স্থগিত করতে পারেন। কিন্তু কনভিকশন বা তাকে যে দোষী সাব্যস্থ করা হয়েছে সেটির স্থগিত নেই।

তিনি বলেন, যারা দরখাস্ত করেছিলেন তারা সবাই দণ্ডপ্রাপ্ত। এরা তাদের দণ্ড থেকে মুক্তি লাভ করেনি। তাদের ৫ বছর সময় অতিবাহিত হয়নি। এমতাবস্থায় যদি তাদের দণ্ড স্তগিত করে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হয় তা হবে সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। কাজেই আদালত আমাদের আবেদন গ্রহণ করে তাদের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের আর নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করার কোন অবকাশ থাকবে না বলে আমি মনে করি।

হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ, ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া নিম্ন আদালতের দণ্ড স্থগিত করে নির্বাচন করে সংসদে গিয়েছেন এবং মন্ত্রী হয়েছেন সেক্ষেত্রে অন্যদের ক্ষেত্রে এই নজির প্রযোজ্য না হওয়ার কারণ বিষয়ে তিনি বলেন,  এরশাদের ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টের রায় আছে। তার সাংসদ পদ খারিজ হয়ে গিয়েছিলো। আর ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর ও মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়ার মামলায় একই ধরণের সাবমিশন রাখা হয়েছিলো কিনা তা আমি বলতে পারবো না। এর আগে কেন এভাবে বলা (শুনানি) হয়নি তা আমি জানিনা।

প্রসঙ্গত, এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিএনপির ৫ নেতা- সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উলাহ আমান, বিএনপি সমর্থিত চিকিৎসকদের নেতা ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ঝিনাইদহ-২ এর সাবেক সাংসদ ও ঝিনাইদহ বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মো. মশিউর রহমান এবং ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সাংসদ ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মো. আব্দুল ওহাবের দণ্ড স্থগিতের আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত