প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ইন্টারনেটের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণা

রওশন তানিয়া : এবার নির্বাচনী প্রচারণার শক্তিশালি মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। বড় রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়াও ভোটের মাঠে প্রার্থীরা সরব রয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারণায়। তবে শঙ্কা দেখা দিয়েছে আচরণ বিধিমালা নিয়ে। নির্বাচন কমিশন বলছে, ডিজিটাল প্রচারণার বিষয়ে আইনে স্পষ্ট কিছু উল্লেখ না থাকলেও সর্তক রয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সূত্র : যমুনা টিভি

সরব রাজনীতির ময়দান, গ্রামগঞ্জ শহর জুড়েই রয়েছে ভোটের হাওয়া। প্রার্থী সমর্থকদের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো সরব সোশ্যাল মিডিয়ায়। ফেসবুকের পাশাপাশি, ইউটিউবে সক্রিয় আছে অনেকে। মাঠের প্রচারণার সাথে এবার আরো মনোযোগ দেয়া হবে সাইবার জগতে।

বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ বলেন, অনলাইন ফেসবুক আরো যে মাধ্যমগুলো আছে সেখানে আমাদের অনেক মেধাবি ছেলেরা কাজ করে।

আওয়ামী লীগের সহ-দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, যারা মিথ্যা প্রচার, মিথ্যা বিভিন্ন তথ্য দিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে তাদের মনিটরিং করে যেটা সত্য সেটা বলার চেষ্টা করবো।

ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর অর্ধেকই তরুণ, যাদের হাতের মোবাইল স্ক্রিনে মুহূর্তে ভেসে আসছে প্রার্থীদের আপডেট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাধিকতা বিভাগের চেয়ারপারসন ড. কাবেরী গায়েন বলেন, কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই, সেক্ষেত্রে আচরণবিধিটা বেধে দেওয়া উচিত।

নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে প্রচারণার বিষয়গুলো আচরণ বিধিমালার আওতায় পড়ে না। আমরা শুধু চাইবো নির্বাচনকে ঘিরে যেনো কোনো অপপ্রচার না হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, যারা অপপ্রচার করছে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে পারি সে জন্য আমরা প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। বাংলাদেশের বাইরে যেগুলো সে গুলোর তাৎক্ষণিক বিচার করতে না পারলেও , প্রচেষ্টা দিচ্ছি। সোশ্যাল মিডিয়ার কারণে রাজনৈতিক দাঙ্গা ঠেকাতে ইসিকে আগাম তথ্য জানাচ্ছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ