Skip to main content

সোশ্যাল মিডিয়াকে বন্ধ করতে চাই না, পারিও না : জহুরুল হক

মো: মারুফুল আলম : বিটিআরসি’র চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেছেন, আমরা কখনও সোশ্যাল মিডিয়াকে বন্ধ করতে চাই না, বন্ধ করতে পারিও না। বিশেষ কোন সমস্যা হলে বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হলে ফেইসবুক কর্তৃপক্ষকে আমরা রিকোয়েস্ট করি। তারা তাদের পলিসি মোতাবেক কখনো বন্ধ করে, আবার কখনও করে না। মঙ্গলবার বিবিসি বাংলাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার গুজব বন্ধ করতে বিটিআরসিকে রিকোয়েস্ট করা হলে বিটিআরসি সোশ্যাল মিডিয়াকে রিকোয়েস্ট করবে। সোশ্যাল মিডিয়া অনেক সময় রিকোয়েস্ট রাখে। তবে তাদের সাথে বাংলাদেশের এরকম কোন কন্ট্রাক্ট নেই। তাই তারা মিডিয়া বন্ধ করতে বাধ্য না। প্রসঙ্গত, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে যাতে কোনোভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ব্যাহত না হয়, সে বিষয়ে কড়া নজরদারির জন্য বিভিন্ন সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, মোবাইল অপারেটর অথবা আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে ২৪ ঘন্টা কমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদেরকে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, বিটিআরসি কখনও মানুষের কথা বলার অধিকার খর্ব করে না। সাংবিধানিকভাবে ইলেকশন কমিশন যে কোন লোকের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারে। বিটিআরসি’র পরামর্শ চাইলে বিটিআরসি পরামর্শ দেবে, আলোচনা করবে। বিটিআরসি কোনকিছুই বন্ধ করে না। তবে নির্দেশ পেলে আমাদের নিজস্ব রুলস্ অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করবো। মোবাইল ফোন অপারেটরদেরকে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে ডাকা হয়েছিলো। তারা কি কিছু বন্ধ করতে পারে কি না জানতে চাইলে জহুরুল হক বলেন, মোবাইল ফোন অপারেটররা বিটিআরসি’র নির্দেশ ছাড়া কিছুই করবে না। তাদের পলিসিও নাই কোনোকিছু বন্ধ করার। বিটিআরসি না চাইলে তারা কিছুই করতে পারে না। সার্বক্ষণিক যে নজরদারীর কথা নির্বাচন কমিশন বলছে, সেটা কিভাবে সম্ভব হবে? জবাবে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণের উপায় যে একদম নাই তাতো না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো অনেক সময় বিটিআরসি’র রিকোয়েস্ট শোনে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লোকজন যাতে ঢুকতে না পারে আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, হ্যাঁ আছে, তবে নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত সেরকম কোন সিদ্ধান্ত আমাদের নেই। নির্দেশ না পেলে বিটিআরসি কিছুই করবে না। বিটিআরসি মানুষের কথা বলার অধিকার খর্ব করে না।

অন্যান্য সংবাদ