প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাধারণ মানুষের প্রতি মানবিক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে আজীবন থাকবো : রিয়াজ

আশিক রহমান : জনপ্রিয় চিত্রনায়ক রিয়াজ আহমেদ বলেছেন, তথ্য ও প্রযুক্তি এখন আমাদের হাতের মুঠোয়। এসব সেবা এখন সহজভাবে পাওয়া সম্ভব। কীভাবে হলো এই প্রযুক্তিবিপ্লব? কার হাত ধরে এসেছে এই সফলতা? আমাদের সচেতন তরুণ প্রজন্ম তা জানে। মুঠোফোন, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট সার্ভিস এখন অনেক সহজ। সুলভমূল্যে এসব সেবা গ্রহণ করা যায়। এটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও তার দল কিংবা জোট ক্ষমতায় থাকার কারণেই।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম অনেক সচেতন। সক্রিয়। আমাদের চেয়েও তারা অনেক বেশি মেধাবী। তাদের সামনে অনেকগুলো দৃষ্টান্ত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু আমাদের সামনে অনেক বড় একটা আদর্শ। তার প্রিয় সংগঠন আওয়ামী লীগ কখনো খুনের রাজনীতি করেনি। কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছে। তার প্রিয় কন্যা শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিলো ২১ আগস্ট ২০০৪ সালে।

তরুণ প্রজন্ম এই হত্যার রাজনীতি পছন্দ করে না বলেই আমার ধারণা। তারা একটি ভালো শিক্ষা ব্যবস্থা চায়, যা ক্রমেই উন্নত হচ্ছে। তারা একটি সুন্দর, প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক, বৈষম্যহীন, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে। আমি বিশ^াস করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই একমাত্র তাদের এসব স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে। আমাদের তরুণপ্রজন্ম তা বোঝে। নতুন করে বোঝানোর কিছু ্আছে বলে মনে হয় না। কারণ তারা ইতিহাস পড়ছে, জানছে। তারা গুগল সার্চ করছে, ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফলো। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের কথা শুনছে। পড়ছে। দেখছে। আমার মনে হয়, আমাদের তরুণ প্রজন্ম তার জীবনের প্রথম ভোটটি নৌকাকেই দেবে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকভাবে অনন্য। তিনি অত্যন্ত মানবিক একজন মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রতি তার ভালোবাসা অসীম। বিশেষ করে শিল্পীদের প্রতি তার যে মমত্ববোধ, যে সহানুভূতি তা তুলনাহীন। শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে তিনি যে স্ট্যান্ড নিয়েছেন তাতে তিনি কোনো দলমত মানুষ বিচার করেননি। তার কাছে সবাই সমান। যেমন ধরুন, চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন দেশের অন্য একটি রাজনৈতিক দলের মতাদর্শে বিশ^াসী একজন মানুষ। সারাজীবন তিনি অন্য একটি রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করে আসছেন। দলটির পক্ষে কাজ করেছেন। কিন্তু তিনি যখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী, কোমায় আছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার চিকিৎসার ব্যয় নির্বাহের কেউ আবেদনও করেননি, কিন্তু একটি নিউজ দেখে আমজাদ হোসেনের সন্তানদের ডেকে নিয়েছেন।

বড় অংকের আর্থিক সহযোগিতা করেছেন। সেই অর্থ তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন। তিনি দলীয় পরিচয় বিবেচনায় নেননি, আমজাদ হোসেন কোন দলের সমর্থক সেটা দেখেননি। অথচ উচিত ছিলো যে দলের পক্ষে সারাজীবন তিনি কাজ করেছেন, তাদের কিছু করা।

আমজাদ হোসেনের জন্য তার দল কিছু না করলেও বঙ্গবন্ধুকন্যা ঠিকই পাশে দাঁড়িয়েছেন। রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছেন। শিল্পীদের প্রতি তার এই মমত্ববোধ, একটা ভরসার জায়গা তিনি তৈরি করে নিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, বঙ্গবন্ধুকন্যার মানবিকতা, উদারতায় অনুপ্রাণিত হয়ে জনকল্যাণে নিবেদিত আওয়ামী লীগের পাশে আছি। থাকবো আজীীবন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ