প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘সেই মাস্তানদের মনোনয়ন দিয়েছে আওয়ামী লীগ’

রবিন আকরাম : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন সময়ে সমালোচিত ও বিতর্কিত অনেক প্রার্থীই আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। স্থানীয় নেতা-কর্মীদের বিরোধিতা থাকলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি। জানা গেছে, ব্যতিক্রম ঘটেছে সরকারদলীয় দুই সাংসদ আবদুর রহমান বদি ও আমানুর রহমান খানের ক্ষেত্রে। এ দুজনকে বাদ দেওয়া হলেও দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন তাদের পরিবারের অন্য সদস্যরা।

সরকারি দলের সমালোচিত সাংসদদের মধ্যে আবার মনোনয়ন পেলেন এ কে এম শামীম ওসমান, শেখ আফিল উদ্দিন, রণজিত কুমার রায়, ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু, শওকত হাচানুর রহমান, আ স ম ফিরোজ, ফাহমি গোলন্দাজ, ওমর ফারুক চৌধুরী, মনোরঞ্জন শীল, আবদুল ওয়াদুদ দারা, নিজাম উদ্দিন হাজারী প্রমুখ।

এ ব্যাপারে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে লেখক কলামিস্ট প্রভাষ আমিন মন্তব্য করে লিখেছেন, আওয়ামী লীগ সেই জনবিচ্ছিন্ন, দুর্নীতিবাজ, মাস্তানদের মনোনয়ন দিয়েছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বলেছিল জনবিচ্ছিন্ন, দুর্নীতিবাজ, মাস্তানদের এবার বাদ দেয়া হবে। যাদের কারণে শেখ হাসিনার অসাধারণ নেতৃত্বে উন্নয়নের অসামান্য অর্জন ম্লান হতে বসেছে; তাদের বাদ দেয়ার আকাঙ্খাটা উঠে এসেছিল বিভিন্ন জরিপেও।

‘সেই হিসেবেই এবার মনোনয়ন দেয়ার কথা। মাস দুয়েক আগেও নানা সূত্রে শোনা গেছে, বিভিন্ন জরিপ মিলিয়ে অন্তত ১০০ জন এমপিকে জনবিচ্ছিন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ৭০ জন বাদ পড়বেন বলে শোনা যাচ্ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার কিছুই হয়নি। যে কজন বাদ পড়েছেন, তারা হয় বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা বা তীব্র অন্তর্কোন্দলের কারণে।’

প্রভাষ আমিন বলেন, জরিপে জনবিচ্ছিন্ন, সমালোচিত কাউকেই বাদ দেয়া হয়নি। চিহ্নিত ৭০ জনকে বাদ দেয়া হলে সারাদেশে একটা ইতিবাচক বার্তা যেতে পারতো যে, আওয়ামী লীগ দুর্নীতিবাজ বা মাস্তানদের সমর্থন দেয় না। কিন্তু আওয়ামী লীগ করেছে উল্টোটা। সবার সব অপকর্মের দায় দল হিসেবে কাঁধে নিয়েছে।’

‘তবে সবচেয়ে আলোচিত হাস্যকর হয়েছে আবদুর রহমান বদি ও মিসেস বদির মধ্যে চোর-পুলিশ খেলাটা। বদি ইয়াবা চোরাচালানের মূল হোতা। পুলিশের সব তালিকায় তার নাম সবার ওপরে। দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে তাকে এবার মনোনয়ন দেয়া হয়নি। কাকে দেয়া হয়েছে? মিসেস বদি শাহীন আক্তার চৌধুরীকে। আওয়ামী লীগ বুঝি মানুষকে এতই বোকা ভাবে?’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত