প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিম্নমুখি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

আদম মালেক : রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়লেও চাপ কমছে না বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর। বিভিন্ন পণ্যের আমদানি বাড়ায় পতনমুখি এই রিজার্ভ। ২ বছর ধরে এই পতনের ধারা অব্যাহত বলে বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের নভেম্বরে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১৩৭০.৯০ বিলিয়ন ডলার। মাঝে কিছু বাড়লেও ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ২৫ নভেম্বর এই রিজার্ভের পরিমাণ ৩১.০৪ বিলিয়ন ডলারে নামে।

আমদানির চাপ সামলাতে গিয়ে হিমসিম খাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মুদ্রাবাজার অস্থিতিশীল করার অভিযোগে স¤প্রতি এক ডজন ব্যাংককে শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই অপরাধে গত বছরের শেষ সময়ে ২৬ ব্যাংককে শোকজ করা হয়েছিল।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আমদানিজনিত চাপে দেশের ভেতরে বেড়েছে ডলারের চাহিদা। ফলে চাহিদার তুলনায় ডলারের জোগান কমে গেছে। এ কারণে ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন ঘটছে। এক বছরের ব্যবধানে প্রতি ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমেছে ৪ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, গত কয়েক মাস ধরে আমদানির জন্য এলসি (ঋণপত্র) খোলা ও নিষ্পত্তির পরিমাণ বাড়ছে। গত অর্থবছরে (২০১৭-১৮) দেশে ৫ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি হয়। যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ২৫ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দৃশ্যমান বিনিয়োগ না হলেও অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে পণ্য আমদানি। আমদানি হচ্ছে সার এলএনজি জ্বালানী। তবে মূলধনী যন্ত্রপাতিই বেশি হারে আমদানি হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত অর্থবছরের জুন শেষে মূলধনী যন্ত্রপাতির আমদানির জন্য আমদানির ঋণপত্র স্থাপন বা এলসি খোলার হার বেড়েছে প্রায় ২২ শতাংশ, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল সাড়ে ১০ শতাংশ।

সম্পাদনা-বিশ্বজিৎ দত্ত

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ