প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করতে পারে শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলো : নাঈমুল ইসলাম খান

উল্লাস মূর্তজা : আমাদের নতুন সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান বলেছেন, মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছার ওপরই নির্ভর করে নির্বাচন কতোটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। কতটা অংশগ্রহণ মূলক হবে বা কতটা উৎসব মুখর হবে। শুধুমাত্র নির্বাচন কমিশনের সদিচ্ছা নয়, সকল রাজনৈতিক দলেরও সদিচ্ছা থাকতে হবে। রোরবার রাতে ‘ইনডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশন’-এর ‘টকশো’তে তিনি এসব কথা বলেন ।

তিনি বলেন, ‘নয়াপল্টনে বিএনপির সমাবেশের ওই ঘটনার পর কিন্তু পুলিশ আর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এমনকী পরের দিনও তারা কোনো অ্যাকশনে যায়নি। পুলিশের উর্দ্ধতন পর্যায় থেকে জানানো হয়, আমাদের প্রতিপক্ষ ভাববেন না, আমরা রাষ্ট্রের কর্মচারী। নির্বাচনে মনোনয়ন ও মনোনয়নের কৌশল, পুলিশ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা দেখে এখন বোঝা যাচ্ছে মনোনয়নের সংগ্রহ ও দাখিলের ক্ষেত্রে, ১০০ ভাগ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড রয়েছে’।

আমাদের মধ্যেও সন্দেহ ছিলো, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট কতোটা নির্বিঘ্নে তাদের মনোনয়ন প্রক্রিয়া চালাতে পারবে। ফলাফল দেখে, আমরা নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রাখতে চাই। নির্বাচন কমিশন যতোটা সম্ভব অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আমাদের উপহার দেবেন।

নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, নিরপেক্ষতা বলতে যেটা বোঝানো হয় সঠিক, সত্যতা এবং উদ্দেশ্য। সে ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের আলাদাভাবে নিরপেক্ষ হবার মতো কিছুই নেই। আইনের শাসণ সব সময় ন্যায়ের শাসণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। এটা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই নির্বাচন কমিশন সর্বতভাবে যদি আইনের দৃষ্টিতে দেখে তখন সেটা সবসময় ন্যায়ানুগ হবে না। যখন যেটা ন্যায়ানুগ হয় না আমরা তখন সেটার প্রতিক্রিয়া দেখাই।
নির্বাচনের সময় পুলিশ ধর-পাকড় করেছে।

নিরপেক্ষতার ব্যাপার না, আমরা আশাকরি ন্যায়ানুগ হওয়ার ব্যাপারটা। আইনের শাসণ যে প্রয়োগ করবে সে যদি সঠিক হয় তাহলে ব্যাপারটা হবে এক রকম আর যদি না হয় তাহলে ব্যাপারটা হবে অন্যরকম। একজন সাংবাদিকের কাজ হলো সঠিক খবরগুলো জনসাধারণকে জানানো। নির্বাচনের সময় প্রার্থী ও দল সম্পর্কে মানুষকে এমনভাবে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে জানাবে যেন, সাধারণ মানুষ এই তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে সঠিক প্্রার্থী বেছে নিতে পারে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে একজন সাংবাদিকের আলাদা কোনো দ্বায়িত্ব আছে বলে মনে করেন না নাঈমুল ইসলাম খান।

তিনি আরও বলেন, নির্বচনটা আমাদের জাতীয় জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কেননা আমাদের আগামী ৫ বছর নির্ভর করছে মানুষের সিদ্ধান্তের উপর। তাই সঠিক প্রার্থী বাছাই করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। একটা দলীয় সরকারের অধীনে সকল দলের অংশগ্রহণে একটা প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ণ নির্বাচন গত ৩০ বছরে হয়নি, যদি তাই হয় সরকারি কর্মকর্তা বলেন আর নির্বাচন কমিশন বলেন সকলের জন্যই এটা নতুন অভিজ্ঞতা। যার মধ্যে থাকবে তিক্ত অভিজ্ঞতা, থাকবে ভুল ভ্রান্তিও।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত