প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা বন্ধ পরবর্তী সরকারের লক্ষ্য হওয়া উচিত

শিপা হাফিজা : বাংলাদেশে পারিবারিক সহিংসতা কতটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, তা কারো অজানা নয়। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য বিভাগ প্রণিত ‘নারীর বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা : জানুয়ারি-অক্টোবর ২০১৮’ অনুযায়ী ১৬০ জন নারী তাদের স্বামীর হাতে, ৪৬ জন নারী তাদের স্বামীর পরিবারের হাতে খুন হয়েছেন, ৩০ জন নারী তাদের স্বামীর হাতে নির্যাতিত হয়েছেন এবং ৪৭ জন নারী পারিবারিক সহিংসতার শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছেন। এই পরিসংখ্যানেই বোঝা যায় পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ।

জাতীয় নির্বাচন আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। নির্বাচনের পর একটি নতুন সরকার গঠিত হবে। বাংলাদেশের ভয়াবহ পারিবারিক সহিংসতাকে

মাথায় রেখে, আমি আশা করবো ভবিষ্যত সরকার আরো গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টি নেবেন এবং ভালোভাবে একে রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। যখন একজন নারীতে অল্পবয়সে বিয়ে দেওয়া হয়, তখন তার সমস্ত সম্ভাবনাকে হত্যা করা হয় এবং তার ব্যক্তি উন্নয়ন এবং ইতিবাচক ভবিষ্যতকে ঝুঁকিতে ফেলা হয়। বাংলাদেশে নারীর প্রতি পারিবারিক সহিংসতা বন্ধের জন্য আমাদের বাল্যবিবাহ বন্ধ করতেই হবে।

লেখক : আইন ও শালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন, ডেইলি আওয়ার টাইম এর নির্বাহী সম্পাদক, তাসমিয়াহ নুহিয়া আহমেদ। (মূল ইংরেজি থেকে অনূদিত ও সংক্ষেপিত)

অনুবাদ: আসিফুজ্জামান পৃথিল , সম্পাদনা : শরিফউদ্দিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ