প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজাপুরে শিশু পার্ক এখন গোচারণভূমি

ডেস্ক রিপোর্ট : ঝালকাঠির রাজাপুর সদরের শিশু পার্কটি যেন গোচারণভূমিতে পরিণত হয়েছে। অবাধে গবাদিপশু চরানোর কারণে শিশুদের বিনোদনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে পার্কে আসতে অনীহা প্রকাশ করছেন। পার্কে শিশুদের উপস্থিতি কমে গেলেও বেড়েছে বখাটেদের আনাগোনা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বাসভবনের সামনে সীমানা প্রাচীর দিয়ে ঘেরা শিশু পার্কটিতে অবাধে গবাদিপশু বিচরণ করায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এ ছাড়া পার্কের পাশে সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য বরাদ্দ করা দুটি দ্বিতল ভবন পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকায় সেখানে মাদকাসক্তদের আড্ডা বসে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। শুধু তাই নয়, একাধিকবার চুরির ঘটনা ঘটেছে পার্কের পাশেই কর্মকর্তাদের বাসভবনে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পার্কে ডজনখানেক গরু-ছাগল চরে বেড়াচ্ছে। পশুর মলমূত্র ছড়িয়ে রয়েছে সর্বত্র। বসার আসনগুলো দখলে রেখেছে ছাগল। পার্কের পাশেই পরিত্যক্ত ভবনের চারপাশে চলছে মাদকাসক্তদের আনাগোনা। বয়স্করা ব্যবহার করার কারণে এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে একাধিক দোলনা। সম্প্রতি পার্কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সন্তান নিয়ে পার্কে ঘুরতে আসা সঞ্জয় কর্মকার বলেন, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে থাকা পার্কটির অবস্থা এমন হওয়া কাম্য নয়। শিশুদের বিনোদনের জন্য সরকারের এ প্রচেষ্টা শুধু তদারকির অভাবে সফল হচ্ছে না। স্থানীয় প্রশাসনের এ বিষয়ে আরও যত্নবান হওয়া প্রয়োজন। রাজাপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, গবাদিপশু নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্তমানে সদর ইউনিয়নে কোনো খোঁয়াড় নেই। কেউ আবেদন করলে খোঁয়াড় বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা বেগম পারুল বলেন, পার্কের পরিচর্যা বা সার্বক্ষণিক তদারকির জন্য কোনো লোকবল বরাদ্দ না থাকায় মাঝে মধ্যে গবাদিপশু পার্কে প্রবেশ করছে। তবে যারা গবাদিপশু ছেড়ে দিয়ে পালন করছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সূত্র : সমকাল

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ