প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐক্যফ্রণ্টে ফাটল, এবার খন্দকার মোশাররফের সাথে ড. এমাজউদ্দিনের ফোনালাপ ফাঁস (অডিও)

ডেস্ক রিপোর্ট : ঐক্যফ্রণ্টে আসন বণ্টন নিয়ে দেখা দিয়েছে হতাশা। তাদের মধ্যে বিভেদ চরম আকার ধারন করেছে। জোটের একাংশে দেখা দিয়েছে ফাটল। বিএনপি ও শরিকদলগুলোর সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে রোববার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফাঁস হওয়া এক অডিও ক্লিপ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে। অনলাইনে ফাঁস হওয়া ঐ কথপোকথনে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এবং বিএনপিপন্থী বুদ্ধিজীবী ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ এর আলাপচারিতায় উঠে আসে- ‘নাগরিক ঐক্যের মান্না ৪০ আসন দাবি করায় বিব্রত অবস্থায় পড়েছে বিএনপি’।

এমাজউদ্দিন: ‘অনেক রাত ধরে কাজ করছেন আপনাদের পরিশ্রম যাচ্ছে । ঐক্যফ্রন্ট কি খুব বেশি দাবি দাওয়া করছে নাকি শুনলাম।’

খন্দকার মোশাররফ: ‘হ্যাঁ দাবি দাওয়ার শেষ নাই। মান্নার পার্টির তো কোন নিবন্ধন নাই। তাকে বগুড়ার আসন দিতে চেয়েছি। সে পেলে আমাদের তিনবারের পাস করা এমপি পাবে না। আর সে যদি চল্লিশটা চায়।’

এমাজউদ্দিন: ‘চল্লিশ টা!!’

খন্দকার মোশাররফ: ‘তাদের দাবি রক্ষা করা খুব কঠিন হচ্ছে।’

এমাজউদ্দিন: ‘তাদের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে বিএনপিকে উদ্ধার করতে নেমেছে। ’

খন্দকার মোশাররফ: ‘তাদের এমন ব্যবহার খুবই খারাপ অবস্থায় আছি। তারা এখন আছে তাই ভাল ব্যবহার করি। আপনি বলেন এইটার কোন যুক্তি আছে। মান্নাকে আমরা অনেক সম্মান দিয়ে ফেলেছি।’

এমাজউদ্দিন: ‘আর অন্যদের রবের কি ব্যাপার।’

খন্দকার মোশাররফ: ‘রবের ঢাকাতে এমন সিট দিতে পারি সে পাস করবে। না রব লক্ষীপুর থেকেই করবে। ওখানে নাজিম আছে। ২০০৮ সালে ৩৩ আসনের মধ্যে একটা ঐ ছেলে পেয়েছিল। রব তার কাছে জামানত হারায়ছিল।কিন্তু সে এখন বলছে ওই খান থেকেই দাঁড়াবে। ঐখানে নির্বাচন করলে সে ফাইট করবে কিন্তু ঢাকায় সে পাস করবে। এরা এমনই ফালতু লোক।’

এমাজউদ্দিন: ‘এখন মনে হচ্ছে ব্ল্যাক মেইলিংয়ের দিকে চলে যাচ্ছে।’

খন্দকার মোশাররফ: ‘আপনারা বলেন ঐক্য ভাল ঐক্য ধরে রাখতে হবে। কিন্তু আর কত। জনসভায় আমরা লোক যোগাড় করি। এরা বক্তব্য দেয়। কামাল হোসেন সাহেবকে বলেছি একটা লিস্ট দেন। এই লিস্ট দেখে কাজ হবে। আমাদের ৩০০ আসনে জনসভা করতে হবে। আমাদের লোক যোগাড় করতে হবে। অথচ দেখেন তারা একটা লোক খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই বলে না। কামাল হোসেনকে বলছি আপনারা নির্বাচন করেন একা। আমরা লোক দিব। জনসভাও করে দিব। কেন বলবো না বলেন ওরা এমন ব্যবহার করলে কেন বলবো না।’

এমাজউদ্দিন: ‘এটা খুব খারাপ কথা আসলেই। এরা যেমন করছে। তাহলে ২০ দলীয় জোট কি দোষ করলো।’

খন্দকার মোশাররফ: ‘হ্যাঁ ২০ দলীয় জোট আমাদের সাথে থাকলো। তারাওতো নির্যাতনের শিকার হয়েছে। কামাল হোসেন সাহেবের আসলে বয়স হয়ে গেছে।’

সূত্র : বাংলা নিউজ পোস্ট

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ